প্রোগ্রামিং করে লাখ লাখ টাকা ইনকাম

প্রোগ্রামিং করে লাখ লাখ টাকা ইনকাম

-আচ্ছা অনেক তো জানলাম প্রোগ্রামিং কি, কিভাবে কাজ করে, কেন প্রোগ্রামিং শিখব? ইত্যাদি ইত্যাদি। যদি আপনারা প্রোগ্রামিং নিয়ে নতুন বা কিছু জানেন না তাহলে আমাদের ওয়েবসাইট ব্লগ পোস্ট করা আছে চাইলে দেখে আসতে পারবেন। প্রোগ্রামিং নিয়ে সকল খুঁটিনাটি A to Z বভ বিস্তারিত আমাদের ওয়েবসাইটে পাবলিশ করা আছে। চাইলে হালকা পড়ে আসতে পারেন। আচ্ছা ওকে, আজকের ব্লগে আমরা জানব কিভাবে প্রোগ্রামিং করে ইনকাম করতে হয় ইত্যাদি।

-তো শুরু করা যাক-

  • Contest & Challenge:

আপনি যে প্রোগ্রামিং ভাষায় পারদর্শী বা আপনি যেই ভাষায় পারেন আপনাকে আগে বেসিক বিষয়গুলো জানতে হবে। এবং সেই বিষয়গুলো নিয়ে বিভিন্ন প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার চেষ্টা করতে হবে। এখন বিভিন্ন সাইটে বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রামিং সমস্যার সমাধান রিলেটেড ইভেন্ট বা কন্টেস্ট থাকে। আপনি সেই ইভেন্টগুলোতে চাইলেই জয়েন করতে পারেন। ফলাফল যাই হোক না কেন আপনাকে সাহস করে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে হবে। প্রথম দিকে হয়তো বা তেমন ভালো ফলাফল পাবেন না কিন্তু আস্তে আস্তে এটি অনেক অনেক হেল্প করে। সফল না হলেও এটলিস্ট কিছু বিষয়ের সম্পর্ক অবশ্যই আপনি শিখতে পারবেন। বর্তমানে অনেক সাইটেই এই প্রতিযোগিতা অংশগ্রহণ করা যায়। যেমন: Hacker Rank, Codwars ইত্যাদি। সাইটগুলোতে নিয়মিতই প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা চলে। আপনি জেনে সেখানেও প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে দেখতে পারেন আপনার স্কিল কতটুকু এবং আপনি কতটুকু সমস্যার সমাধান করতে পারেন। তা আপনি জানতে পারবেন।

  • E-Book Sell:

আপনি যদি কোনো প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ-র উপর এক্সপার্ট হন তাহলে, বিভিন্ন প্লাটফর্মে এইটি বিক্রি করতে পারেন। নতুন ও পুরোনো, সকল ধরনের প্রোগ্রামারের এই ধরনের বই বিভিন্ন প্রয়োজনে দরকার পড়ে। যেহেতু আপনি ডিজিটাল প্রোডাক্ট সেল করতেছেন সেহেতু এটি অনেকটা বুদ্ধিমানের কাজ। এমনকি অ্যামাজন এর মত ওয়েবসাইটে ই-বুক বিক্রি করতে পারেন। E-Book র চাহিদা দিন দিন বাড়তেছে।

 

  • Freelancing: আমরা মোটামুটি অনেকই শুনছি ফ্রিল্যান্সিং কি? কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা কামাতে হয় ইত্যাদি। ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে আমাদের ওয়েবসাইটে খুব শিঘ্রই ব্লগ আসতেছে তো চোখ রাখুন আমাদের ওয়েবসাইটে। এখন অনলাইনের যুগ সবকিছু এখন আমাদের হাতের মুঠে । সবকিছু চাইলে আমরা করতে পারতেছি। বর্তমানে Upwork, Freelancer.com, Fiverr এর মত ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মগুলোতে প্রোগ্রামিং সম্পর্কিত অসংখ্য ধরনের ফ্রিল্যান্সিং জব রয়েছে। যা আপনি যদি Skillful হলে আপনি কাজ করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মগুলোতে নিয়মিত আয় করা যায় এমন জবও পাওয়া যায়। স্থানীয়ভাবে প্রোগ্রামিং এর বর্তমানে অনেক কাজ পাওয়া যায়। প্রথমত, আপনি চাইলে সোস্যাল মিডিয়াকে কাজে লাগাতে পারেন, যেমন: ফেইসবুক, লিংকডন, ইন্সটাগ্রাম ইত্যাদি র মত প্ল্যাটফর্মে নেটওয়ার্কিং এর মাধ্যমে কাজ পেতে পারেন। অথবা আপনি চাইলে ডেডিকেটেড ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মে গিগ তৈরী করে কাজ পেতে পারেন। So It’s Defends Up to you.

 

  • Teaching Others People:

    নিজে যখন কোনো অন্যজনকে শেখাবেন তখন নিজে যেই টপিকগুলো পারেন না ঐ টপিকগুলো আরো অনেক ক্লিয়ার হবে। আর আপনি যদি একজন অভিজ্ঞ প্রোগ্রামার হোন তবে অন্যদের শেখানো হতে পারে আয়ের একটি মাধ্যম হতে পারে।

এছাড়া বিভিন্ন Edtech Platform যেমনঃ Udemy, CourseSera, ইত্যাদি জায়াগায় কোর্স বিক্রি করতে পারেন। আর এই প্ল্যাটফর্মে যেকেউ ফ্রিতে একাউন্ট খুলে অন্যদের শিখিয়ে, কোর্স তৈরী করে ও তা সেল করে আয় করতে পারে। আবার চাইলে ইউটিউব এর মত প্ল্যাটফর্মেও অন্যদের শিখিয়ে আয়ের পাশাপাশি নিজের পরিচিতি বৃদ্ধি করা সম্ভব। এছাড়াও বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন Ed-tech Training Center এ ক্লাস নিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারেন চাইলে।

  • Make Apps:

    প্রোগ্রামিং করে এপ্স বানিয়ে এখন লাখ লাখ টাকা কামানো যায়। বিভিন্ন রকমের সার্ভিস এপ্স আছে বর্তমানে এগুলোর মতো চাইলে আপনি এপ্স বানিয়ে লাখ লাখ টাকা কামাতে পারেন। শুরুতে ফ্রি ট্রায়াল এর মাধ্যমে শুরু করতে পারেন, যেখানে সেবা পছন্দ হলে গ্রাহকরা কিনে নিবে। ডেভলপার হিসেবে কাজ হলো গুরুত্বপূর্ণ টুল তৈরী করা, আপনার কাজ যথেষ্ট প্রয়োজনীয় হলে তা নিজ থেকে বিভিন্ন এন্টারপ্রাইজ চ্যানেলের মাধ্যমে আয়ের পথ খুলে দিবে। এইটা মনে রাখতে হবে একজন ডেভেলপার একজন সফটওয়্যার হতে পারে।

 

  • Blogging :

    আপনি চাইলে প্রোগ্রামিং-র পাশাপাশি বিভিন্ন লেখালেখি করতে পারেন চাইলে। এটার সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে ব্লগিং। তাহলে ব্লগিং হতে পারে প্রোগ্রামিং এর মাধ্যমে পরোক্ষভাবে আয়ের একটি উপায়। চাইলে কোনো টুল তৈরী করার গল্প নিয়ে ব্লগ লিখতে পারেন। আবার অন্যদের টিউটোরিয়ালের মাধ্যমে প্রোগ্রামিংয়ে দক্ষ হয়ে উঠতে সাহায্য করতে পারেন। এছাড়া আপনি চাইলে ব্লগ গুলো মনিটাইজ করে অনেক অনেক টাকা ইনকাম করতে পারেন।

 

So, সময়কে কাজে লাগান ইনশাআল্লাহ ভালো কিছু হবে। আজকের ব্লগ এতটুকুই যদি আজকের ব্লগটি আপনার কাছে ভালো লাগে থাকে তাহলে আপনার বন্ধু-বান্ধদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না । ভালো থাকবেন সবাই কথা হবে আবার কোনো একটা ব্লগে।

 

Mohammad Jubair,

IT Officer, Codex Devware.

This Blog Edited By Sourov Dey

What is Dropshipping

What is Dropshipping

ড্রপ শিপিং কি?

ড্রপ শিপিং হলো কোনো সুনামধন্য প্রতিষ্ঠান অথবা যেকোন বিশ্বাসযোগ্য ই-কমার্স ওয়েবসাইটের পণ্য আপনার ই-কমার্স ওয়েবসাইটে প্রচার করে বিক্রয় করাকে ড্রপ শিপিং বলা হয়ে থাকে। ড্রপ শিপিং এর জন্য আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকা বাধ্যতামূলক বটে।

আপনি কোনো একটা ই-কমার্স ওয়েবসাইট ( যেমন- আলিবাবা, আলী এক্সপ্রেস বা অ্যামাজন ) এমন যে কোনো একটি ই-কমার্স সাইটের পণ্য আপনার ওয়েবসাইটে দেখিয়ে বিক্রি করে দিলেন। কাস্টমার কিন্তু আপনার কাছ থেকে পণ্য কিনলো এবং আপনাকে পেমেন্ট করবে। আপনি তার সেই পণ্যের অর্ডারটি অন্য কোনো সাইট এ অর্ডারটি সাবমিট করে দিলেন। ওই সাইড থেকে পণ্য আপনার ই-কমার্স ওয়েবসাইটিতে আপনাকে দেয়া ক্রেতার নাম ও ঠিকানা অনুযায়ী ঐ পণ্যটি পৌঁছে দিলেন। তবে সেক্ষেত্রে অবশ্যই বলে দিতে হবে যে, ওই মাদার ওয়েবসাইট যেন কোনো রকম নিজেস্ব প্যাকেট ব্যবহার না করে। মূলত এটিই ড্রপ শিপিং।

মাঝখান থেকে আপনি কিছু প্রফিট করলেন। তবে লক্ষনীয় বিষয় হলো আপনি যেসকল সাইটের পণ্য নির্বাচন করবেন সেগুলোর দাম এবং পণ্যের মান আপনাকে ভালোভাবে আগে থেকেই যাচাই করে নিতে হবে। ক্রেতারা আপনার ওয়েবসাইট থেকে প্রোডাক্ট কিনবে কারণ সে আপনাকে বিশ্বাস করছে। তাই আপনাকে বিশ্বাস অর্জনের জন্য পণ্যের মূল্যের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। ড্রপ শিপিং অনেকটা দালালি ব্যবসার মতই। আপনি অন্য কোন একটি ওয়েবসাইটের পণ্য কাস্টমারের কাছে বিক্রি করে কিছু প্রফিট তুলে নিলেন, এখানে আপনাকে বিনিয়োগ বলতে শুধু আপনার একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট মাত্র। মূলত পণ্য আপনাকে কিনতে হচ্ছে না ৷ উদাহরণস্বরূপ : একজন জমির দালাল জমি দেখিয়ে বিক্রি করে দিয়ে লাভ করে থাকে, ড্রপশিপিং অনেকটা তেমনি। মোট কথা হলো- অন্যের ই-কমার্স ওয়েবসাইটের পণ্য আপনার নিজের ই-কমার্স ওয়েবসাইটে প্রদশর্ন করবেন। এখানে শুধু পণ্যটির আসল দাম যা তা থেকে মানানসই ভাবে একটু দাম বেশি করে আপনার ওয়েবসাইটে প্রদর্শন করতে হবে। অতিরিক্ত দামটুকুই আপনার লাভ। এজন্য আপনাকে ভালো মতো ওয়েবসাইট ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।

সোজা বাংলা ভাষায় ড্রপ শিপিং কি ?

একদম সহজভাবে বলতে গেলে, আপনার নিজের স্টোরে কোন প্রোডাক্টের তথ্য রাখবেন এরপর ক্রেতা গণ আপনার স্টোরে প্রবেশ করে সেই পণ্যটি ক্রয় করতে অর্ডার করল এবার আপনি একজন সরবরাহকারীর নিকট থেকে উক্ত পন্যটি কিনে তা আপনার ক্রেতার নিকট পাঠিয়ে দিলেন এই প্রক্রিয়াটাই আসলে ড্রপশিপিং। এবার আসি মুনাফার কথায়, ধরুন পন্যটি আপনার স্টোরে আপনি $২০ বিক্রয় করতে চাচ্ছেন কিন্তু পণ্যটির আসল দাম $১৫ এবং ক্রেতা $২০ দামেই পণ্যটি কিনবে আপনার স্টোর থেকে তাহলে আপনার মুনাফা কত হলো? হ্যাঁ $৫, এটাই আপনার মুনাফা । আশা করি, ড্রপ শিপিং ব্যাপারটা আপনার বুঝে এসেছে ৷ 

আজকের ব্লগ এতটুকুই আগামী ব্লগে ড্রপ শিপিং নিয়ে আরো ব্লগ আসবে ইনশাআল্লাহ

————————————————————————

-বিগত ব্লগে আমরা জেনেছি Dropshipping জিনিস টা কি? কিভাবে কাজ করে ইত্যাদি। So, আজকে আমরা  জানব, Dropshipping করে কিভাবে ইনকাম করতে হয়, এবং এটার সুবিধা-অসুবিধা A to Z ।  যারা ঐ ব্লগটি পড়েন নাই তারা——–এই লিংকে গিয়ে পড়ে আসুন।

তো শুরু করা যাক-

সুবিধাসমূহ: –

১. শুরু করা অত্যন্ত সহজ :

ড্রপ শিপিংয়ে আপনাকে পণ্য কিনে স্টক করে রাখার জন্য কোনো টাকা খরচ করতে হয় না। তাই, শুধু হোস্টিং, ডোমেইন এবং ওয়েব ডেভেলপ করতে যে খরচ করতে হয় তা করলেই হয় ৷ অতিরিক্ত আর কোনো ব্যয় নেই ৷ ফলে আপনার ব্যবসায় মুনাফা কমার ঝুঁকি কম

২. স্বল্প মূলধন প্রয়োজন :

ড্রপ শিপিংয়ের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো কয়েক লক্ষ টাকা বিনিয়োগ না করেই একটি ই-কমার্স সাইট চালু করা যায়। স্বাভাবিক ভাবেই খুচরা বিক্রেতাদের বিপুল পরিমাণ মূলধন পণ্য কিনে স্টক করে রাখতে খরচ করতে হয়। ড্রপ শিপিংয়ে আপনার কোন পণ্য বিক্রি না হওয়া পর্যন্ত, নতুন কোনো পন্য কিনতে হয় না ৷ ক্রেতাদের টাকা দিয়েই পণ্যের দাম পরিশোধ করতে পারবেন

৩. ন্যূনতম ঝুঁকি :

একটি ড্রপ শিপিং ই-কমার্স ওয়েবসাইট বিনামূল্যে শুরু করা যেতে পারে। কেবলমাত্র একটি ডোমেন এবং ভালো হোস্টিং নিতে হবে ৷ নতুবা ব্যবসা হারিয়ে যেতে পারে, পরে ব্যবসায়টি আর সম্প্রসারণ করা সম্ভব নয় ৷ আবার আপনি যদি লাভ করতে সক্ষম না হন, তবে আপনি সহজেই কোনো ঝুঁকি ছাড়াই ফিরে আসতে পারবেন।

৪. সরবরাহকারী এবং ড্রপশিপিং সাইটের সুবিধা :

ড্রপশিপারকে পণ্য পরিবহণ এবং প্যাকেজিং সম্পর্কে চিন্তা করতে হয় না ৷ সরবরাহকারী পণ্য বিপণন এবং প্রচার উভয়ই করে থাকে ৷ ড্রপ শিপাররা একবারে একাধিক পাইকারদের সাথে কাজ করতে পারে।

৫. মাথা কম খাটানো লাগে :

যেহেতু আপনাকে মাল কেনা কিংবা গুদাম পরিচালনা করার দরকার নেই, সেহেতু আপনার মাথা খাটানো লাগবে না বেশি । প্রকৃতপক্ষে, অনেক সফল ড্রপশিপিং স্টোর বাড়ি বা বাসা-ভিত্তিক ব্যবসা হিসাবে পরিচালিত হয়, এটি পরিচালনা করতে একটি ল্যাপটপ হলেই চলে এবং অপারেট করার জন্য কয়েকটি জিনিসের জন্য খরচ করতে হয়।

৬. নমনীয় অবস্থান :

একটি ড্রপ শিপিং ব্যবসায় যেকোনো জায়গায় করা যায় ৷ শুধু ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন ৷ আপনি চাইলে সরবরাহকারী ও ক্রেতা উভয়ের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারবেন এবং ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন

৭. একাধিক পণ্য বিক্রি করা :

যেহেতু পূর্বে আপনাকে কোনো পণ্য অগ্রিম কিনতে হয় না, তাই আপনি যেকোনো পণ্যের অফার দিতে পারবেন ড্রপ শিপিংয়ে ৷ আপনার স্টকে যদিও কোনো পণ্য থাকে সেটাও কিন্তু বিক্রি করতে পারবেন ৷ এজন্য আপনাকে আলাদা করে কোনো খরচ করতে হবে না ৷

৮. যাচাই করা সহজ :

ড্রপশিপিংয়ের মূল সুবিধা হলো, বিপুল পরিমাণে পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে পণ্যগুলি তালিকাভুক্ত করণ এবং সম্ভাব্য ভাবে বিক্রয় করার ক্ষমতা ৷

-তো আমরা Dropshipping-র অনেক সুবিধা নিয়ে জানলাম । এখন Dropshipping-র কিছু অসুবিধা জেনে আসি-

১. তুমুল প্রতিযোগীতা

প্রায় সকল ই-কমার্স ব্যবসাতে রয়েছে ব্যাপক প্রতিযোগীতা ৷ এই কারণে অনলাইন স্টোরের মালিকগণ মানসম্মত সেবা প্রদান করে ব্যবসা দাঁড় করাতে পারে এবং পণ্য কিনতে ক্রেতারা বেশি পছন্দ করে থাকে ৷ অতিরিক্ত প্রতিযোগিতা একজন ড্রপ শিপারের সমস্যা হতে পারে যদি ঐ ব্যক্তি তাদের পণ্য বিপণন সম্পর্কে সতর্ক না হয় ।

২. মুনাফা কম

হ্যাঁ! অধিকাংশ ড্রপ শিপারদের প্রবণতা হলো হাল ছেড়ে দেওয়া কারণ মুনাফা খুব কম ৷ যাই হোক, আপনি যদি এটি আন্তরিকতার সঙ্গে করেন, ড্রপ শিপিং কোনো ক্ষণস্থায়ী ব্যবসায় নয় ৷ এটি সব সময় লেগে থাকা এবং ধীরে ধীরে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠার মতো। আপনি কীভাবে নিম্ন মুনাফার মার্জিনকে বিশাল আকারে পরিণত করবেন তা চিন্তা করুন ৷  আপনি যদি প্রতিদিন ১০ টি পণ্য বিক্রি করে থাকেন তবে  এটি ৫০ স্কেল এ  করুন এবং এতে আপনার লাভের পরিমাণ বেশি হবে।


৩. পণ্যের সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতা

ড্রপশিপিং হলো এমন একটি ব্যবসা যেখানে আপনি এমন কোনো পণ্য বিক্রি করবেন যা আপনি আসলে দেখেন নি। অতএব, পণ্যের ব্যর্থতার সম্ভাবনা বেশি। যখন এটি ঘটে তখন গ্রাহকের কাছে আসল পরিমাণ ফেরত দেওয়া এবং সরবরাহকারীর কাছে পণ্যটি ফিরিয়ে দেওয়ার পুরো দায় আপনার উপর বর্তায়।
তবে এর অর্থ এই নয় যে আপনি আতঙ্কিত হওয়া শুরু করবেন। পরিবর্তে, একটি ৩০ দিনের রিফান্ড নীতিমালা তৈরি করুন যাতে গ্রাহক পণ্যটি (যদি) ক্রয় করে সন্তুষ্ট না হন তবে তা ফিরিয়ে দিতে পারে।

৪. অর্ডার পরিচালনা করা ক্লান্তিকর হতে পারে

বেশিরভাগ ড্রপশিপার তাদের চুল টানবে এমন এক সময় যখন তাদের কোনো পণ্য ভাইরাল হয়। তাদের তখন হাজার হাজার অর্ডার পূরণ করতে হয় এবং অর্ডার পরিচালনা করা একটু কঠিন কাজ হতে পারে। তবে অনেক ড্রপশিপিং প্লাগইন রয়েছে যা আপনাকে সাহায্য করবে।

৫. শিপিং জটিলতা

আপনি যদি একাধিক সরবরাহকারী সাথে কাজ করেন এবং আপনার অনলাইন স্টোরের পণ্যগুলো বিভিন্ন ই-কমার্স এর মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয় তবে এটি আপনার শিপিংয়ের খরচ কে জটিল করে তুলবে।
ধরা যাক যে, কোনো গ্রাহক তিনটি আইটেমের জন্য একটি অর্ডার রাখে, সেগুলি কেবল পৃথক পৃথক সরবরাহকারীদের থেকে পাওয়া যায় ৷ প্রতিটি আইটেম গ্রাহককে প্রেরণের জন্য আপনাকে তিনটি পৃথক শিপিং চার্জ নিতে হবে, তবে গ্রাহককে এই চার্জটি প্রদান করানো বুদ্ধিমানের কাজ নয়। এমনকি যখন এই চার্জগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় তখন এই হিসাবগুলো বজায় রাখা কঠিন হতে পারে।

-এখন আমরা জানব Dropshipping করে কি আসলে-ই ইনকাম করা যায় ?

আপনার ব্যবসা নিবন্ধন করুন :

বর্তমান বাংলাদেশ আইনের অধীনে আপনাকে যে কোনও ব্যবসায় নিবন্ধন করতে হবে। আপনার ব্যবসায়ের নিবন্ধকরণের আরও অনেক উপায় রয়েছে। আমি কীভাবে বাংলাদেশে কোনও ব্যবসা বা সংস্থা নিবন্ধন করতে পারি সে সম্পর্কে আমার ওয়েবসাইটে আপনার জন্য  কিছু নিবন্ধ লিখেছি। আপনি কর্পোরেট বিষয়ক বিভাগের পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে একটি ব্যবসা নিবন্ধন করতে পারেন। আপনার সরাসরি শিপিং ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে নিবন্ধকরণ বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত, তবে বাংলাদেশ এখনও নিবন্ধকরণ কার্যকর করেনি।

২. একটি চলতি অ্যাকাউন্ট খুলুন :

আপনি এখানে অর্থ উপার্জন করতে এসেছেন। সুতরাং, পরবর্তী পদক্ষেপটি হলো বাংলাদেশের যে কোনো ব্যাংকের সাথে একটি চলতি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। কারণ তাদের বিশ্বব্যাপী শাখা এবং ব্যাংকগুলির বিশাল নেটওয়ার্ক রয়েছে। সরবরাহকারীদের কাছে রেমিট্যান্স সরবরাহ করতে পারবেন। এছাড়াও, বিদেশী লেনদেনে একটি খরচ আছে সে দিকে খেয়াল রাখুন। কিছু ব্যাংক রেমিট্যান্সের জন্য বাড়তি ফি চার্জ করে, প্রতি লেনদেনের জন্য ৮০ থেকে শুরু করে এক হাজার টাকা পর্যন্ত।
মনে রাখবেন, এই ব্যয়গুলি আপনার লাভ থেকে বের করে আনতে হবে।

৩. একটি পেপাল অ্যাকাউন্ট খুলুন :

আপনি যদি বাংলাদেশে ড্রপ শিপিংয়ের ব্যবসা শুরু করতে চান তবে আপনাকে একটি পেপাল অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে।
প্রায়ই, বিদেশী সরবরাহকারীরা আপনার আদেশ কৃত পণ্যগুলির জন্য অর্থ দ্রুত গ্রহণ করতে চায়।
এবং কিছু কিছু বিদেশী সরবরাহকারী কেবল পেপালের মাধ্যমে অর্থ প্রদানের জন্য অনুরোধ করবে। পেপাল একটি দ্রুত গ্লোবাল পেমেন্ট গেটওয়ে। সুতরাং, এটি বিশ্বব্যাপী ড্রপশিপিং ব্যবসায়ে খুব জনপ্রিয়। পেপাল অ্যাকাউন্ট খুলতে আপনার জিএসটিআইএন নম্বর এবং অন্যদের মধ্যে কারেন্ট অ্যাকাউন্টের বিশদ প্রয়োজন। পেপাল আপনার আবেদন গ্রহণ করার আগে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং অন্যান্য তথ্য যাচাই করবে। অবশ্যই, পেপাল আপনার একাউন্ট থেকে টাকা কেটে নিতে আপনার অনুমতি চাইবে এবং আপনার ব্যাংক অন্য কাউকে অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করার অনুমতি দেয় না।

So, আমরা আজকের ব্লগে অনেক কিছু যেনে ফেললাম- এই ভাবে আরও Informative ব্লগ, টিপস এন্ড ট্রিক্স পেতে চাইলে চোখ রাখুন আমাদের ওয়েবসাইটে। যদি আজকের ব্লগ টি ভালো লাগে তাহলে আপনার বন্ধু-বান্ধবদের কাছে শেয়ার করতে ভূলবেন না।

This Blog Edited By Sourov Dey

-ধন্যবাদ সবাইকে

CPA Marketing

CPA Marketing

CPA Marketing কি ?

CPA মানে হলো “cost per action” বা “cost for action”.  সোজা ভাষায় বলতে গেলে,একটি ধরে দেওয়া কাজ সম্পূর্ণ সঠিক ভাবে করাতে পারলে আপনাকে কিছু টাকা কমিশন হিসেবে দেওয়া হবে।

এখনের সময়ে, যেকোনো Business, Product বা Services এর মার্কেটিং করার ক্ষেত্রে “ডিজিটাল মার্কেটিং” এর ব্যবহার অধিক বেশি পরিমানে করা হয়।

Digital marketing বা Internet marketing, যেখানে ইন্টারনেটের বিভিন্ন সাধন গুলো ব্যবহার করে ব্যবসার প্রচার করা হয়।

সিপিএ মার্কেটিং (CPA Marketing)

CPA মার্কেটিং কে Affiliate মার্কেটিং এর ভাগ হিসেবে ধরা হয়।

কারণ, Affiliate Marketing এর ক্ষেত্রে আমরা যেকোনো একটি “কোম্পানির উৎপাদ বা সেবা” গুলো “প্রচার” করে সেগুলোর বিক্রির থেকে কিছু কমিশন (Commission) আয় করি।

তবে, সিপিএস মার্কেটিং হলো এক নতুন ও আধুনিক রকমের এফিলিয়েট মার্কেটিং এর প্রকার, যেখানে কোম্পানির উৎপাদ ও সার্ভিস গুলো বিক্রি না হলেও আপনি কমিশন আয় করতে পারবেন।

তাহলে চলুন, CPA marketing কি (what is CPA marketing in bangla) এবং এই বিষয়টি নিয়ে সম্পূর্ণ তথ্য এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা জেনে নেই।

এটাকে একটি অনলাইন মার্কেটিং এর কৌশল হিসেবে ধরা যেতে পারে, যেখানে কোম্পানি গুলো নিজের Business, Service বা Product গুলোর প্রচারের ক্ষেত্রে, “Publishers” এবং “Advertisers” দের সাহায্য নেয়।

এবং প্রচার বলতে, কোম্পানি গুলো কিছু কাজ ধরে দিবেন যেমন, Software download, Form fill up, E-mail submission, Form Registration, Survey ইত্যাদি।

আর, একজন Publisher হিসেবে, এই ধরণের কাজ গুলো আপনার করাতে হবে নিজের Blog বা Website এর মাধ্যমে।

এবং, সফলতাপূর্বক কাজ গুলো করাতে পারলে, কোম্পানির তরফ থেকে আপনি প্রত্যেক কাজের বিনিময়ে কমিশন পাবেন।

সিপিএ মার্কেটিং এর প্রক্রিয়া এবং এফিলিয়েট মার্কেটিং এর প্রক্রিয়াতে কেবল এটাই পার্থক্য যে, এখানে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মতো আপনার কিছু বিক্রি করাতে হবেনা।

সিপিএ এর পূর্ণরূপ “Cost Per Acquisition” বলেও বলা হয়।

এখানে মূল উদ্দেশ্য হলো, “লিড তৈরি করা“।

-CPA মার্কেটিং এর লাভ

যদি আপনার একটি Website, Blog, Application বা ভালো সংখ্যাই E-mail list রয়েছে, তাহলে ইন্টারনেটে থাকা অন্যান্য মাধ্যম গুলোর তুলনায় CPA মার্কেটিং থেকে অধিক সহজে অনলাইন ইনকাম করতে পারবেন।

তাছাড়া, সিপিএ মার্কেটিং এর আরো অন্যান্য কিছু লাভ রয়েছে,

  • এই এফিলিয়েট মার্কেটিং এর প্রক্রিয়াতে কোনো ধরণের বিক্রি (sell) না করিয়েই ইনকাম সম্ভব।
  • Form fill-up, Survey, App install ইত্যাদি কাজ গুলো করিয়ে ইনকাম করুন।
  • CPA marketing এর ক্ষেত্রে, অনেক সহজেই Conversion হওয়ার সুযোগ থাকছে।
  • এখানে আপনার তেমন কোনো কৌশল এর প্রয়োজন নেই।
  • কেবল, offer গুলো দেখুন এবং নিজের Website, Blog বা Application ট্রাফিক এর মাধ্যমে করিয়ে নিন

CPA কিভাবে কাজ করে ?

সিপিএ কিভাবে কাজ করে, এই প্রশ্নের উত্তর অনেক সোজা।

দেখুন, ইন্টারনেটে কিছু Advertisement company রয়েছে, যেগুলোতে বিভিন্ন কোম্পানি গুলো তাদের business, products বা service গুলোর সাথে জড়িত প্রচার বা অন্যান্য কাজ করানোর ক্ষেত্রে সংযুক্ত হয়।

এই ক্ষেত্রে, উৎপাদন কোম্পানি গুলো এই Advertisement company গুলোকে কিছু টাকা অবশই দেন।

এবং, এই ধরণের Advertisement company গুলোকে বলা হয় Affiliate network, CPA Network ইত্যাদি।

এখন, যদি আপনার কাছে একটি Website, Blog, Application বা ভালো email list রয়েছে, তাহলে এই CPA network গুলোতে আপনি রেজিস্টার করে একজন Publisher হিসেবে Account তৈরি করতে পারবেন।

আর তারপর, CPA network গুলোতে থাকা বিভিন্ন কাজ গুলো আপনি নিজে নিজের Blog বা ওয়েবসাইটে আসা Traffic Visitors দের দিয়ে করিয়ে নিতে পারবেন।

সফলতাপূর্বক ভাবে ধরেদেওয়া কাজ গুলো করিয়ে নিতে পারলে, সেই CPA Network গুলোর থেকে আপনাকে কিছু টাকা কমিশন হিসেবে দেওয়া হয়।

আর, এভাবেই কাজ করে সিপিএ মার্কেটিং এর প্রক্রিয়া।

-সিপিএ মার্কেটিং কাজের কিছু উদাহরণ

এখন হয়তো আপনারা ভাবছেন, সিপিএ মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে কি কি কাজ আপনার করাতে লাগতে পারে।

তাই তো ?

চলুন, CPA marketing এর কিছু কাজের উদাহরণ নিচে জেনেনেই।

  • কোম্পানির E-mail Newsletter Subscribe করা।
  • Form fill-up এর ক্ষেত্রে নিজের তথ্য প্রদান করা।
  • সার্ভে সম্পূর্ণ করার কাজ।
  • একটি Software, App, game বা Extension ডাউনলোড করানো।
  • Live chatting ওয়েবসাইটে রেজিস্টার বা Signup করানো।

 

     – CPA affiliate marketing থেকে টাকা আয় করুন

     এমনিতে বর্তমানে, জাজার হাজার ব্লগার বা ইউটিউবাররা এই সিপিএ মার্কেটিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রচুর টাকা আয় করছেন।

কারণ যা আমি আগেই বলেছি, এখানে আপনার কিছু বিক্রি করানোর প্রয়োজন হয়না।

আর তাই, লোকেরা সহজেই আপনার প্রচার করা বিজ্ঞাপন গুলোতে আগ্রহী হয়ে কাজ গুলো করে নেয়।

CPA marketing এর মাধ্যমে আপনারা $0.10 থেকে $10 প্রত্যেকটি লিড কনভার্সন এর ফলে আয় করতে পারবেন।

এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রেতো প্রত্যেক কনভার্সন এর ক্ষত্রে $50 থেকেও অধিক আয় করা সম্ভব।

আজকে আমরা কি শিখলাম ?

আজকে আমরা শিখলাম, “CPA marketing কি” (about CPA marketing in bangla), এবং কিভাবে কাজ করে সিপিএ মার্কেটিং।

বন্ধুরা, যদি আপনাদের একটি ওয়েবসাইট বা এপ্লিকেশন রয়েছে যেখানে ভালো প্রমানের ট্রাফিক ও ইউসার আসছে, তাহলে এই সিপিএ মার্কেটিং এর মাধ্যমে ভালো পরিমানের টাকা আয় করে নিতে পারবেন।

গুগল এডসেন্স এর সেরা বিকল্প হিসেবে এই মাধ্যম ব্যবহার করতে পারবেন।

কিছু সেরা, CPA networks গুলোর নাম হলো, “cpalead.com“, “cpagrop.com“, “peerfly.com“ এবং আরো রয়েছে।

এই সিপিএ নেটওয়ার্ক গুলো ব্যবহার করে, আপনারা ভালো পরিমানে ইনকাম করতে পারবেন।

এছাড়া, সিপিএ মার্কেটিং নিয়ে যদি আপনার মনে কোনো ধরণের প্রশ্ন বা সমস্যা রয়েছে, তাহলে নিচে কমেন্টের মাধ্যমে অবশই জানিয়ে দিবেন।

This Blog Edited By Sourov Dey

 

ডিজিটাল মার্কেটিং কি?

ডিজিটাল মার্কেটিং কি?

ডিজিটাল মার্কেটিং হল ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে পণ্য, প্রতিষ্ঠান বা ব্র্যান্ডের প্রচারনাকে বোঝায়। বর্তমান যুগে ইন্টারনেট ব্যবহার করে আমরা এখন ঘরে বসে বিশ্বের সব খবরা খবর রাখতে পারছি, দুর দূরান্তের মানুষের সাথে সরাসরি ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে একে অন্যকে দেখতে পারছি।

এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়ে যে ব্যবসায়িক মাধ্যম গড়ে উঠেছে তাকেই মূলত আমরা ডিজিটাল মার্কেটিং বলি আমরা।

আরো সহজ ভাবে বলি, আমরা প্রতিনিয়ত ফেসবুক, গুগল, ইউটিউব ইত্যাদি সাইট ব্যবহার করছি। এই সাইটগুলতে আমার আপনার মত আরো লক্ষ্য লক্ষ্য লোক ব্যবহার করে থাকে। যেহেতু এখানে অনেক অডিয়েন্স আছে সেহেতু এখানে যদি আমরা আমাদের পণ্যের প্রচারণা করতে পারি তাহলে খুব সহজেই আমরা কাস্টমার পেতে পারি।

সোজা ভাষায় বলতে গেলে ডিজিটাল মার্কেটিং দিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে

আমরা নিজের কোম্পানির মার্কেটিং করতে পারব।

ডিজিটাল মার্কেটিং কেন করবেন?

 ডিজিটাল মার্কেটিং হল ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে পণ্য, প্রতিষ্ঠান বা ব্র্যান্ডের প্রচারনাকে বোঝায়। বর্তমান যুগে ইন্টারনেট ব্যবহার করে আমরা এখন ঘরে বসে বিশ্বের সব খবরা খবর রাখতে পারছি, দুর দূরান্তের মানুষের সাথে সরাসরি ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে একে অন্যকে দেখতে পারছি।

এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়ে যে ব্যবসায়িক মাধ্যম গড়ে উঠেছে তাকেই মূলত আমরা ডিজিটাল মার্কেটিং বলি।

আরো সহজ ভাবে বলি, আমরা প্রতিনিয়ত ফেসবুক, গুগল, ইউটিউব ইত্যাদি সাইট ব্যবহার করছি। এই সাইটগুলতে আমার আপনার মত আরো লক্ষ্য লক্ষ্য লোক ব্যবহার করে থাকে।

এখানে ওই কোম্পানির কিন্তু কোন লাভ হচ্ছেনা, বিজ্ঞাপন দিতে যেই টাকা খরচ হচ্ছে, তা সবই জলে যাচ্ছে।

 ডিজিটাল মার্কেটিং হল ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে পণ্য, প্রতিষ্ঠান বা ব্র্যান্ডের প্রচারনাকে বোঝায়। বর্তমান যুগে ইন্টারনেট ব্যবহার করে আমরা এখন ঘরে বসে বিশ্বের সব খবরা খবর রাখতে পারছি, দুর দূরান্তের মানুষের সাথে সরাসরি ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে একে অন্যকে দেখতে পারছি।

এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়ে যে ব্যবসায়িক মাধ্যম গড়ে উঠেছে তাকেই মূলত আমরা ডিজিটাল মার্কেটিং বলি।

আরো সহজ ভাবে বলি, আমরা প্রতিনিয়ত ফেসবুক, গুগল, ইউটিউব ইত্যাদি সাইট ব্যবহার করছি। এই সাইটগুলতে আমার আপনার মত আরো লক্ষ্য লক্ষ্য লোক ব্যবহার করে থাকে।

এখানে ওই কোম্পানির কিন্তু কোন লাভ হচ্ছেনা, বিজ্ঞাপন দিতে যেই টাকা খরচ হচ্ছে, তা সবই জলে যাচ্ছে।

কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং শুরু করবেন?

আপনার পণ্যটি কোন ক্যাটাগরির কাস্টমারের কাছে চাহিদা সম্পূর্ণ তা বিবেচনা করে সে অনুযায়ী সঠিক তথ্য ও আকর্ষণীয় কনটেন্টের মাধ্যমে তুলে ধরতে হবে। পণ্যের ধরণ ও চাহিদানুযায়ী আপনাকে কনটেন্ট সাজাতে হবে। এবং এখানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হচ্ছে সেলস ফানেল তৈরি করা।

আমার দেখা মতে বাংলাদেশ এর ৯৫% কোম্পানি তাদের পণ্য বিক্রি করার জন্য সেলস ফানেল তৈরি করেন না এবং যার কারণে তাদের সেলস তুলনামূলক ভাবে অনেক কম হয়।

সেলস ফানেল এর মাধ্যমে সেলকে ২-৩ গুন বাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব।

আপনার সেলস ফানেল তৈরি করার পর চিন্তা করতে হবে কোন ডিজিটাল মাধ্যমকে ব্যবহার করে মার্কেটিং শুরু করবেন এবং সেই ডিজিটাল মাধ্যমটি সম্পর্কে আপনাকে ভাল জ্ঞান রাখতে হবে।

ডিজিটাল মার্কেটিং কত প্রকার?

লোকাল বিজনেস ক্যম্পেইন বা টিপিক্যাল টাইপ মার্কেটিং এ যেমন অনেকভাবে আমরা বিজ্ঞাপন করতে পারি, ঠিক তেমনি ডিজিটাল মার্কেটিং অনেক প্রকারের হয়ে থাকে, তবে এই সাতটি মাধ্যম অনেক জনপ্রিয়। এই আর্টিকেলে আমি এই ৭ প্রকার ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

তো আমরা এখন শুরু করি কিভাবে কি করতে হবে?

  • কনটেন্ট মার্কেটিং
  • সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
  • সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং
  • ইমেইল মার্কেটিং
  • এসএমএস মার্কেটিং
  • ওয়েব এনালাইটিক্স

কনটেন্ট মার্কেটিংঃ

ইংলিশ এ বলা হয় “কন্টেন্ট ইজ কিং”। হ্যাঁ, কথাটা আসলেই সত্য। কনটেন্ট হলো কোন একটি পণ্য, বিষয় বা বস্ত কে কেন্দ্র করে ব্লগ পোষ্ট, ছবি বা ভিডিও এর মাধ্যমে তার আকর্ষণীয় বর্ণনা করে তা ডিজিটাল মাধ্যমে প্রকাশ করা। বিভিন্ন পণ্যের ডিজিটাল বিজ্ঞাপনকেও কনটেন্ট মার্কেটিং বলা যায়। আশা করি সবাই বোঝতে পারছেন।

ব্লগিং এর মাধ্যমে পণ্য সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা, অনলাইনে ছবি বা পোস্টারিং অথবা ভিডিও মাধ্যমে পণ্য বা ব্র্যান্ডের প্রচারকে কনটেন্ট মার্কেটিং বলে।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনঃ

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন হচ্ছে একটা অরগানিক ট্রাফিক জেনারেশন ম্যাথড। গুগলে প্রতিনিয়ত আমরা বিভিন্ন তথ্য খুঁজে থাকি, কোন কিছু লিখে যখন সার্চ করা হয় সেটাকে বলা হয় কিওয়ার্ড, আর এই কিওয়ার্ড লিখে সার্চ করলে অনেক অনেক রেজাল্ট দেখতে পাই। কিন্তু অনেক রেজাল্ট এর মাঝে প্রথম পেজে যেই ১০টি রেজাল্ট দেখায় আমরা কিন্তু ওই রেজাল্ট গুলোই দেখে থাকি।

কেউই আমরা দ্বিতীয় বা তৃতীয় পেজে গিয়ে সাইট ভিজিট করিনা।

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান বা এসইও মূলত আপনার ওয়েবসাইটি গুগল, ইয়াহু বিং অথবা অন্য কোন সার্চ ইঞ্জিনে অনুসন্ধান ফলাফলগুলি পর্যালোচনা করে থাকে। ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে এসইও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। আপনি যদি সঠিকভাবে আপনার কন্টেন্ট এর এসইও করতে পারেন, তাহলে যখন কোন ভিজিটর তার কাঙ্ক্ষিত বিষয় নিয়ে গুগল বা অন্য কোন সার্চ ইঞ্জিনে তথ্য সার্চ করবে, আপনার ওয়েবসাইট বা কন্টেন্ট যদি প্রথম দিকে দেখানো হয় তাহলে খুব সহজেই আপনি ফ্রি অডিয়েন্স পাবেন এবং অবশ্যই আপনার বিক্রি বৃদ্ধি পাবে।

কারন বর্তমানে মানুষ কোন পণ্য কেনার আগে গুগল থেকে বা সার্চ ইঞ্জিন থেকে সার্চ দিয়ে আগে বিষয়গুলো নিয়ে রিসার্চ করে দেখে এবং এর পর সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।

এজন্য সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য অন্যতম একটা মাধ্যম।

সোসাল মিডিয়া মার্কেটিংঃ

সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং বলতে আসলে কি বুঝি? সাধারনভাবে বলতে গেলে আমরা প্রতিদিন ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর মাধ্যমে সোসাল কমিউনিকেশন এর জন্য যে সাইট গুলো ব্যবহার করে থাকি সেগুলেো হল সোসাল মিডিয়া, আর এ সব মাধ্যমে যদি কোনে প্রোডাক্ট প্রমোট করি তাহলে তা হবে সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং।

যেমনঃ টুইটার, পিন্টারেস্ট, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব, ফেইসবুক, রেডিট, টামবলার, লিংকডিন সহ ইত্যাদি সোসাল মিডিয়া সাইট।

বাংলাদেশ এবং গোটা বিশ্ব এখন সোসাল মিডিয়ার উপর অনেকটা নির্ভর হয়ে পরেছে, আর আমরা সকলেই আমাদের নিজেদের লাইফ স্টাইল সোসাল সাইটে শেয়ার করতে পছন্দ করি। এজন্য এই সোসাল মিডিয়া সাইটগুলোতে অনেক বেশি কোলাহল থাকে।

মার্কেটার হিসেবে এই সুযোগকে কাজে লাগাতে পারলে, আপনি আপনার প্রোডাক্ট এর সেল অনেক গুনে বাড়িয়ে নিতে পারবেন। এই সোশ্যাল সাইটগুলতে ২ ভাবে কাজ করা যায়।

  1. ফ্রি মার্কেটিং ম্যাথড
  2. পেইড মার্কেটিং ম্যাথড

আপনি চাইলে ফ্রি তে আপনার প্রোডাক্ট নিয়ে সোসাল সাইটে সুন্দর সুন্দর কন্টেন্ট তৈরি করে শেয়ার করার মাধ্যমে ক্রেতা খুঁজে নিতে পারেন। প্রতিটি সোশাল মিডিয়াতে টাকার বিনিময়েও বিজ্ঞাপন করে আপনার পণ্যকে অনেকের সামনে নিয়ে যেতে পারেন।

ইমেইল মার্কেটিংঃ

ডিজিটাল মাধ্যমে সবচেয়ে সহজ এবং দ্রুত উপায়ে আপনার পণ্যর বিজ্ঞাপন ভোক্তাদের কাছে পৌঁছানোর কার্যকারি পদ্ধতি হল ইমেইল মার্কেটিং। আপনি কি বিক্রি করছেন সেটা কোন বিষয় নয়। এক ক্লিকেই আপনার সার্ভিসটি সম্ভাব্য হাজার হাজার গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দিতে পারবেন।

বিভিন্ন পদ্ধতিতে ইমেইল কালেকশন করে এক ক্লিকে আপনার পণ্যটির বিজ্ঞাপন পৌঁছে দিতে পারেন মুহূর্তের মাঝে। এতে প্রচুর গ্রাহক পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

তবে বাংলাদেশ এর কথা চিন্তা করলে আমার দেখা মতে এখনো এই মার্কেটিং চ্যানেলটা এতোটা জনপ্রিয় না। কারণ আমরা এখনো ইমেইল ব্যবহারে এতটা যত্নশীল না। এজন্য বাংলাদেশ মার্কেট -এ কাজ করতে চাইলে এই চ্যানেল টা আপনাকে খুব বেশি সাহায্য করবে বলে আমার মনে হয়না।

তবে এটা জেনে রাখুন, “ইমেইল মার্কেটিং ইজ দা লাইফ ব্লাড অফ ডিজিটাল মার্কেটিং”।

এসএমএস মার্কেটিংঃ

একটা সময় ছিল যখন মোবাইলের এত প্রচলন ছিল না, কিন্তু আমরা সবাই এখন মোবাইল ব্যবহার করি। আর এই মোবাইল হতে পারে মার্কেটিং এর অনেক সুন্দর একটি মাধ্যম। প্রতিদিনই যখন ঘুম থেকে উঠে মোবাইল কোম্পানি থেকে মেসেজ আসেনি এমন খুব কম দেখেছি আমি।

মোবাইল কোম্পানিগুলো মূলত মোবাইল এসএমএস মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন পণ্যের প্রোমোশন করে থাকে এবং এই প্রোমোশনের মাধ্যমকে আমরা বলে থাকি এসএমএস মার্কেটিং।

আপনি চাইলেও কোন মিডিয়া পার্টনার এর সাহায্য নিয়ে আপনার পণ্যের বিজ্ঞাপন এই মোবাইল এসএমএস এর মাধ্যমে করতে পারেন। এটা খুবই কম খরচে করা যায়, আর আপনার যদি সেলস ফানেল সুন্দরভাবে তৈরি করতে পারেন তাহলে এই মার্কেটিং থেকে অনেক বেশি বিক্রি বাড়ানো সম্ভব।

ওয়েব এনালাইটিক্সঃ

ওয়েব এনালিটিক্স হল আপনার ওয়েব সাইট টি কতজন ভিজিট করছে কোন অঞ্চল থেকে কেমন বয়সীরা ভিজিট করছে তা বিভিন্ন সাইট বা সফটয়্যারের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা। এক কথায় বলা যায় একটি ওয়েব সাইটের ভিজিটর সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এনালাইসিস করাকে ওয়েব এনালাইটিক্স বলে।

আমরা অনেকেই গুগুল ওয়েব এনালাইটিক্স, বিং ওয়েব এনালাইটিক্স এবং ইয়াহু এর ওয়েব এনালাইটিক্স এর সাথে পরিচিত। এগুলো দিয়ে কোন একটি ওয়েব সাইটের ভিজিটরের তথ্য সহ অন্যান্য তথ্য গুলো পাওয়া যায়।

এ ছাড়াও ডিজিটাল মার্কেটিং এর আরো অসংখ্য পদ্ধতি রয়েছে। আর এই ডিজিটাল মার্কেটিং এর সব ধরণের সেবা দিয়ে থাকে আমাদের আইএমবিডি এজেন্সী।

This Blog Edited By Sourov Dey

ধন্যবাদ সবাইকে ।