What is Dropshipping

What is Dropshipping

ড্রপ শিপিং কি?

ড্রপ শিপিং হলো কোনো সুনামধন্য প্রতিষ্ঠান অথবা যেকোন বিশ্বাসযোগ্য ই-কমার্স ওয়েবসাইটের পণ্য আপনার ই-কমার্স ওয়েবসাইটে প্রচার করে বিক্রয় করাকে ড্রপ শিপিং বলা হয়ে থাকে। ড্রপ শিপিং এর জন্য আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকা বাধ্যতামূলক বটে।

আপনি কোনো একটা ই-কমার্স ওয়েবসাইট ( যেমন- আলিবাবা, আলী এক্সপ্রেস বা অ্যামাজন ) এমন যে কোনো একটি ই-কমার্স সাইটের পণ্য আপনার ওয়েবসাইটে দেখিয়ে বিক্রি করে দিলেন। কাস্টমার কিন্তু আপনার কাছ থেকে পণ্য কিনলো এবং আপনাকে পেমেন্ট করবে। আপনি তার সেই পণ্যের অর্ডারটি অন্য কোনো সাইট এ অর্ডারটি সাবমিট করে দিলেন। ওই সাইড থেকে পণ্য আপনার ই-কমার্স ওয়েবসাইটিতে আপনাকে দেয়া ক্রেতার নাম ও ঠিকানা অনুযায়ী ঐ পণ্যটি পৌঁছে দিলেন। তবে সেক্ষেত্রে অবশ্যই বলে দিতে হবে যে, ওই মাদার ওয়েবসাইট যেন কোনো রকম নিজেস্ব প্যাকেট ব্যবহার না করে। মূলত এটিই ড্রপ শিপিং।

মাঝখান থেকে আপনি কিছু প্রফিট করলেন। তবে লক্ষনীয় বিষয় হলো আপনি যেসকল সাইটের পণ্য নির্বাচন করবেন সেগুলোর দাম এবং পণ্যের মান আপনাকে ভালোভাবে আগে থেকেই যাচাই করে নিতে হবে। ক্রেতারা আপনার ওয়েবসাইট থেকে প্রোডাক্ট কিনবে কারণ সে আপনাকে বিশ্বাস করছে। তাই আপনাকে বিশ্বাস অর্জনের জন্য পণ্যের মূল্যের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। ড্রপ শিপিং অনেকটা দালালি ব্যবসার মতই। আপনি অন্য কোন একটি ওয়েবসাইটের পণ্য কাস্টমারের কাছে বিক্রি করে কিছু প্রফিট তুলে নিলেন, এখানে আপনাকে বিনিয়োগ বলতে শুধু আপনার একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট মাত্র। মূলত পণ্য আপনাকে কিনতে হচ্ছে না ৷ উদাহরণস্বরূপ : একজন জমির দালাল জমি দেখিয়ে বিক্রি করে দিয়ে লাভ করে থাকে, ড্রপশিপিং অনেকটা তেমনি। মোট কথা হলো- অন্যের ই-কমার্স ওয়েবসাইটের পণ্য আপনার নিজের ই-কমার্স ওয়েবসাইটে প্রদশর্ন করবেন। এখানে শুধু পণ্যটির আসল দাম যা তা থেকে মানানসই ভাবে একটু দাম বেশি করে আপনার ওয়েবসাইটে প্রদর্শন করতে হবে। অতিরিক্ত দামটুকুই আপনার লাভ। এজন্য আপনাকে ভালো মতো ওয়েবসাইট ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।

সোজা বাংলা ভাষায় ড্রপ শিপিং কি ?

একদম সহজভাবে বলতে গেলে, আপনার নিজের স্টোরে কোন প্রোডাক্টের তথ্য রাখবেন এরপর ক্রেতা গণ আপনার স্টোরে প্রবেশ করে সেই পণ্যটি ক্রয় করতে অর্ডার করল এবার আপনি একজন সরবরাহকারীর নিকট থেকে উক্ত পন্যটি কিনে তা আপনার ক্রেতার নিকট পাঠিয়ে দিলেন এই প্রক্রিয়াটাই আসলে ড্রপশিপিং। এবার আসি মুনাফার কথায়, ধরুন পন্যটি আপনার স্টোরে আপনি $২০ বিক্রয় করতে চাচ্ছেন কিন্তু পণ্যটির আসল দাম $১৫ এবং ক্রেতা $২০ দামেই পণ্যটি কিনবে আপনার স্টোর থেকে তাহলে আপনার মুনাফা কত হলো? হ্যাঁ $৫, এটাই আপনার মুনাফা । আশা করি, ড্রপ শিপিং ব্যাপারটা আপনার বুঝে এসেছে ৷ 

আজকের ব্লগ এতটুকুই আগামী ব্লগে ড্রপ শিপিং নিয়ে আরো ব্লগ আসবে ইনশাআল্লাহ

————————————————————————

-বিগত ব্লগে আমরা জেনেছি Dropshipping জিনিস টা কি? কিভাবে কাজ করে ইত্যাদি। So, আজকে আমরা  জানব, Dropshipping করে কিভাবে ইনকাম করতে হয়, এবং এটার সুবিধা-অসুবিধা A to Z ।  যারা ঐ ব্লগটি পড়েন নাই তারা——–এই লিংকে গিয়ে পড়ে আসুন।

তো শুরু করা যাক-

সুবিধাসমূহ: –

১. শুরু করা অত্যন্ত সহজ :

ড্রপ শিপিংয়ে আপনাকে পণ্য কিনে স্টক করে রাখার জন্য কোনো টাকা খরচ করতে হয় না। তাই, শুধু হোস্টিং, ডোমেইন এবং ওয়েব ডেভেলপ করতে যে খরচ করতে হয় তা করলেই হয় ৷ অতিরিক্ত আর কোনো ব্যয় নেই ৷ ফলে আপনার ব্যবসায় মুনাফা কমার ঝুঁকি কম

২. স্বল্প মূলধন প্রয়োজন :

ড্রপ শিপিংয়ের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো কয়েক লক্ষ টাকা বিনিয়োগ না করেই একটি ই-কমার্স সাইট চালু করা যায়। স্বাভাবিক ভাবেই খুচরা বিক্রেতাদের বিপুল পরিমাণ মূলধন পণ্য কিনে স্টক করে রাখতে খরচ করতে হয়। ড্রপ শিপিংয়ে আপনার কোন পণ্য বিক্রি না হওয়া পর্যন্ত, নতুন কোনো পন্য কিনতে হয় না ৷ ক্রেতাদের টাকা দিয়েই পণ্যের দাম পরিশোধ করতে পারবেন

৩. ন্যূনতম ঝুঁকি :

একটি ড্রপ শিপিং ই-কমার্স ওয়েবসাইট বিনামূল্যে শুরু করা যেতে পারে। কেবলমাত্র একটি ডোমেন এবং ভালো হোস্টিং নিতে হবে ৷ নতুবা ব্যবসা হারিয়ে যেতে পারে, পরে ব্যবসায়টি আর সম্প্রসারণ করা সম্ভব নয় ৷ আবার আপনি যদি লাভ করতে সক্ষম না হন, তবে আপনি সহজেই কোনো ঝুঁকি ছাড়াই ফিরে আসতে পারবেন।

৪. সরবরাহকারী এবং ড্রপশিপিং সাইটের সুবিধা :

ড্রপশিপারকে পণ্য পরিবহণ এবং প্যাকেজিং সম্পর্কে চিন্তা করতে হয় না ৷ সরবরাহকারী পণ্য বিপণন এবং প্রচার উভয়ই করে থাকে ৷ ড্রপ শিপাররা একবারে একাধিক পাইকারদের সাথে কাজ করতে পারে।

৫. মাথা কম খাটানো লাগে :

যেহেতু আপনাকে মাল কেনা কিংবা গুদাম পরিচালনা করার দরকার নেই, সেহেতু আপনার মাথা খাটানো লাগবে না বেশি । প্রকৃতপক্ষে, অনেক সফল ড্রপশিপিং স্টোর বাড়ি বা বাসা-ভিত্তিক ব্যবসা হিসাবে পরিচালিত হয়, এটি পরিচালনা করতে একটি ল্যাপটপ হলেই চলে এবং অপারেট করার জন্য কয়েকটি জিনিসের জন্য খরচ করতে হয়।

৬. নমনীয় অবস্থান :

একটি ড্রপ শিপিং ব্যবসায় যেকোনো জায়গায় করা যায় ৷ শুধু ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন ৷ আপনি চাইলে সরবরাহকারী ও ক্রেতা উভয়ের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারবেন এবং ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন

৭. একাধিক পণ্য বিক্রি করা :

যেহেতু পূর্বে আপনাকে কোনো পণ্য অগ্রিম কিনতে হয় না, তাই আপনি যেকোনো পণ্যের অফার দিতে পারবেন ড্রপ শিপিংয়ে ৷ আপনার স্টকে যদিও কোনো পণ্য থাকে সেটাও কিন্তু বিক্রি করতে পারবেন ৷ এজন্য আপনাকে আলাদা করে কোনো খরচ করতে হবে না ৷

৮. যাচাই করা সহজ :

ড্রপশিপিংয়ের মূল সুবিধা হলো, বিপুল পরিমাণে পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে পণ্যগুলি তালিকাভুক্ত করণ এবং সম্ভাব্য ভাবে বিক্রয় করার ক্ষমতা ৷

-তো আমরা Dropshipping-র অনেক সুবিধা নিয়ে জানলাম । এখন Dropshipping-র কিছু অসুবিধা জেনে আসি-

১. তুমুল প্রতিযোগীতা

প্রায় সকল ই-কমার্স ব্যবসাতে রয়েছে ব্যাপক প্রতিযোগীতা ৷ এই কারণে অনলাইন স্টোরের মালিকগণ মানসম্মত সেবা প্রদান করে ব্যবসা দাঁড় করাতে পারে এবং পণ্য কিনতে ক্রেতারা বেশি পছন্দ করে থাকে ৷ অতিরিক্ত প্রতিযোগিতা একজন ড্রপ শিপারের সমস্যা হতে পারে যদি ঐ ব্যক্তি তাদের পণ্য বিপণন সম্পর্কে সতর্ক না হয় ।

২. মুনাফা কম

হ্যাঁ! অধিকাংশ ড্রপ শিপারদের প্রবণতা হলো হাল ছেড়ে দেওয়া কারণ মুনাফা খুব কম ৷ যাই হোক, আপনি যদি এটি আন্তরিকতার সঙ্গে করেন, ড্রপ শিপিং কোনো ক্ষণস্থায়ী ব্যবসায় নয় ৷ এটি সব সময় লেগে থাকা এবং ধীরে ধীরে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠার মতো। আপনি কীভাবে নিম্ন মুনাফার মার্জিনকে বিশাল আকারে পরিণত করবেন তা চিন্তা করুন ৷  আপনি যদি প্রতিদিন ১০ টি পণ্য বিক্রি করে থাকেন তবে  এটি ৫০ স্কেল এ  করুন এবং এতে আপনার লাভের পরিমাণ বেশি হবে।


৩. পণ্যের সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতা

ড্রপশিপিং হলো এমন একটি ব্যবসা যেখানে আপনি এমন কোনো পণ্য বিক্রি করবেন যা আপনি আসলে দেখেন নি। অতএব, পণ্যের ব্যর্থতার সম্ভাবনা বেশি। যখন এটি ঘটে তখন গ্রাহকের কাছে আসল পরিমাণ ফেরত দেওয়া এবং সরবরাহকারীর কাছে পণ্যটি ফিরিয়ে দেওয়ার পুরো দায় আপনার উপর বর্তায়।
তবে এর অর্থ এই নয় যে আপনি আতঙ্কিত হওয়া শুরু করবেন। পরিবর্তে, একটি ৩০ দিনের রিফান্ড নীতিমালা তৈরি করুন যাতে গ্রাহক পণ্যটি (যদি) ক্রয় করে সন্তুষ্ট না হন তবে তা ফিরিয়ে দিতে পারে।

৪. অর্ডার পরিচালনা করা ক্লান্তিকর হতে পারে

বেশিরভাগ ড্রপশিপার তাদের চুল টানবে এমন এক সময় যখন তাদের কোনো পণ্য ভাইরাল হয়। তাদের তখন হাজার হাজার অর্ডার পূরণ করতে হয় এবং অর্ডার পরিচালনা করা একটু কঠিন কাজ হতে পারে। তবে অনেক ড্রপশিপিং প্লাগইন রয়েছে যা আপনাকে সাহায্য করবে।

৫. শিপিং জটিলতা

আপনি যদি একাধিক সরবরাহকারী সাথে কাজ করেন এবং আপনার অনলাইন স্টোরের পণ্যগুলো বিভিন্ন ই-কমার্স এর মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয় তবে এটি আপনার শিপিংয়ের খরচ কে জটিল করে তুলবে।
ধরা যাক যে, কোনো গ্রাহক তিনটি আইটেমের জন্য একটি অর্ডার রাখে, সেগুলি কেবল পৃথক পৃথক সরবরাহকারীদের থেকে পাওয়া যায় ৷ প্রতিটি আইটেম গ্রাহককে প্রেরণের জন্য আপনাকে তিনটি পৃথক শিপিং চার্জ নিতে হবে, তবে গ্রাহককে এই চার্জটি প্রদান করানো বুদ্ধিমানের কাজ নয়। এমনকি যখন এই চার্জগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় তখন এই হিসাবগুলো বজায় রাখা কঠিন হতে পারে।

-এখন আমরা জানব Dropshipping করে কি আসলে-ই ইনকাম করা যায় ?

আপনার ব্যবসা নিবন্ধন করুন :

বর্তমান বাংলাদেশ আইনের অধীনে আপনাকে যে কোনও ব্যবসায় নিবন্ধন করতে হবে। আপনার ব্যবসায়ের নিবন্ধকরণের আরও অনেক উপায় রয়েছে। আমি কীভাবে বাংলাদেশে কোনও ব্যবসা বা সংস্থা নিবন্ধন করতে পারি সে সম্পর্কে আমার ওয়েবসাইটে আপনার জন্য  কিছু নিবন্ধ লিখেছি। আপনি কর্পোরেট বিষয়ক বিভাগের পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে একটি ব্যবসা নিবন্ধন করতে পারেন। আপনার সরাসরি শিপিং ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে নিবন্ধকরণ বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত, তবে বাংলাদেশ এখনও নিবন্ধকরণ কার্যকর করেনি।

২. একটি চলতি অ্যাকাউন্ট খুলুন :

আপনি এখানে অর্থ উপার্জন করতে এসেছেন। সুতরাং, পরবর্তী পদক্ষেপটি হলো বাংলাদেশের যে কোনো ব্যাংকের সাথে একটি চলতি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। কারণ তাদের বিশ্বব্যাপী শাখা এবং ব্যাংকগুলির বিশাল নেটওয়ার্ক রয়েছে। সরবরাহকারীদের কাছে রেমিট্যান্স সরবরাহ করতে পারবেন। এছাড়াও, বিদেশী লেনদেনে একটি খরচ আছে সে দিকে খেয়াল রাখুন। কিছু ব্যাংক রেমিট্যান্সের জন্য বাড়তি ফি চার্জ করে, প্রতি লেনদেনের জন্য ৮০ থেকে শুরু করে এক হাজার টাকা পর্যন্ত।
মনে রাখবেন, এই ব্যয়গুলি আপনার লাভ থেকে বের করে আনতে হবে।

৩. একটি পেপাল অ্যাকাউন্ট খুলুন :

আপনি যদি বাংলাদেশে ড্রপ শিপিংয়ের ব্যবসা শুরু করতে চান তবে আপনাকে একটি পেপাল অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে।
প্রায়ই, বিদেশী সরবরাহকারীরা আপনার আদেশ কৃত পণ্যগুলির জন্য অর্থ দ্রুত গ্রহণ করতে চায়।
এবং কিছু কিছু বিদেশী সরবরাহকারী কেবল পেপালের মাধ্যমে অর্থ প্রদানের জন্য অনুরোধ করবে। পেপাল একটি দ্রুত গ্লোবাল পেমেন্ট গেটওয়ে। সুতরাং, এটি বিশ্বব্যাপী ড্রপশিপিং ব্যবসায়ে খুব জনপ্রিয়। পেপাল অ্যাকাউন্ট খুলতে আপনার জিএসটিআইএন নম্বর এবং অন্যদের মধ্যে কারেন্ট অ্যাকাউন্টের বিশদ প্রয়োজন। পেপাল আপনার আবেদন গ্রহণ করার আগে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং অন্যান্য তথ্য যাচাই করবে। অবশ্যই, পেপাল আপনার একাউন্ট থেকে টাকা কেটে নিতে আপনার অনুমতি চাইবে এবং আপনার ব্যাংক অন্য কাউকে অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করার অনুমতি দেয় না।

So, আমরা আজকের ব্লগে অনেক কিছু যেনে ফেললাম- এই ভাবে আরও Informative ব্লগ, টিপস এন্ড ট্রিক্স পেতে চাইলে চোখ রাখুন আমাদের ওয়েবসাইটে। যদি আজকের ব্লগ টি ভালো লাগে তাহলে আপনার বন্ধু-বান্ধবদের কাছে শেয়ার করতে ভূলবেন না।

This Blog Edited By Sourov Dey

-ধন্যবাদ সবাইকে

-Introduction To Python-

-Introduction To Python-

Intro:  What is Programming Language?

কম্পিউটার ব্যবহার করে কোনো সমস্যা সমাধানের নিমিত্তে যে-সব ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করে প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার গুলো রচনা করা হয়- সে-সব ল্যাংগুয়েজ কে প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ বলে। যেমনঃ পাইথন ।

আজকে আমরা জানব পাইথন কি? কিভাবে এটির উৎপত্তি এবং কিভাবে এটি কাজ করে?

সাধারণত প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ দুই ধরনেরঃ

        1. Low Level Language 2. High Level Language

𝗛𝗶𝘀𝘁𝗼𝗿𝘆 𝗢𝗳 𝗣𝘆𝘁𝗵𝗼𝗻-

-Python) একটি বস্তুসংশ্লিষ্ট (Object-Oriented) উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা।

~গুইডো ভ্যান রাসম কর্তৃক সৃষ্ট পাইথন তুলনামূলক একটি পুরাতন ভাষা। ১৯৮০ দশক এর পরে তিনি সর্বপ্রথম পাইথন ডিজাইন শুরু করেছিলেন এবং ১৯৯১ সালের ফেব্রুয়ারিতে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।~

~পাইথনে সবকিছুই অবজেক্ট। অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ব্যবহার করে নিজস্ব জ্ঞান দ্বারাই জটিল জটিল সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।~

পাইথন নাম কেন হলো?

~ভয়ংকর কোন সাপের নামানুসারে পাইথন এর নামকরণ হয়নি। সত্তরের দশকের পরে রাসম একটি কমেডি সিরিজের ভক্ত ছিলেন। “মন্টি পাইথন’ এর উড়ন্ত সার্কাস এর সাথে সমঞ্জস্য রেখেই এটার নাম রাখা হয়েছে পাইথন~

-এই পর্যন্ত পাইথনের বহু ভার্সন বের হয়েছে প্রথম ভার্সন টি হলো Python 1.0 যেটি প্রকাশিত হয় ১৯৯৪ সালে জানুয়ারি মাসে। এবং পাইথনের সর্বশেষ প্রকাশিত ভার্সন হলো Python 3.6 যেটি ২০১৬ সালে ডিসেম্বর মাসে প্রকাশিত হয়।-

এটি একটি সাধারণ ভাষা যা শেখা খুবই সহজ।

~পাইথন-এর গঠন(syntax) শৈলী খুবই সহজ ও পরিচ্ছন্ন। অন্যান্য প্রোগ্রামিং ভাষা যেমন- C++, Java এবং C# ইত্যাদির তুলনায় পাইথন প্রোগ্রাম পড়া এবং লেখা উভয়ই সহজ। পাইথন প্রোগ্রামিংকে অনেক মজাদার করে তুলেছে। কেননা এটা আপনাকে কোডের গঠনের দিকে নজর না দিয়ে সমস্যা সমাধানে নজর দিতে সহায়তা করবে।~

~প্রোগ্রামিং জগতে আপনি যদি নতুন হন তাহলে পাইথন দিয়ে আপনার যাত্রা শুরু করাই ভালো।~

-পাইথন দিয়ে কি করা যায়?

বর্তমানে পাইথনের ব্যবহার ব্যাপক। বড় বড় কোম্পানি যেমন গুগল, অ্যাপল, নাসা , মাইক্রোসফট এখন পাইথন ব্যবহার করতেছে।

নিম্নে পাইথন দিয়ে কি কি করা যায় তা উল্লেখ করা হলো।

  1. মেশিন লার্নিং।
  2. ওয়েব ভিত্তিক সফটওয়্যার তৈরিতে ।
  3. অটোমেশন ।
  4. তথ্য বিশ্লেষণ ।
  5. ডাটাবেজ অ্যাপ্লিকেশন ।
  6. সাইবার সিকিউরিটি ।
  7. ইন্টারনেট স্ক্রিপ্টিং ।
  8. ওয়েব ক্রলার তৈরি ।

  ইত্যাদি।

তাই যারা নতুন নতুন প্রোগ্রামিং শিখতে আসে তাদের জন্য পাইথন বেস্ট চয়েজ

এখন প্রশ্ন কিভাবে আমি পাইথন শিখব.?

~প্রোগ্রামিং শিখার জন্য বর্তমানে প্রচুর Resources আছে। তার মধ্যে পাইথন শিখার জন্য এখন অনলাইনে হাজার হাজার Resources আছে। ~

This Blog Edited By Sourov Dey

-ধন্যবাদ সবাইকে

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গুগলে চাকরি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গুগলে চাকরি

বিশ্বের সর্ববৃহৎ সার্চ ইঞ্জিন ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুগলে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে ডাক পেয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থী আবু সায়েম সেফাতুল্লাহ

তথ্য নিশ্চিত করেছেন আবু সায়েম সেফাতুল্লাহ

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীর গুগল থেকে ডাক পাওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম।


তিনি জানান, সকল প্রসেসিং শেষ করে ৮ই এপ্রিল সন্ধ্যায় (বাংলাদেশ সময়) আমার এ খুশির সংবাদটি আমি পাই। তার সাফল্য নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, আসলে চেষ্টা সকল সফলতার চাবিকাঠি। তবে পিতা-মাতা এ ব্যাপারে আমাকে ব্যাপক সাপোর্ট দিয়েছেন। তারা আমার ইচ্ছার উপর বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন। আমি সকল শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞ। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে কিছু বলার জন্য প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, আসলে কোন বিশ্ববিদ্যালয় কত তম র‍্যাংকিং এ আছে এটা বড় ব্যাপার না। ব্যাপার হচ্ছে আপনি কতটুকু চেষ্টা করছেন বা আপনার ইচ্ছার উপর কতটুকু জোর দিচ্ছেন।

আবু সায়েম সেফাতুল্লাহ আরো বলেন, সিএসইতে যারা পড়েন তাদের সবারই ইচ্ছা থাকে গুগলের মতো কোনো জায়গায় চাকরি করার। আমারও এ ইচ্ছাটা ছিল। সপ্তম সেমিস্টারে থাকার সময় সিঙ্গাপুর থেকে একটা অফার পেয়েছিলাম। ওই সময় থেকে ইচ্ছা ছিল-গুগলে হয় কিনা। গুগলের ইন্টারভিউ প্রসেসটা অনেক লম্বা ও কঠিন। গত নভেম্বরে আমার ইন্টারভিউ শুরু হয়। এ চার-পাঁচ মাসে অনেক রাউন্ড, প্রসেস পার করে ফাইনালি গতকাল অফারটা পেয়েছি। প্রত্যেকটি রাউন্ড শেষেই অনেক টেনশন ছিল। অফার পাওয়ার অনুভূতি বলে বোঝানো যাবে না।

Google LLC

আবু সায়েমের বাবা ফারুক হোসেন তালুকদার জানান, ছেলের স্বপ্ন পূরণের মধ্য দিয়ে তারও স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।

এদিকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আবু সায়েমকে অভিনন্দন জানান। সেখানে তিনি লিখেন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথমবারের মতো বিশ্বের সর্ববৃহৎ টেক জায়ান্ট গুগলে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে জবের অফার পেয়েছেন আবু সায়েম সেফাতুল্লাহ। এটা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বড় অর্জন। তিনি আরও লিখেন, আবু সায়েম টিম রবোট্রাসে হয়ে এর আগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে ICPC এবং NCPC-তে প্রতিনিধিত্ব করেছে। ২০১৭-২০২০ সালে এই টিমের অফিসিয়াল কোচ হিসেবে আমি গর্বিত। তার জন্য অভিনন্দন ও শুভকামনা। আশা করি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও তার পথ অনুসরণ করবে।

উল্লেখ্য, আবু সায়েম সেফাতুল্লাহর বাড়ি ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার সূর্যপাশা গ্রামে৷ বরিশাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের পড়াশোনা শেষ করেন৷

আবু সায়েম সেফাতুল্লাহ কে গুগলে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে চাকরি অফার পাওয়ার জন্য Codex Devware এর পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আশা করি আবু সায়েম সেফাতুল্লাহ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশের আরো অসংখ্য ছেলেমেয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের নতুন পরিচয় তৈরি করবে।

প্রতিবেদনটি ভালো লাগলে পরিচিত জনদের সাথে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করতে ভুলবেন না।

This report was written by Iftakhar Ahmed

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কী?

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কী?


আমরা বিগত ব্লগে ওয়েব ডিজাইন কি , কিভাবে করে তা সম্পর্কে জানছি , আজকে আমরা জানব ওয়েব ডেভলপমেন্ট কি , কিভাবে এটি কাজ করে তা নিয়ে So সবাই চেয়ার টেবিলে বসে পড়ুন পড়ার জন্য।
ওয়েব ডেভলপমেন্ট হ’ল ইন্টারনেটে ওয়েবসাইট বা অ্যাপ্লিকেশন তৈরির প্রক্রিয়া, বা কোনও ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক যেমন ইন্টারনেট হিসাবে পরিচিত। ওয়েব বিকাশ কোনও ওয়েবসাইটের ডিজাইনের সাথে সম্পর্কিত নয়; বরং এটি কোডিং এবং প্রোগ্রামিং সম্পর্কে যা ওয়েবসাইটের কার্যকারিতাকে শক্তি দেয়।

সর্বাধিক সরল, স্থির ওয়েব পৃষ্ঠাগুলি থেকে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং অ্যাপ্লিকেশনগুলি, ইকমার্স ওয়েবসাইটগুলি থেকে সামগ্রী সামগ্রী ব্যবস্থা (সিএমএস) পর্যন্ত; আমরা প্রতিদিন ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবহার করি এমন সমস্ত সরঞ্জাম ওয়েব বিকাশকারীদের দ্বারা নির্মিত হয়।

ওয়েব ডেভলপমেন্টকে তিনটি স্তরে বিভক্ত করা যেতে পারে যেমন :

  1. Client-Side .
  2. Server-Side.
  3. Database Technology.
Computer technology isometric icon, server room, digital device set, element for design, pc laptop, mobile phone with smartwatch, cloud storage, flat vector illustration

আসুন আরও বিস্তারিতভাবে এই স্তরগুলির প্রত্যেকটি একবার দেখে আসিঃ

  1. Client-Side
    ক্লায়েন্ট-সাইড স্ক্রিপ্টিং, বা ফ্রন্টএন্ড ডেভলপমেন্ট, শেষ ব্যবহারকারী প্রত্যক্ষভাবে অভিজ্ঞতার সাথে বোঝায়। ক্লায়েন্ট-সাইড কোডটি একটি ওয়েব ব্রাউজারে কার্যকর করা হয় এবং লোকেরা কোনও ওয়েবসাইট দেখার সময় তারা কী দেখে তা সরাসরি সম্পর্কিত। লেআউট, ফন্ট, রঙ, মেনু এবং পরিচিতি ফর্মগুলির মতো বিষয়গুলি সমস্তই সম্মুখভাগ দ্বারা চালিত।
  2. Server Side
    সার্ভার-সাইড স্ক্রিপ্টিং, বা ব্যাকএন্ড ডেভলপমেন্ট, পর্দার আড়ালে কী ঘটে যায় সে সম্পর্কে। ব্যাকএন্ড মূলত কোনও ওয়েবসাইটের সেই অংশ যা ব্যবহারকারী আসলে দেখেন না। এটি ডেটা সংরক্ষণ এবং সংগঠিত করার জন্য, এবং ক্লায়েন্ট-পক্ষের সমস্ত কিছু সুচারুভাবে চলমান তা নিশ্চিত করার জন্য দায়বদ্ধ। এটি সম্মুখভাগের সাথে যোগাযোগ করে এটি করে। যখনই ক্লায়েন্টের পাশে কিছু ঘটে – বলুন, কোনও ব্যবহারকারী একটি ফর্ম পূরণ করে – ব্রাউজারটি সার্ভার-সাইডে একটি অনুরোধ প্রেরণ করে। সার্ভার-সাইডটি ফ্রন্টএন্ড কোড আকারে প্রাসঙ্গিক তথ্যের সাথে “প্রতিক্রিয়া জানায়” যা ব্রাউজারটি তখন ব্যাখ্যা এবং প্রদর্শন করতে পারে।
  3. Database Technology
    ওয়েবসাইটগুলি ডাটাবেস প্রযুক্তির উপরও নির্ভর করে। ডাটাবেসে সমস্ত ফাইল এবং সামগ্রী রয়েছে যা কোনও ওয়েবসাইটের কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয়, এটিকে এমনভাবে সংরক্ষণ করা হয় যাতে এটি পুনরুদ্ধার, সংগঠিত, সম্পাদনা এবং সংরক্ষণ করা সহজ করে। ডাটাবেসটি একটি সার্ভারে চলে এবং বেশিরভাগ ওয়েবসাইটগুলি সাধারণত কিছু প্রকারের রিলেশনাল ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আরডিবিএমএস) ব্যবহার করে।
Network database concept with hosting data devices connected realistic 3d vector illustration

সংক্ষিপ্তসার হিসাবে: পুরোপুরি কার্যকরী ওয়েবসাইট বা অ্যাপ্লিকেশন তৈরি এবং পরিচালনা করতে ফ্রন্টএন্ড, ব্যাকএন্ড এবং ডাটাবেস প্রযুক্তি সব মিলিয়ে কাজ করে এবং এই তিনটি স্তর ওয়েব ডেভলপমেন্টের ভিত্তি তৈরি করে।

একজন ওয়েব ডেভেলপার কী করে?

ওয়েব ডেভেলপারের ভূমিকা ওয়েবসাইটগুলি তৈরি করা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা। ওয়েব ডেভেলপার রা ঘরে বসে বা ফ্রিল্যান্সে কাজ করতে পারে এবং জড়িত সুনির্দিষ্ট কাজ এবং দায়িত্বগুলি তারা ফ্রন্টএন্ড, ব্যাকএন্ড বা ফূলস্ট্যাক ডেভেলপার হিসাবে কাজ করছে কিনা তার উপর নির্ভর করে পৃথক কাজের উপর। ফূলস্ট্যাক ডেভেলপার গণ ফ্রন্টএন্ড এবং ব্যাকএন্ড উভয় ক্ষেত্রেই বিশেষজ্ঞ;ফূলস্ট্যাক ডেভেলপার কী করে সে সম্পর্কে পরে আমরা আরও বিশদে যাব।
ওয়েব ডেভেলপার গণ এমন পণ্য তৈরির জন্য দায়বদ্ধ যা ক্লায়েন্টের চাহিদা এবং গ্রাহক বা শেষ ব্যবহারকারী উভয়েরই পূরণ করে। ওয়েব ডেভেলপার রা দৃষ্টিভঙ্গিটি বোঝার জন্য স্টেকহোল্ডার, ক্লায়েন্ট এবং ডিজাইনারদের সাথে সহযোগিতা করছেন: চূড়ান্ত ওয়েবসাইটটি কীভাবে দেখা এবং ফাংশন করা উচিত?

ওয়েব ডেভলপমেন্টের একটি বড় অংশ ক্রমাগত কোনও ওয়েবসাইট বা সিস্টেমে অনুকূলিতকরণ এবং উন্নত করার জন্য বাগগুলি সনাক্তকরণ এবং ফিক্সিংয়ের চারদিকে ঘোরে। ওয়েব ডেভেলপার রা তাই সমস্যাগুলি সমাধানকারী, নিয়মিত সমাধান এবং কার্যকারণগুলি নিয়ে আসে যাতে জিনিসগুলি সহজেই চলতে থাকে।

ব্যাকএন্ড ডেভেলপার কী কাজ করে?
ব্যাকএন্ড মূলত মুখের পিছনে মস্তিষ্ক (সম্মুখভাগ)। একটি ব্যাকএন্ড ডেভেলপার তাই তিনটি অংশ সমন্বয়ে সীমান্তকে শক্তি সরবরাহ করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিটি তৈরি এবং বজায় রাখার জন্য দায়বদ্ধ: একটি সার্ভার, একটি অ্যাপ্লিকেশন এবং একটি ডাটাবেস।

ব্যাকএন্ড ডেভেলপার গণ যে কোডটি তৈরি করেন তা নিশ্চিত করে যে সম্মুখভাগ বিল্ডিং সমস্ত কিছু পুরোপুরি কার্যকরী, এবং সার্ভার, অ্যাপ্লিকেশন এবং ডাটাবেস সমস্ত একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে তা নিশ্চিত করা ব্যাকেন্ড ডেভলপারদের কাজ। তাহলে তারা কীভাবে এটি করবে? প্রথমে তারা অ্যাপ্লিকেশনটি তৈরি করতে সার্ভার-সাইড ভাষা যেমন পিএইচপি, রুবি, পাইথন এবং জাভা ব্যবহার করে। তারপরে তারা মাইএসকিউএল, ওরাকল এবং এসকিউএল সার্ভারের মতো সরঞ্জামগুলি ডেটা সন্ধান, সংরক্ষণ বা সম্পাদনা এবং ফ্রন্টএন্ড কোডে ব্যবহারকারীর কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যবহার করে।
ফ্রন্টএন্ড ডেভেলপার দের মতো, ব্যাকএন্ড ডেভেলপার রা তাদের প্রয়োজন এবং প্রয়োজনীয়তা বুঝতে ক্লায়েন্ট বা ব্যবসায়ের মালিকের সাথে যোগাযোগ করবে। তারা প্রকল্পের সুনির্দিষ্টতার উপর নির্ভর করে এগুলি বিভিন্ন উপায়ে সরবরাহ করবে। সাধারণ ব্যাকএন্ড ডেভেলপমেন্ট কার্যগুলির মধ্যে ডেটাবেস তৈরি, সংহতকরণ এবং পরিচালনা, ব্যাকএন্ড ফ্রেমওয়ার্কগুলি ব্যবহার করে সার্ভার-সাইড সফ্টওয়্যার তৈরি করা, বিষয়বস্তু পরিচালন সিস্টেমগুলি (যেমন একটি ব্লগের জন্য) বিকাশ করা এবং মোতায়েন করা, পাশাপাশি ওয়েব সার্ভার প্রযুক্তিগুলির সাথে কাজ করা, এপিআই ইন্টিগ্রেশন এবং অপারেটিং সিস্টেম।

.ফূলস্ট্যাক ডেভেলপার কী কাজ করে?
একটি ফূলস্ট্যাক ডেভেলপার এমন কেউ যিনি বোঝেন এবং প্রযুক্তির “ফূলস্ট্যাক” জুড়ে কাজ করতে পারেন: অর্থাত্ সম্মুখভাগ এবং ব্যাকএন্ড উভয়ই। ফূলস্ট্যাক ডেভেলপার রা ওয়েব ডেভলপমেন্ট প্রক্রিয়াটির প্রতিটি পর্যায়ে বিশেষজ্ঞ, যার অর্থ তারা হাত পেতে সুসজ্জিত, তবে কৌশল এবং সর্বোত্তম অনুশীলনের দিকনির্দেশনাও দিতে পারে।

বেশিরভাগ ফূলস্ট্যাক ডেভেলপার রা বিভিন্ন ওয়েবের বিভিন্ন ভূমিকাতে বহু বছরের অভিজ্ঞতা একত্রিত করেছেন, পুরো ওয়েব ডেভেলপমেন্ট স্পেকট্রাম জুড়ে একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করে।ফূলস্ট্যাক ডেভেলপার গণ ফ্রন্টএন্ড এবং ব্যাকএন্ড ভাষা এবং ফ্রেমওয়ার্ক উভয় ক্ষেত্রেই সার্ভার, নেটওয়ার্ক এবং হোস্টিং পরিবেশে দক্ষ। তারা ব্যবসায়িক যুক্তি এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উভয় ক্ষেত্রেই পারদর্শী।

ওয়েব ডেভলপমেন্ট এর ক্যারিয়ার চ্যালেঞ্জিং, আর্থিকভাবে পুরস্কৃত এবং চাকরির সুরক্ষার দিক থেকে অনেক কিছু দেওয়ার রয়েছে। ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে ক্যারিয়ারের প্রথম ধাপটি হ’ল প্রয়োজনীয় ভাষা, লাইব্রেরী এবং ফ্রেমওয়ার্কগুলি শেখা। আপনাকে উপরে বর্ণিত কয়েকটি সরঞ্জামের পাশাপাশি কিছু সাধারণ পরিভাষার সাথে নিজেকেও পরিচিত করতে হবে। আপনি যে ভাষা শিখেন সেগুলির ক্ষেত্রে, এটি সমস্ত আপনি ফ্রন্টএন্ড বা ব্যাকএন্ড ডেভলপমেন্ট এর দিকে ফোকাস করতে চান কিনা তার উপর নির্ভর করে। তবে সমস্ত ওয়েব ডেভেলপার দের এইচটিএমএল, সিএসএস এবং জাভাস্ক্রিপ্টে দক্ষ হতে হবে।
So, এখন আমরা ফুল স্ট্যাক ওয়েব ডেভেলপমেন্ট নিয়ে অনেক কিছু দেখলাম , এখন আরেকটু Overview দিয়ে দি , কিভাবে আরো ভালো কিছু শিখা যায়।


আমরা এখন ডেভেলপমেন্ট নিয়ে আরও এ শিখতে গেলে যা যা লাগবে তা হলোঃ

  1. php (Raw & Object Oriented) or Asp.net
  2. Mysqli Database
  3. Javascript
  4. Ajax
  5. WordPress Theme Development (better)
    এগুলো ছাড়া বর্তমানে নতুন Technology হিসেবে ব্যাক এন্ড র জন্য বর্তমান মার্কেট এ আসছে Javascript এর Framework Node Js, Expreess Js, এবং ডাটাবেস এর জন্য Mongo DB .
    So, পরিশেষে বলব আপনার যদি উপরের Skill গুলো থাকে তাহলে আপনি একজন ব্যাকএন্ড ডেভেলপর ।
    উপরের Skill গুলো জানা থাকলে আপনি কারো ডিজাইন করা ওয়েব সাইট ডেভেলপ করতে পারবেন । তাই জেনে রাখা ভালো ওয়েব ডিজাইনারের থেকে ওয়েব ডেভেলপারের কাজের পারিশ্রমিক একটু বেশি হয়ে থাকে।
    ধন্যবাদ সবাইকে।
What is Laptop?

What is Laptop?

Now, by laptop we mean to take a small device out of the bag and do a design illustration or make a slide for a class presentation, or sit on a long distance bus and enjoy thousands of Netflix TV series.

Different types of laptops

For a time, the laptop world relied on notebooks, but in the evolution of time, various laptops have come in the market. Different types of laptops include:

  • Notebook: This is basically the earliest version of the laptop. Alternative match load of notebooks for use in office work. Notebook is another name for laptop. Initially known as laptop names, but at times the size of a laptop became smaller like the pages of a notebook. Laptops have been called notebooks ever since. In countries like Russia, the word notebook is still used to address laptops.
  • Ultrabook: Ultrabook is the name of a revolution in laptops. Lightweight and incredibly slim, this laptop can compete head-to-head with any other ordinary computer. These laptops can be carried with ease as the Ultrabook weighs less. Popular companies like HP, Lenovo, Dell, Asus have reached the peak of popularity for their Ultrabooks. However, because laptops like the Ultrabook are relatively small in size, it also costs the manufacturers more to assemble its complete structure and components, which makes the Ultrabook a bit more expensive. The price of good quality ultrabooks can start from BDT 60,000 to BDT 150000.
  • All-in-One Laptop: The all-in-one laptop came soon after the invention of the tablet. The main feature of these laptops is the full touch screen. Added to this is the convenience of separating the screen from the main device and using it as a tablet. This feature is called “Convertible with Touch Screen”. Many of the young generation are choosing these all-in-one laptops to look stylish and up-to-date. Lenovo’s Yoga, Microsoft’s Surface, HP’s Specter are just a few examples of all-in-one laptops.

Laptop Market:

When it comes to the computer market, the first thing that comes to mind is the names of BCS Computer City and the Multiplan Center at Elephant Road in Agargaon, Dhaka. These two markets are the first choice of computer lovers in Bangladesh. There are numerous stores here for buying and selling laptops, desktops and their accessories. Besides, your desired laptop will also be available in reputed stores like Ryans IT, Computer Source, Startech, Computer Village. Laptop fairs can be an occasion to buy a laptop. New laptops at attractive prices are seen at the Laptop Fair which is organized every year. On the occasion of the fair, there is a huge discount on the price of these laptops, all the tempting gifts are ever available.

Laptop Operation Rules:

Listening to the headline, one might think that now A and B will be taught to operate laptops. But not at all. Laptops can be run by more or less everyone, but if you don’t know the rules of running a laptop properly, the performance of your laptop can decrease very quickly. Proper use of laptop will also come in the context of laptop care.

Laptop Using space:

Many of us like to work with laptops on the bed. Surprisingly, operating the laptop on a flat surface like a bed-cushion reduces the performance of the laptop. As you can see, almost every laptop has one or two fans at the bottom, which helps in ventilation or ventilation inside the laptop. Bedding or cushions completely block this ventilation process, as these items made of cotton trap air. So it is safer to run the laptop on the lap, in a place like a table.

Keyboard & Touchpad:

My uncle was a strange kind of man. When he is typing on the computer keyboard, it is very normal. As soon as he finished writing, when it was time to press the enter button, he pressed the enter button very hard. There are many people who are very fond of the Enter and Spacebar buttons on the desktop computer. Such love for Enter and Spacebar can sometimes be a nightmare for laptops. Laptop keyboards are extremely thin, but extremely powerful. Due to the strong keyboard, the laptop keyboard responds with little pressure. Needless to say, the touchpad is a very sensitive part because there are thousands of motion sensors under the touchbar. It is best to operate the touchbar with only 2-3 fingers.

Battery and charging:

Now let’s come to the battery. The battery life of a good quality laptop is about 14-18 hours and long term use is not a problem. However, when the problem arose, the issue of battery charge came up immediately. There are several myths about battery charging. One of them is that if you keep the laptop charged all night, the battery of the laptop becomes overcharged. In fact, the most advanced laptops on the market today have a technology that works to automatically turn off the charge of the laptop as soon as the battery is full. This means that the laptop will not be charged as soon as the battery of your laptop is full. This does not damage the battery at all. However, overnight charging can be avoided due to the risk of electrical disturbances.

Laptop on-off:

One study found that 26 percent of laptop users do not turn on or off their laptops properly, which is why the lifespan of a laptop quickly drops to zero. It can be seen that when the work is done, I fold the laptop neatly and maybe put it next to the bed. It’s good to know that not every laptop shuts down just by folding, but goes into sleep mode. Slipmode should only be used for battery saving without turning off the laptop completely. When the work is done, the laptop should be turned off with the help of shut down from the operating system without pressing the power button.

Laptop usage restrictions:

  1. Always take care to keep the laptop away from food and water. Just as dry food can paralyze a laptop’s keyboard, so water can freeze a laptop. In the event of a water leak inside the laptop, the laptop must first be disconnected from the electrical connection and left upright in a high place for at least 24 hours
  2. . It is best to clean your hands before using the laptop. Oily or wet hands are great at destroying touchpads. Those who have trouble sweating should wipe their hands with a tissue or handkerchief after a while..
  3. If you lose a match in FIFA or hang Windows severely, it often seems like you throw away the laptop in front of you. Remember, the fault cannot be with any instrument. So the laptop can not be hit in any way. A minor injury can damage a laptop screen, or even the entire computer.
  4. Laptop carriers must be used for laptops. Just as there is a risk of external pressure on the laptop when moving around with the laptop in the bag, so too there may be various scratches on the outside of the laptop. So in this case we have to be careful.
  5. No heavy objects can be placed on the laptop at all. Heavy objects sometimes cause severe damage to the laptop screen, which can lead to problems such as black screen, laptop not turning on, and cracking of the laptop screen.
  6. Each laptop has a genuine licensed operating system, which must be installed separately on the desktop computer. Due to the existence of genuine operating system, it is a must to constantly update the operating system of the laptop, whether it is Mac OS or Windows. Also the need for antivirus to be ready to fight with enemy like virus is incomparable!
  7. As can be seen many times, laptops become extremely slow. One of the reasons for this may be the accumulation of some unwanted files in the operating system. To delete these files, go to the Windows Start menu and open Run. Then type “recent”. Clicking OK will remove many files and delete all the files one by one. In this way, instead of recent, you have to do the same by typing temp,% temp%, prefetch.
  8. Most laptops have a processor, RAM or graphics card – none of which is changeable. So these parts should never be “overclocked”.

What to do if laptop is not on

Disconnect the electrical connection and remove the laptop battery from the back and leave it for some time.

Many laptops reset the laptop by holding down the power button for 3-4 seconds. However, if the necessary information is not stored elsewhere, the laptop should not be reset.

Even if the laptop is free of charge, it often does not boot the laptop.

Laptops should be used only when the internal temperature of the laptop is close to 60-70 degrees Celsius. Otherwise it can be a bad experience like burning circuit in laptop.