Why You Should Learn JavaScript in 2023 ?

Why You Should Learn JavaScript in 2023 ?

Introduction:
JavaScript has become the backbone of modern web development. In this post, we explore why you should choose JavaScript as your primary language and harness its power for building dynamic and interactive web applications.

Versatile Front-End Development :
JavaScript’s dominance in front-end development is unparalleled. With frameworks like React, Angular, and Vue.js, JavaScript empowers developers to create responsive and engaging user interfaces. Its ability to manipulate the DOM in real-time allows for dynamic updates, animations, and seamless user interactions.

Server-Side Capabilities with Node.js :
JavaScript’s influence extends beyond the browser with Node.js. It enables developers to build scalable and efficient server applications. Node.js utilizes event-driven architecture and non-blocking I/O operations, making it perfect for real-time applications, APIs, and microservices.

Extensive Ecosystem and Community Support :
JavaScript boasts a vast ecosystem of libraries, frameworks, and tools. Popular libraries like jQuery and lodash simplify common tasks, while frameworks like Express.js and Next.js streamline server-side development. The JavaScript community offers abundant support, resources, and learning opportunities.

Cross-Platform Compatibility :
JavaScript’s versatility extends to mobile and desktop app development. Frameworks like React Native and Electron enable developers to use JavaScript for building native applications across multiple platforms. This cross-platform compatibility saves time and effort while leveraging existing JavaScript skills.

Asynchronous Programming :
JavaScript’s asynchronous nature enables efficient handling of time-consuming operations without blocking other tasks. Asynchronous patterns, such as Promises and async/await, ensure smooth performance. This is particularly useful for network requests, file operations, and database queries.

Continual Evolution and Modern Features :
JavaScript constantly evolves with regular updates to the ECMAScript specification. These updates introduce modern syntax, improved performance, and new functionalities. Staying up to date with JavaScript’s evolution empowers developers to utilize the latest features and stay ahead in the rapidly evolving web development landscape.

Conclusion :
JavaScript’s versatility, extensive ecosystem, cross-platform compatibility, asynchronous programming, and continual evolution make it an essential language for web development. By embracing JavaScript, you unlock endless possibilities to create innovative, interactive, and scalable applications. So, dive into the world of JavaScript and unleash its power in your projects today!

তুমিও হবে একজন দক্ষ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার

তুমিও হবে একজন দক্ষ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার

তুমি যদি একজন সমস্যার সমাধানকারী হও যে কিনা বিভিন্ন সমস্যা সমাধান অথবা কোন কাজকে সহজ করে তুলতে পছন্দ করো তবে তুমি একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সফল ক্যারিয়ার পেতে পারো।
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং হল কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং এর এমন একটি শাখা যেখানে সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনগুলো ডিজাইন, নির্মাণ, পরীক্ষণ এবং এর রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে কাজ করা হয়। সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়াররা ব্যবহারকারীদের জন্য সফটওয়্যার সমাধান তৈরি করতে বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষা ও প্রোগ্রামিং জ্ঞানের প্রয়োগ করে।
সফল দক্ষ ইঞ্জিনিয়াররা জানেন কিভাবে সঠিক প্রোগ্রামিং ভাষা, প্ল্যাটফর্ম এবং আর্কিটেকচার ব্যবহার করে কম্পিউটার গেম থেকে শুরু করে নেটওয়ার্ক কন্ট্রোল সিস্টেম এর মত জটিল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে হয়। সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়াররা তাদের নিজস্ব সিস্টেম তৈরির পাশাপাশি অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ারদের তৈরি বিভিন্ন সফটওয়্যার পরীক্ষা, আপডেট ডেভেলপমেন্ট ও এগুলো রক্ষণাবেক্ষণ এর কাজ করে থাকেন।
Meta এর একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার মুরতাদা আল-তামিমি বলেছেন, ” সমস্যা সমাধান করা লাগে এ ধরনের কোন কিছু দেখলেই আমি অনেক উত্তেজিত হয়ে পড়ি, কারণ তা থেকে আমি একটি অ্যাপ্লিকেশনের নতুন ফিচারস অথবা ওই সমস্যা সমাধানের জন্য নতুন অ্যাপ্লিকেশন কিভাবে নিয়ে আসা যায় তা নিয়ে চিন্তা করতে শুরু করি।”
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে তোমার প্রতিদিনকার কাজগুলো হতে পারে :
  • নতুন সফটওয়্যার সিস্টেম ডিজাইন ও মেনটেনেন্স
  • নতুন সফটওয়্যার প্রোগ্রাম তৈরি ও তা পরীক্ষা করা
  • কোড লেখা ও তা পরীক্ষা করা
  • ক্লায়েন্ট, ইঞ্জিনিয়ার, সাইবার এক্সপার্ট ও অন্যান্যদের সাথে সফটওয়্যার এর উন্নতি নিয়ে পরামর্শ করা।
  • গ্রাহককে সফটওয়্যার এর বিভিন্ন নতুন নতুন বৈশিষ্ট্য এবং এর কাজ উপস্থাপন করা।
সাধারণত একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার এই প্রধান কাজ গুলোই করে থাকে।
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়াররা সাধারণত দুটি বিষয়ের মধ্যে একটি নিয়ে পড়ালেখা ও দক্ষতা অর্জন করেন, তা হলো সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট এবং অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট। একজন সিস্টেম ডেভলপার অর্থাৎ ব্যাকএন্ড ইঞ্জিনিয়ার সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম ও নেটওয়ার্ক এর মত জিনিসগুলো নিয়ে কাজ করে। আর একজন অ্যাপ্লিকেশন ডেভলপার সাধারণত কম্পিউটার সফটওয়্যার ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর মত জিনিস গুলো নিয়ে কাজ করে।
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হতে কত সময় লাগে?
চার বছরের সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিজ্ঞানের Bsc ডিগ্রি নেওয়া উচিত। কিছু শিক্ষার্থী তাদের কোর্সকে চ্যালেঞ্জিং মনে করতে পারে এবং তাদের শেখার এবং বোঝার জন্য আরও বেশি সময় বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে, তবে এখনও প্রায় চার বছরের মধ্যে শেষ করতে সক্ষম হওয়া উচিত।
প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে শিখুন
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে শেখা অত্যন্ত জরুরি। একজন ভালো সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হতে হলে তাকে ভালো প্রোগ্রামার হতে হবেই। এর জন্য এক বা একাদিক প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে এ আপনার দক্ষতা দরকার।যত বেশি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে আপনি জানবেন পেশা হিসাবে আপনার কাছে এটি আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে এর মধ্যে শেখা দরকার :Python, JavaScript, C#, C++, Ruby, Javaএর মধ্যে Python,জাভাস্ক্রিপ্ট,CSS ,HTML আপনাকে জেনে রাখতে হবে।
কোনো বেসিক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং এর কাজে এগুলি অনেক ব্যাবহার হয়। এছাড়া ডাটা সাইন্স আর মেশিন লার্নিং ,আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ক্ষেত্রেও Python,R এর ব্যাবহার অনেক। আর যেহেতু সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়টি কোর তথ্যপ্রযুক্তি এর মধ্যে পরে তাই এর জন্য বিষয় গুলি সবসময় আপডেট হতে থাকে। তাই আজকে আপনি যদি কোনো একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে এর একটি ভার্সন শিখলেন,সেটি আবারো কিছুদিন পরে আপডেট হলে শিখে নিতে হবে। তাই এই পরিবর্তন এর সাথে আপনাকে মানিয়ে নিতে হবে। সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার পর চাকরির সুযোগ হিসাবে দেশ বিদেশে অনেক আছে. দেশের মধ্যে বড় বড় IT কোম্পানি যেমন TCS ,IBM ,Accenture এ অনেক ভালো মানের চাকরি পাওয়া যায়। অনেক সময় কলেজ ক্যাম্পাসিং থেকে এই সুযোগ চলে আসে কোর্স করতে করতেই। তাই ভালো ভাবে কোর্স /ডিগ্রী শেষ করলে চাকরির অভাব হয় না।
Writer : Iftakhar Ahmed
– জাভাস্ক্রিপ্ট এর ইতিহাস –

– জাভাস্ক্রিপ্ট এর ইতিহাস –

আসসালামু-আলাইকুম সবাইকে আজকে শেয়ার করব জাভাস্ক্রিপ্ট এর ইতিহাস এবং কি কেন কিভাবে.? বিষয়টি হলো জাভাস্ক্রিপ্ট দিয়ে কি করা যায়? জাভাস্ক্রিপ্ট কে ওয়েব এর মাতৃভাষা বলা হয়। ওয়েব নির্ভর সময়ের এই প্রোগ্রামিং ভাষা দিয়ে দারুণ সব কাজ করা যায়। তাই আমরা আজকে জানব জাভাস্ক্রিপ্ট কি এবং তার ইতিহাস।

-𝑊ℎ𝑎𝑡 𝑖𝑠 𝐽𝑎𝑣𝑎𝑆𝑐𝑟𝑖𝑝𝑡.?

যদি খুব সহজে বলি তাহলে জাভাস্ক্রিপ্ট ইন্টারনেটে ব্যবহৃত সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ক্রিপ্টিং ল্যাংগুয়েজ। জাভাস্ক্রিপ্ট হল একটি ক্লায়েন্ট সাইড স্ক্রিপ্টিং বা ব্রাউজার স্ক্রিপ্টিং ল্যাংগুয়েজ। সেই সাথে জাভাস্ক্রিপ্ট একটি ওবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা। এতে আছে ডেটা টাইপ, অপারেটর, গুরুত্বপূর্ণ কিছু অবজেক্ট আর ফাংশন বা মেথড। ওয়েব জগতে কাজ করে গলে আপনাকে জাভাস্ক্রিপ্ট শিখতেই হবে।

যদি প্রশ্ন করেন জাভাস্ক্রিপ্ট কি কাজে লাগে?

-তাহলে আমি বলবো JavaScript is Everywhere!!!

-𝐻𝑖𝑠𝑡𝑜𝑟𝑦 𝑂𝑓 𝐽𝑎𝑣𝑎𝑆𝑐𝑟𝑖𝑝𝑡.?

Brendon Erich নামক এক যুকব সান্টা ক্লারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিত ও কম্পিউটার বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। এরপর ১৯৮৫ সালে তিনি ইউনিভার্সিটি অফ ইলিনয়েস এট আর্বানা শ্যাম্পেইন থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী নেনে। তারপর তার কর্মজীবন শুরু করেন সিলিকন গ্রাফিক্সের মাধ্যমে। পরবতীর্তে তিনি ৭ বছর অপারেটিং সিস্টেম ও নেটওয়ার্ক কোড নিয়ে কাজ করেন। সেই সাথে মাইক্রোইউনিটিতে তিনি ডিজিটাল সিগন্যাল প্রসেসিং ও মাইক্রো কার্নেল নিয়ে কাজ করেন। এরপর ১৯৯৫ সালে Brenden Netscape কমিউনিকেশন কর্পোরেশনে তার কর্মজীবন শুরু করেন। নেটস্কেপ তখন প্রথম ব্রাউজার বাজারে এনে হইচই ফেলে দিয়েছিল। মাইক্রোসফটের সাথে ব্রাউজার যুদ্ধটা তখনো শুরু হয়নি। কথা ছিল ব্রেন্ডান নেটস্কেপ ন্যাভিগেটরের জন্য স্কিম নামক প্রোগ্রামিং ভাষা নিয়ে কাজ করবেন।

কিন্তু পরবর্তীতে নেটস্কোপ ব্রেন্ডানকে সম্পূর্ণ একটি নতুন প্রোগ্রামিং ভাষা তৈরি করার দায়িত্ব দেয়া হয়। তারপর বেশ কিছুদিন কাজ করে জাভাস্ক্রিপ্ট প্রোগ্রামিং ভাষায় তৈরি করা হয়। যা নেটস্কেপ ন্যাভিগেটর ২.০ বেটা নামক ওয়েব ব্রাউজারে সংযোজন করা হয়। তবে প্রথম তৈরি করা জাভাস্ক্রিপ্টের নাম রাখা হয়েছিলো মোচা। ১৯৯৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মোচার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় লাইভস্ক্রিপ্ট। লাইভস্ক্রিপ্টের মাত্র কয়েকদিন পরই নাম বদল করে রাখা হয় জাভাস্ক্রিপ্ট।

জাভাস্ক্রিপ্ট নাম রাখার কারণটা বানিজ্যিক। সেই সময় জাভা প্রোগ্রামিং ভাষায় অনেক জনপ্রিয়তা পায়। সেই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগাতেই জাভাস্ক্রিপ্ট নামকরন করা হয়। যারা প্রোগ্রামিং ভাষায় সাথে পরিচয় নেই। শুরুতে শুনলে মনে করেন জাভাস্ক্রিপ্ট ও জাভা একই জিনিস। কিন্তু দুইটি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষা।

জাভাস্ক্রিপ্ট নাম রাখার কারণটা । সেই সময় জাভা প্রোগ্রামিং ভাষায় অনেক জনপ্রিয়তা পায়। সেই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগাতেই জাভাস্ক্রিপ্ট নামকরন করা হয়। যারা প্রোগ্রামিং ভাষায় সাথে পরিচয় নেই। শুরুতে শুনলে মনে করেন জাভাস্ক্রিপ্ট ও জাভা একই জিনিস। কিন্তু দুইটি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষা।

কিছুদিন পরেই মাইক্রোসফট এই প্রোগ্রামিং ভাষার সাথে প্রায় মিলে যায় এরকম একটি ল্যাংগুয়েজ JScript নাম দিয়ে প্রায় ৩ মাস পর ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের সাথে বাজারে নিয়ে আসে। এদিকে নেটস্কেপ 𝙴𝙲𝙼𝙰 𝙸𝚗𝚝𝚎𝚛𝚗𝚊𝚝𝚒𝚘𝚗𝚊𝚕 (স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণ করে এরকম একটি ইউরোপীয়ান সংস্থা) এর কাছে ল্যাংগুয়েজটি উপস্থাপন করে। যার ফলাফল ১৯৯৭ সালে ECMAScript এর প্রথম সংস্করণ হিসেবে বাজারে আসে।

১৯৯৯ সালে এই স্ট্যান্ডার্ডটি আরো উন্নত হয় ECMAScript সংস্করণ ৩ হিসেবে – আর সেই থেকে ভাষাটির তেমন কোন বড় পরিবর্তন হয়নি। চতুর্থ সংস্করণটি ভেস্তে যায়, ভাষাটির জটিলতা নিয়ে মতবিরোধের ফলাফল হিসেবে।

তবে এই চতুর্থ সংস্করণের অনেক অংশবিশেষ কে ভিত্তি হিসেবে ধরে ২০০৯ সালে নতুন ECMAScript এর পঞ্চম সংস্করণ প্রকাশ করা হয়। এরপর পিছনে তাকাতে হয়নি জাভাস্ক্রিপ্টকে। ২০১৫ সালে যষ্ঠ সংস্করণ উম্মোচন হয়। তারপর প্রায় প্রতি বছরই নানা আপডেট আসে এই ভাষাটিতে।

২০২১ সালের জুলাই মাসে ECMAScript 2022 সংস্করণ উন্মোচন হয়। তবে স্ট‍্যাবল সংস্করণ হয়েছে রয়েছে ECMAScript 2021

জাভাস্ক্রিপ্টের অসংখ্য লাইব্রেরি এবং ফ্রেমওয়ার্ক রয়েছে যেগুলো ওয়েবপেইজ নির্মাণ, অ্যাপ্লিকেশন নির্মাণসহ আরো বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়। এগুলোর মধ্যে কতগুলো লাইব্রেরি এবং ফ্রেমওয়ার্ক বেশ জনপ্রিয় আঙ্গুলার জেএস, রিঅ্যাক্ট জেএস,রিঅ্যাক্ট নেটিভ, ভিউ জেএস এবং নোড জেএস ইত্যাদি।

-Stack Overflow এর জরিপ অনুযায়ী বিশ্বের জনপ্রিয় ল্যাঙ্গুয়েজ গুলোর মধ্যে জাভাস্ক্রিপ্ট অন্যতম! কারন এটা ওয়েব এর প্রান এবং একটি শক্তিশালী ল্যাঙ্গুয়েজ।

দিন দিন এর চাহিদা বেড়েই চলেছে। একটু খেয়াল করলেই দেখতে পাবেন জাভাস্ক্রিপ্ট এর ব্যবহার সব জায়গায়। বড় বড় ওয়েবসাইট গুলো তে ৬০% থেকে ৭০% কোড ই থাকে জাভাস্ক্রিপ্ট এর। আপনি যদি ব্রাউজার এর জাভাস্ক্রিপ্ট Disable করে ওয়েব ব্রাউজ করতে জান, দেখবেন বেশিরভাগ সাইট ঠিক মত কাজ করছে না।

-এখনই চেষ্টা করে দেখুন, জাভাস্ক্রিপ্ট Disabled করে ফেইসবুকে ঢোকার চেষ্টা করুন, দেখবেন ফেইসবুক বলবে “JavaScript Required” অর্থাৎ জাভাস্ক্রিপ্ট ছাড়া আপনি ফেইসবুক ব্যাবহার করতে পারবেন না।

এছাড়া আপনি যদি জাভাস্ক্রিপ্ট এর উপর বস হতে পারেন তাহলে আপনি ওয়েব এন্ড অ্যাপ দুই সেক্টরে রাজত্ব করতে পারবেন।

যেমন : ওয়েব এর জন্য রয়েছে React JS, Node JS, Express JS এগুলো দিয়ে একটা ওয়েবসাইটের Front End & Backend দুইটাই একসাথে ডেভেলপ করা সম্ভব। এছাড়া আপনি যদি অ্যাপ সেক্টরে আসতে চান জাভাস্ক্রিপ্ট এর হাত ধরে সেহেতু React Native আপনার জন্য এক্সট্রা একটা প্লাস পয়েন্ট। কারণ বর্তমানে দিন দিন React Native এর চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যেমন : আমরা যে বর্তমান ফেইসবুক চালাই এটাই React Native দিয়ে বানানো এর বাইরে বিশ্বের বিভিন্ন নামি-দামি কোম্পানির Official অ্যাপস গুলো React Native Based… So, আপনি জাভাস্ক্রিপ্ট এর উপর বস হতে পারলে এই যুগে আপনার চাহিদা বা Demand সবার উপরে থাকবে।

যদি আপনি ক্যারিয়ার হিসেবে জাভাস্ক্রিপ্ট কে বেছে নেন তাহলে আপনার কোনদিন কাজের অভাব হবে না।

জাভাস্ক্রিপ্ট ডেভেলপারদের এভারেজ বেতন 95,981 ডলার , যা বাংলা টাকায় অনেক বেশি!

এছাড়া ও আপনি যদি কোন ফার্ম এ জব না করতে চান, আপনার জন্য রয়েছে অনলাইন মার্কেটপ্লেস।

অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলো তে জাভাস্ক্রিপ্ট ডেভেলপারদের চাহিদা সব থেকে বেশি।

মার্কেটপ্লেস গুলো তে একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করতে পারবেন। এখানে আপনি পাবেন স্বাধীন ভাবে কাজ করার সুবিধা।

মার্কেট থেকে ক্লাইন্ট এর মাধ্যমে কাজ নিবেন এবং কাজ শেষে জমা দিয়ে আপনি আপনার কাজের পারিশ্রমিক পাবেন। খুবই সিম্পল।

𝙷𝚘𝚠 𝚃𝚘 𝚆𝚎 𝚕𝚎𝚊𝚛𝚗 𝙹𝚂.?

যদি সত্যিই আপনি মন থেকে জাভাস্ক্রিপ্ট শিখতে চান তাহলে আপনাকে কেও আটকাতে পারবে না! অনলাইন এ হাজার হাজার রিসোর্স পাবেন জাভাস্ক্রিপ্ট শেখার জন্য। এছাড়া ইউটিউব গুগল তো আছেই।

This Blog Edited By Sourov Dey

-ধন্যবাদ সবাইকে।

ওয়েব ডিজাইন কী এবং কেন ?

ওয়েব ডিজাইন কী এবং কেন ?

Web Design মানে হচ্ছে একটা ওয়েবসাইট দেখতে কেমন হবে বা এর সাধারন রূপ কেমন হবে তা নির্ধারণ করা।

 ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে আপনার কাজ হবে একটা পূর্ণাঙ্গ ওয়েব সাইটের টেম্পলেট বানানো। যেমন ধরুন এটার লেয়াউট কেমন হবে। হেডারে, মেনু কোথায় থাকবে, সাইডবার হবে কিনা, ইমেজগুলো কিভাবে প্রদর্শন করবে ইত্যাদি। ভিন্ন ভাবে বলতে গেলে ওয়েবসাইটের তথ্য কি হবে এবং কোথায় জমা থাকবে এগুলো চিন্তা না করে, তথ্যগুলো কিভাবে দেখানো হবে সেটা নির্ধারণ করাই হচ্ছে ওয়েব ডিজাইনার এর কাজ। সোজা ভাষায় বলতে গেলে আমরা ফেইসবুকে ভিজিট করলে যেই পরিবর্তন টা দেখতে পাই তা একটা ডিজাইন। আর এই ডিজাইন নির্ধারণ করতে ব্যবহার করতে হবে কিছু টুলস যেমন PHOTOSHOP, GIMP ইত্যাদি এবং কিছু Markup এবং Scripting Language যেমন HTML, CSS এবং JavaScript ইত্যাদি।

 

 

ওয়েব ডিজাইনারদের কে আমরা Front-end ডেভেলপার ও বলতে পারি। এখন Web design শিখতে কোন কোন ভাষা জরুরী…???

1. HTML

2. CSS

3. Bootstrap

4. JavaScript

5. JQuery

-উপরোক্ত গুলো জানা থাকলে একজন Web Designer হওয়া সম্ভব। এখন আমরা হালকা করে Development সম্পর্কে জেনে আসি ।

 

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে একটা ওয়েব সাইটের প্রাণ সঞ্চার করা। একজন ওয়েব ডিজাইনার যে ডিজাইন তৈরি করেন তার প্রতিটা উপকরণকে ফাংশনাল এবং ডাইনামিক করার জন্য পরিচালিত কর্মকান্ডই হচ্ছে Web Development।

একটা ওয়েব সাইট কে তিনটা ভাগে বিভক্ত করা যায় যেমন

১.ডিজাইন বা টেমপ্লেট ২.কনটেন্টম্যানেজমেন্ট ৩.সিস্টেম এবং ডাটাবেস।

একজন ওয়েব ডেভেলপার এই তিনটি বিষয়ের মধ্যে সমন্বয় ঘটিয়ে পুরো সিস্টেমটি কে সক্রিয় এবং ডাইনামিক করে থাকেন। একজন ওয়েবডেভেলপারের কাজ হচ্ছে

ডাটা প্রসেসিং,

ডাটাবেস নিয়ন্ত্রণ,

সিকিউরিটি নির্মান,

ইউজার এবং

এডমিনের ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণকরা,

এপ্লিকেশনের সকল ফিচারকে ফাংশনাল এবং ডাইনামিক করা এবং সমগ্র সিস্টেমের কার্যকারীতা এবং ব্যবহার যোগ্যতা নিয়ন্ত্রণ করা । Web Design নিয়ে শেষ কথা । আপনাকে একজন ভালো ওয়েব ডেভেলপার হতে হলে

PHP , MySQL এর পাশাপাশি HTML, CSS, JAVASCRIPT, JQUERY, Bootstrap এর সম্পর্কে বিশদ জ্ঞান রাখতে হবে। এছাড়া এর বাইরে নতুন টেকনোলজী হিসেবে আসছে বর্তমানে JavaScript এর Framework React Js , Vue Js, Angular Js. এগুলো জানলে আপনি একজন Front End Web Developer. (NB): JavaScript এর Framework যেকোনো একটা জানলে হবে ।

Home
Account
Course
Search