Why Python is the Best Language to Learn in 2023

Why Python is the Best Language to Learn in 2023

Introduction Of Python:

Python: A high-level, versatile programming language known for its simplicity, readability, and extensive library ecosystem. With applications spanning web development, data analysis, machine learning, and more, Python empowers developers to build powerful and scalable solutions while emphasizing productivity and ease of use.

Versatility: Python is a versatile language widely used in various domains, including web development, data analysis, artificial intelligence, machine learning, automation, and scientific computing. It provides a solid foundation for multiple career paths.

High demand: Python continues to be one of the most popular programming languages globally, with a strong demand for skilled Python developers. Learning Python opens up numerous job opportunities and increases your marketability in the tech industry.

Thriving ecosystem: Python has a vast and thriving ecosystem with a rich collection of libraries and frameworks. Popular libraries such as NumPy, Pandas, Django, and Flask make Python a powerful tool for data manipulation, analysis, and web development.
Data science and machine learning: Python is extensively used in data science and machine learning. Libraries like TensorFlow, PyTorch, and scikit-learn enable efficient development and deployment of machine learning models. Python’s simplicity and readability make it an ideal language for data analysis and exploration.

Community and resources: Python has a large and active community that provides extensive support, resources, and documentation. You can find tutorials, forums, and open-source projects to help you learn and grow as a Python developer.
Readability and ease of learning: Python emphasizes readability and simplicity, making it a beginner-friendly language. Its clean syntax and extensive documentation make it easier to understand and write code, making it an excellent choice for those starting their programming journey.

Rapid development: Python’s concise syntax and extensive libraries enable faster development cycles. It promotes a productive workflow, allowing you to quickly prototype and build applications with less code and effort.

Automation and scripting: Python’s versatility shines in automation and scripting tasks. It can streamline repetitive tasks, automate workflows, and create powerful scripts for system administration, network programming, and more.

Integration and scalability: Python integrates well with other languages and systems, making it suitable for building complex applications that involve multiple technologies. It is highly scalable, capable of handling large-scale projects and collaborating with different tools and frameworks.

Future-proofing: Python’s popularity and continued growth suggest that it will remain relevant and widely used in the foreseeable future. Learning Python equips you with valuable skills that will likely continue to be in high demand.

In summary, learning Python in 2023 offers excellent career prospects, access to a thriving ecosystem, and the opportunity to work on exciting domains like data science and machine learning. Its simplicity, versatility, and extensive community support make it a valuable skill set for both beginners and experienced developers .

Why You Should Learn JavaScript in 2023 ?

Why You Should Learn JavaScript in 2023 ?

JavaScript has become the backbone of modern web development. In this post, we explore why you should choose JavaScript as your primary language and harness its power for building dynamic and interactive web applications.

Versatile Front-End Development :
JavaScript’s dominance in front-end development is unparalleled. With frameworks like React, Angular, and Vue.js, JavaScript empowers developers to create responsive and engaging user interfaces. Its ability to manipulate the DOM in real-time allows for dynamic updates, animations, and seamless user interactions.

Server-Side Capabilities with Node.js :
JavaScript’s influence extends beyond the browser with Node.js. It enables developers to build scalable and efficient server applications. Node.js utilizes event-driven architecture and non-blocking I/O operations, making it perfect for real-time applications, APIs, and microservices.

Extensive Ecosystem and Community Support :
JavaScript boasts a vast ecosystem of libraries, frameworks, and tools. Popular libraries like jQuery and lodash simplify common tasks, while frameworks like Express.js and Next.js streamline server-side development. The JavaScript community offers abundant support, resources, and learning opportunities.

Cross-Platform Compatibility :
JavaScript’s versatility extends to mobile and desktop app development. Frameworks like React Native and Electron enable developers to use JavaScript for building native applications across multiple platforms. This cross-platform compatibility saves time and effort while leveraging existing JavaScript skills.

Asynchronous Programming :
JavaScript’s asynchronous nature enables efficient handling of time-consuming operations without blocking other tasks. Asynchronous patterns, such as Promises and async/await, ensure smooth performance. This is particularly useful for network requests, file operations, and database queries.

Continual Evolution and Modern Features :
JavaScript constantly evolves with regular updates to the ECMAScript specification. These updates introduce modern syntax, improved performance, and new functionalities. Staying up to date with JavaScript’s evolution empowers developers to utilize the latest features and stay ahead in the rapidly evolving web development landscape.

Conclusion :
JavaScript’s versatility, extensive ecosystem, cross-platform compatibility, asynchronous programming, and continual evolution make it an essential language for web development. By embracing JavaScript, you unlock endless possibilities to create innovative, interactive, and scalable applications. So, dive into the world of JavaScript and unleash its power in your projects today!

কী এই AI বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স

কী এই AI বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স

বেশ কিছু সময় যাবৎ আমরা সকলেই AI শব্দটা খুব বেশি শুনতে পারছি। AI এর মাধ্যমে এ করা হয়েছে,  সেই করা হয়েছে। আসলে এই AI টা কী? Codex Devware এর আজকের এই ব্লগে আমরা AI সম্পর্কে কিছু ধারনা নেওয়ার চেষ্টা করব।


বর্তমান পৃথিবীতে মানুষের জীবন যাত্রায় AI একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে আছে। আচ্ছা বলে রাখা ভালো AI শব্দটির পুনরূপ হল Artificial Intelligence (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) বা বাংলায় যদি বলি তাহলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। বর্তমানে কম্পিউটার, ইন্টারনেট বা মোবাইল ছাড়া মানুষের একটি দিনের কথাও কল্পণা করা যায় না। মানুষের জীবন যাত্রাকে অনেক সহজ করে দিয়েছে এই AI।


আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স আসলে জিনিসটা কি?


আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স হলো কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি শাখা যেখানে মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তা শক্তিকে প্রয়োগ করা হয়। সহজ ভাষায় বললে, মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তা শক্তিকে কৃত্রিম উপায়ে প্রযুক্তি নির্ভর করে যন্ত্রের মাধ্যমে বাস্তাবায়ন করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।


কম্পিউটারকে এমনভাবে তৈরি করা হয় যেন কম্পিউটার মানুষের মতো করে ভাবতে পারে। যেমন : শিক্ষাগ্রহণ এবং সমস্যার সমাধান। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো যন্ত্র দ্বারা প্রদর্শিত বুদ্ধি। কম্পিউটার বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার গবেষণার ক্ষেত্রটি বুদ্ধিমান এজেন্ট এর অধীনে সংগায়ীত করা হয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শব্দটি প্রয়োগ করা হয় তখন, যখন একটি যন্ত্রকে জ্ঞানী ও ফাংশন গুলো কার্যকর করে যা মানুষের মনের সাথে মিল থাকে।


আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কিভাবে কাজ করে?


কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণাকে কতগুলো উপশাখায় বিভক্ত করা যায়, যা নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য যথার্থ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় এমন প্রোগ্রাম যুক্ত থাকে যা অনলাইন দুনিয়ার যেকোনো তথ্য প্রসেস করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। গুগল, ফেসবুক, টুইটার ও ইউটিউব ইত্যাদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সফল ব্যবহার করছে। আপনি যখন গুগলে কোনো কিছু সার্চ করেন, তখন গুগল আপনার ইন্টারনেটের footprints দেখে আপনার জন্য নির্ধারিত ফলাফল আপনার কাছে প্রদর্শন করে। ঠিক তেমনভাবেই AI যে কোন কাজ দিলে সে ইন্টারনেট থেকে তা বের করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রসেস করে আপনাকে ফলাফল দেখায়।


 কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিবর্তনের ইতিহাস কী?


১৯৫০ সালে অ্যালান টুরিং একটি যন্ত্র বুদ্ধিমান কিনা তা পরীক্ষা করার জন্য একটি টেষ্টের কথা উল্লেখ করে যান। যা ‘টুরিং’ টেষ্ট নামে পরিচিত। সেই সময় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে অনেক গবেষণা হলেও এরপর অনেক দিন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে গবেষণা বন্ধ থাকে। তাই ‘অ্যালান টুরিং’ কে বলা হয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক।


সেই সময়ের কম্পিউটারগুলো এত শক্তিশালী ছিল না। কম্পিউটারের প্রসেসিং শক্তি বাড়ার সাথে সাথে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আবার গবেষণা শুরু হয়েছে। কিছু দিন আগে ফেসবুক, গুগল ও অ্যামাজন মিলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর গবেষণা করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। এলন মাস্ক তৈরি করছে ‘Open AI‘ নামে একটি প্রতিষ্ঠান। এলন মাস্ক এর Open AI প্রতিষ্ঠান তৈরি Chat GPT বর্তমানে খুবই পরিচিতি পেয়েছে।


কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপকারিতা ও অপকারিতা কী?


কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কী মানবজাতির জন্য কী আসলেই উপকারি? এই প্রশ্নের উত্তর অনেকেই অনেকভাবে দিয়েছেন। তবে আমরা যদি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে খুব উন্নত করতে পারি, তাহলে এটি হবে সবচেয়ে দারুন একটি পরিবর্তন অথবা সবচেয়ে ভয়ংকর একটি পরিবর্তন। এমনকি, মানবজাতির অস্তিত্বও ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। কিন্তু, আমরা মানুষেরা বুদ্ধিমান ও কৌতুহলী। আমরা দেখতে চাই কী হবে ভবিষ্যতে। আর, এজন্যই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে আরো উন্নত করে যাচ্ছি। আমরা চেষ্টা করছি কম্পিউটারকে মানুষের মতো বুদ্ধিমান করে তোলার। AI সম্পূর্ণ ফলাফল ও দূর ভবিষ্যতে দেখা যেতে পারে।


এই ছিল মোটামুটি AI বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে সাধারণ কিছু কথা। আশা করা যায় ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে অনেক জটিল কাজ সহজে সম্পন্ন করা যাবে।

তুমিও হবে একজন দক্ষ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার

তুমিও হবে একজন দক্ষ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার

তুমি যদি একজন সমস্যার সমাধানকারী হও যে কিনা বিভিন্ন সমস্যা সমাধান অথবা কোন কাজকে সহজ করে তুলতে পছন্দ করো তবে তুমি একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সফল ক্যারিয়ার পেতে পারো।
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং হল কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং এর এমন একটি শাখা যেখানে সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনগুলো ডিজাইন, নির্মাণ, পরীক্ষণ এবং এর রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে কাজ করা হয়। সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়াররা ব্যবহারকারীদের জন্য সফটওয়্যার সমাধান তৈরি করতে বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষা ও প্রোগ্রামিং জ্ঞানের প্রয়োগ করে।
সফল দক্ষ ইঞ্জিনিয়াররা জানেন কিভাবে সঠিক প্রোগ্রামিং ভাষা, প্ল্যাটফর্ম এবং আর্কিটেকচার ব্যবহার করে কম্পিউটার গেম থেকে শুরু করে নেটওয়ার্ক কন্ট্রোল সিস্টেম এর মত জটিল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে হয়। সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়াররা তাদের নিজস্ব সিস্টেম তৈরির পাশাপাশি অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ারদের তৈরি বিভিন্ন সফটওয়্যার পরীক্ষা, আপডেট ডেভেলপমেন্ট ও এগুলো রক্ষণাবেক্ষণ এর কাজ করে থাকেন।
Meta এর একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার মুরতাদা আল-তামিমি বলেছেন, ” সমস্যা সমাধান করা লাগে এ ধরনের কোন কিছু দেখলেই আমি অনেক উত্তেজিত হয়ে পড়ি, কারণ তা থেকে আমি একটি অ্যাপ্লিকেশনের নতুন ফিচারস অথবা ওই সমস্যা সমাধানের জন্য নতুন অ্যাপ্লিকেশন কিভাবে নিয়ে আসা যায় তা নিয়ে চিন্তা করতে শুরু করি।”
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে তোমার প্রতিদিনকার কাজগুলো হতে পারে :
  • নতুন সফটওয়্যার সিস্টেম ডিজাইন ও মেনটেনেন্স
  • নতুন সফটওয়্যার প্রোগ্রাম তৈরি ও তা পরীক্ষা করা
  • কোড লেখা ও তা পরীক্ষা করা
  • ক্লায়েন্ট, ইঞ্জিনিয়ার, সাইবার এক্সপার্ট ও অন্যান্যদের সাথে সফটওয়্যার এর উন্নতি নিয়ে পরামর্শ করা।
  • গ্রাহককে সফটওয়্যার এর বিভিন্ন নতুন নতুন বৈশিষ্ট্য এবং এর কাজ উপস্থাপন করা।
সাধারণত একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার এই প্রধান কাজ গুলোই করে থাকে।
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়াররা সাধারণত দুটি বিষয়ের মধ্যে একটি নিয়ে পড়ালেখা ও দক্ষতা অর্জন করেন, তা হলো সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট এবং অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট। একজন সিস্টেম ডেভলপার অর্থাৎ ব্যাকএন্ড ইঞ্জিনিয়ার সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম ও নেটওয়ার্ক এর মত জিনিসগুলো নিয়ে কাজ করে। আর একজন অ্যাপ্লিকেশন ডেভলপার সাধারণত কম্পিউটার সফটওয়্যার ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর মত জিনিস গুলো নিয়ে কাজ করে।
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হতে কত সময় লাগে?
চার বছরের সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিজ্ঞানের Bsc ডিগ্রি নেওয়া উচিত। কিছু শিক্ষার্থী তাদের কোর্সকে চ্যালেঞ্জিং মনে করতে পারে এবং তাদের শেখার এবং বোঝার জন্য আরও বেশি সময় বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে, তবে এখনও প্রায় চার বছরের মধ্যে শেষ করতে সক্ষম হওয়া উচিত।
প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে শিখুন
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে শেখা অত্যন্ত জরুরি। একজন ভালো সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হতে হলে তাকে ভালো প্রোগ্রামার হতে হবেই। এর জন্য এক বা একাদিক প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে এ আপনার দক্ষতা দরকার।যত বেশি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে আপনি জানবেন পেশা হিসাবে আপনার কাছে এটি আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে এর মধ্যে শেখা দরকার :Python, JavaScript, C#, C++, Ruby, Javaএর মধ্যে Python,জাভাস্ক্রিপ্ট,CSS ,HTML আপনাকে জেনে রাখতে হবে।
কোনো বেসিক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং এর কাজে এগুলি অনেক ব্যাবহার হয়। এছাড়া ডাটা সাইন্স আর মেশিন লার্নিং ,আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ক্ষেত্রেও Python,R এর ব্যাবহার অনেক। আর যেহেতু সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়টি কোর তথ্যপ্রযুক্তি এর মধ্যে পরে তাই এর জন্য বিষয় গুলি সবসময় আপডেট হতে থাকে। তাই আজকে আপনি যদি কোনো একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে এর একটি ভার্সন শিখলেন,সেটি আবারো কিছুদিন পরে আপডেট হলে শিখে নিতে হবে। তাই এই পরিবর্তন এর সাথে আপনাকে মানিয়ে নিতে হবে। সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার পর চাকরির সুযোগ হিসাবে দেশ বিদেশে অনেক আছে. দেশের মধ্যে বড় বড় IT কোম্পানি যেমন TCS ,IBM ,Accenture এ অনেক ভালো মানের চাকরি পাওয়া যায়। অনেক সময় কলেজ ক্যাম্পাসিং থেকে এই সুযোগ চলে আসে কোর্স করতে করতেই। তাই ভালো ভাবে কোর্স /ডিগ্রী শেষ করলে চাকরির অভাব হয় না।
Writer : Iftakhar Ahmed
“স্মার্টফোন সেক্টরে নতুন চমক”-Nothing Phone(01)

“স্মার্টফোন সেক্টরে নতুন চমক”-Nothing Phone(01)

বর্তমানে দিন দিন নতুন টেকনোলজি আপডেট হচ্ছে। নতুন কিছু আসতেছে । ঠিক তেমনি স্মার্টফোন সেক্টরে একই রকম। নিত্য নতুন ডিজাইন, নিত্য নতুন স্পেক এবং নিত্য নতুন ফিচার। ঠিক তেমনি বাজারে নতুন ব্রান্ড নিউ ফোন হিসেবে আসছে Nothing Phone, মানে সোজা বাংলা ভাষায় কিছুই না ফোন। ওকে, Nothing Phone একটি Chinese নির্মাতা কোম্পানি। ওয়ান প্লাস-র কো ফাউন্ডার কার্ল পেই ২০২০ সালে Nothing নামের একটা নতুন কোম্পানি প্রতিষ্টা করেন। Nothing এর প্রথম প্রোডাক্ট Nothing Ear(1) বেশ ভালো সাফল্য বয়ে আনে নতুন এই কোম্পানির জন্য। তো আজকে আমি শেয়ার করব নাথিং ফোন-র ইতি কথা-

  • Design:

    বাজারে আট দশটা ফোনের চেয়ে Nothing ফোন-র ডিজাইন ফ্রম এবং  ফ্যাক্টর একটু ভিন্ন। ফোনটির ডিজাইন হলো এর মূল আকর্ষণ। বাজারের অন্যান্য ফোনের তুলনায় সবচেয়ে ইউনিক এবং আরো সুন্দর ডিজাইন রয়েছে এই ফোনটিতে। এই ফোনটির ব্যাক প্যানেল ফুল Transparent মানে আপনি সব কিছু নিজ চোখে দেখতে পারবেন। ফোনটিতে ফ্ল্যাট অ্যালুমিনিয়াম এজ রাখা হয়েছে যা ফোনটিতে প্রিমিয়াম ফিল যোগ করেছে। Nothing ফোন-র  ব্যাক ডিজাইনের মূল আকর্ষণ হলো এর Glyph ইন্টারফেস যা ৯০০টি এলইডি দ্বারা তৈরী। এই Glyph ইন্টারফেস বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজে আসবে। যেমন : কল আসলে, কোনো Notifications আসলে, চার্জে লাগালে ইত্যাদি।

  • Display :

      55Inch Full HD + OLED ডিসপ্লে রয়েছে Nothing Phone-এ। এই ডিসপ্লেতে আবার ১২০হার্জ রিফ্রেশ রেটও রয়েছে। ফোনটির ডিসপ্লেতে আরো থাকছে 1200NIT পিক ব্রাইটনেস, এইচডি১০+ সাপোর্ট ও ১০-বিট কালার এর মত অসাধারণ ডিসপ্লে ফিচার। এছাড়া থাকতেছে Gorilla Glass-5 র প্রোটেকশন।

  • Performance:

    Nothing Phone(1) এর প্রসেসর বা চিপ হিসেবে ব্যবহার হয়েছে Snapdragon 778+। এছাড়া রয়েছে সর্বোচ্চ ১২ GB RAM ও ২৫৬জিবি ROM ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাবে ফোনটি। Snapdragon 778+ একটি মিড-রেঞ্জ স্ন্যাপড্রাগন চিপসেট যা অসাধারণ পারফরম্যান্স এর পাশাপাশি ৫জি কানেকটিভিটি সুবিধাও প্রদান করবে।  Nothing Phone (1) এর অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে ব্যবহার হয়েছে নাথিং OS, যা অনেকটা স্টক Android 12 এর সাথে সমতুল্য। এছাড়া রয়েছে 4500mAh র ব্যাটারি । ৩ বছর অ্যান্ড্রয়েড আপডেট ও ৪বছর সিকিউরিটি আপডেট পাবে Nothing Phone(1)

  • Camera:

    বর্তমান ফোনে গাদা গাদা ক্যামরা লেন্স দিয়ে ভরে ফেলতেছে। কিন্তু Nothing ফোন-এ মাত্র দুইটা লেন্স দিয়ে ফোন আনতেছে। সেখানে ফোন (১) এর ক্ষেত্রে উলটো পথে হেটেছে নাথিং।

নাথিং ফোন (১) এর ব্যাক ক্যামেরা হিসেবে রয়েছে ডুয়াল ক্যামেরা সেটাপ। 50 MegaPixel Sony IMX 766 প্রাইমারি সেন্সরের পাশাপাশি 50 MegaPIxel Samsung Gen1আলট্রা-ওয়াইড সেন্সর থাকছে Nothing Phone(1)এর ব্যাক ক্যামেরা হিসেবে। একইসাথে অপটিক্যাল ও ইলেক্ট্রনিক ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন সাপোর্ট করে ফোনটির ব্যাক ক্যামেরা, যা ছবি তোলা বা ভিডিও রেকর্ড এর ক্ষেত্রে বেশ কাজে আসবে। ফোনের ফ্রন্টে 16 MegaPixel-র সেল্ফি ক্যামেরা রয়েছে। যা আপনাকে দারুণ ছবি দিবে।

  • Price :    Nothing Phone(1) পাওয়া যাবে তিনটি Ram ও Storage এবং দুইটি কালার ভ্যারিয়েন্টে। Nothing(1)এর দামঃ
  • 8GB+ 128GB —-  ৪৬৯ইউরো / ৪২,৯৯৯ টাকা
  • 8GB + 256GB —- ৪৯৯ইউরো / ৪৭,৯৯৯ টাকা
  • 12GB + 256GB —- ৫৪৯ইউরো / ৫৭,৯৯৯ টাকা


So Guys, আপনার কাছে কেমন লাগছে? Nothing Phone (১)? ফোনটি সম্পর্কে আপনার মতামত আমাদেরকে জানান কমেন্ট বক্সে। আর যদি আজকের ব্লগটি ভালো লাগে তাহলে আপনার বন্ধুদের সাথে করতে ভুলবেন না।

This Blog Edited By Sourov Dey


-কিভাবে আপনি প্রোগ্রামিং এর উপর বস হবেন-

-কিভাবে আপনি প্রোগ্রামিং এর উপর বস হবেন-

আমাদের অনেক-এর স্বপ্ন বা ড্রিম বড় হয়ে একজন ভালো প্রোগ্রামার হওয়া বা বড় হয়ে প্রোগ্রামিং সেক্টরে কিছু করার। এই ইচ্ছে যাদের-ই থাকে যারা প্রোগ্রামিং সেক্টরে আসছে বা প্রোগ্রামিং নিয়ে ঘাটাঘাটি করছে। So, আজকের ব্লগ টি শুধু তাদের জন্য যারা প্রোগ্রামিং সেক্টরে একজন প্রোগ্রামার হিরো হিসেবে নিজেকে ভবিষ্যতে দেখতে  চান।

So, বসে পড়ুন চেয়ার টেবিলে খাতা কলম নিয়ে।–

-First Of All-

অনেক-ই প্রোগ্রামিং-কে অনেক কঠিন স্তরে নিয়ে গেছে। কিন্তু আমরা যদি সুন্দরভাবে ভাবি প্রোগ্রামিং একটা মজার জিনিস। কিন্তু এইখানে একটু কিন্তু আছে , যেমন : এই পৃথিবীতে ভালো লাগা নামে একটা জিনিস আছে। কেউ হয়তো বা ভালো গান গাইতে ভালোলাগে, আবার কেউ হয়তো বা গিটার বাজাতে ভালো লাগে, বা কেউ হয়তো ঘুরতে ভালেবাসে ইত্যাদি। সব কিছুর একটু পেছনে ভালোলাগা জিনিস টা আছে ঠিক তাই তো? হ্যা।

প্রোগ্রামিং ও ঠিক সেইম একই রকম। আপনার যদি নতুন কোনো কিছু বানাতে বা কোনো সমস্যা সমাধান করতে ভালো তাহলে, Programming It’s For You.  সোজা বাংলা ভাষায় প্রোগ্রামিং আপনার জন্য। তো এখানে Moral Of the Stories হচ্ছে, যদি আপনার জিনিস টা ভালো লাগে। আচ্ছা ওকে, এই হলো প্রোগ্রামিং-র মেইন Concept বা কোনো কিছু শিখার মেইন Concept ।

-নিচে কিছু গাইডলাইন দেওয়া হলো, একজন ভালো প্রোগ্রামার-র কি কি গুন থাকা দরকার।

-নতুন Innovative কিছু করার মন-মানসিকতা থাকাঃ

প্রোগ্রামিং এমন একটা সেক্টর, যেখানে আপানাকে দিন দিন আপডেট করতে হবে। প্রোগ্রামিং Kind Of ডাক্তারির মতই। একজন ডাক্তার কে যেমন দিন দিন আপডেট করতে হয় । ঠিক তেমনি একজন প্রোগ্রামার-কে দিন দিন নতুন Technology-র সাথে Introduce হতে হয়। তাই একজন প্রোগ্রামার কে অবশ্যই নতুন কিছু করার Idea থাকা জরুরী। যেকোনো নতুন Concept মাথায় আসলে তা সাথে সাথে কোড-এ Implement করা এটা অত্যন্ত জরুরী।

-প্রবলেম সলভিং এর ক্ষমতা

এই কাজটা করা বেশ কঠিন। প্রবলেম সলভিং এর স্কিল বাড়ানো বলতে আসলে ‘তোমার বুদ্ধিমত্তাকে আরো বাড়াও’ এমনটাই বুঝায়।

আর এটা করার উপায় হচ্ছে নিয়মিত কঠিন কঠিন প্রবলেম সলভ করা। আবার এমন কঠিন না যেন হতাশা এসে ভর করে। তোমার ক্ষমতার চেয়ে একটু কঠিন প্রবলেম নিয়ে পড়ে থাকলে তোমার ব্রেইনকে কাজে লাগাতে পারবে। সব সময় সহজ প্রবলেম সলভ করলে দেখবা তুমি ভুল-টুল করতেছ না, কিন্তু তোমার ব্রেইন ঐসব সহজ প্রবলেমের জন্যেই ম্যাচ হয়ে থাকবে। ব্রেইনকে কাজ না দিয়ে অলস বসিয়ে রাখলে (সব সময় সহজ প্রবলেম সলভ করলে) বুদ্ধিমত্তা বাড়ানো কথা চিন্তা করা যায় না।

এজন্য অনলাইন জাজগুলোতে নিয়মিত প্রবলেমের লেভেল দেখে দেখে সলভ করা সবচেয়ে ভাল। পুরো প্রবলেমটাকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে একটা একটা পার্ট করে সলভ কর। এক্ষেত্রে ছোট দরজাওয়ালা একটা বাড়ির বিরাট বড় টেবিলের উদাহরণ দেয়া যেতে পারে। বিরাট বড় গরজিয়াস একটা টেবিল কিনে নিয়ে আসলা তোমার বাড়ির দোতলার ড্রয়িং রুমে রাখবা বলে। দেখা গেল টেবিলের তুলনায় দরজাটা অনেক ছোট।

সেক্ষেত্রে একটাই মাত্র কাজ করার থাকে তা হচ্ছে সাবধানে টেবিলটাকে কেটে টুকরাগুলোকে জায়গা মত নিয়ে আবার জোড়া দেয়া। প্রবলেমগুলোকেও এভাবে ভেঙ্গে ভেঙ্গে সলভ করে এরপর জোড়া দেয়ার কাজ করতে হবে। প্রব্লেম সল্ভিং র কিছু জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হচ্ছে যেমন : Hackerrank, CodeWars, Edabit ইত্যাদি। এখানে প্রোগ্রামিং-র একদম বেসিক থেকে অ্যাডভান্সড পর্যন্ত প্রব্লেম থাকে। যা আপনি নিজের স্কিলের সাথে সাথে প্রোগ্রামিং –র লেভেল বাড়াতে পারেন।

 -কোড প্রাকটিস করা আর ডিবাগ করা-

প্রোগ্রামিং-এ যারা নতুন তারা হয়তো ডিবাগ সম্পর্কে তেমন Idea নাও থাকতে পারে তো তাদের জন্য হলো। আমরা যখন কোড গুলো কোথাও Implement করি তখন Output ভুল ও আসতে পারে । তাই এই ভুলকে সংশোধন করার জন্য আমরা প্রোগ্রামিং-র ভাষায় এটাকে কোড ডিবাগ করা বলে। আরো সোজা ভাষায় বলতে গেলে ভুল কোডকে সংশোধন করাকে ডিবাগ বলে।

যদিও এখনকার সময়ে মনে হয় না কেউ খাতায় কোড করে। এরপরেও যদি খাতায় কোড লিখে প্র্যাক্টিস করতে পার এটা তোমার জন্য বেশ ভাল কাজে দিবে। কারণ তুমি যখন IDE তে কোড করতে বসো, মাথায় এটা থাকেই যে ভুল হলে আবার সাথে সাথেই ঠিক করতে পারবো। কিন্তু কাগজে যখন লিখবা তখন লিখার আগে তোমার ব্রেইন অনেক দ্রুত কাজ করবে যথাসম্ভব নির্ভুল কোড লিখার জন্য। কারণ কাগজে কোড লিখা কঠিন।

আর অনসাইট টিম কনটেস্টের ক্ষেত্রে এই গুণের কারণে আরো সুবিধা পেতে পারো। কারণ সেখানে ৩ জনের জন্য একটাই পিসি থাকে। তাই অন্য টিমমেট পিসিতে কোড করতে থাকলে তোমাকে হয়ত খাতাতেই কোড লিখে রাখতে হতে পারে। কোড লিখে বিভিন্ন ইনপুটের জন্য কাগজেই ডিবাগ করার অভ্যাস গড়ে তুলো।

নিয়মিত কনটেস্টে অংশগ্রহণ

তুমি হয়ত বাসায় বসে ধীরেসুস্থ্যে বেশ ভাল প্রবলেম সলভ বা কোড করতে পার। কিন্তু কনটেস্টের সময়ে? বাসায় সলভ করার সময় কিন্তু নির্দিষ্ট সময় শেষ হয়ে যাবার চিন্তা থাকে না। সেই প্রেশারটা থাকে না যেটা কনটেস্ট টাইমে থাকে। তাই স্ট্রেসের মধ্যে থেকে, প্রেশারের মধ্যে থেকে কিভাবে কার্য সমাধা করতে হয় সেটায় অভ্যস্ত হবার জন্যেও যত বেশি সম্ভব কনটেস্টে অংশ নেয়া উচিত।

আর বেশি বেশি কনটেস্ট করলেই সে সময়ে করণীয় বা কী ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হবে সে ব্যাপারে আইডিয়া হয়ে যাবে। যেমন ৫ ঘন্টার কনটেস্টের শেষ ঘন্টায় এসে একটা নতুন প্রবলেম শুরু করা সম্ভবত ভাল সিদ্ধান্ত না। যখন তোমার সাবমিট করা unsolved ২-৩ টা প্রবলেম রয়েছে। নতুন প্রবলেম শুরু করব কি করব না, কোন একটার পিছনে আর সময় দেয়া উচিত হবে কি হবে না? এই সিদ্ধান্তগুলো নেয়া সহজ হয় বেশি বেশি কনটেস্টে অংশ নিলে। এছাড়া বর্তমানে দেশে বিদেশে সব খানে প্রোগ্রামিং কনটেস্টে হয়। চাইলে আমরা এই কনটেস্ট গুলোতে Attend করতে পারি।

মোটিভেশন (প্রেরণা)

প্রোগ্রামিং কনটেস্ট তোমার প্রোগ্রামিং এর স্কিলকে ব্যাপক ভাবে বাড়িয়ে দিবে। তুমি চিন্তা করতে পারবা না যে একেকটা কনটেস্টের পর তোমার স্কিলটা কতখানি পুশ হয়! হ্যাঁ তোমাকে অনেকেই বলবে যে রিয়েল লাইফে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের জন্য এসব প্রবলেম সলভিং এর দরকার হয় না। আসলেই তাই! তুমি খুব বেশি ভাগ্যবান হলে হয়ত তোমার কোম্পানীর কোন প্রোজেক্টে ৫-১০% কাজে তোমার শেখা ডেটা স্ট্রাকচার-অ্যালগরিদম ইমপ্লিমেন্ট করতে পারবা। বা তোমার কনটেস্টের স্কিল কাজে লাগাতে পারবা।

কারণ কন্টেস্ট এরিয়াটা রিয়েল ওয়ার্ল্ডের চেয়ে ভিন্ন। কিন্তু কনটেস্ট করলে তোমার দক্ষতা যতটা বাড়বে তা অন্যান্য উপায়ে অর্জন করা কঠিন। একটা জিনিস চিন্তা করো, ছোট বেলায় আমাদেরকে গণিত শেখানো হয়। তার মানে কি আমাদের সবাইকে গণিতবিদ হতে হবে? আমাদেরকে কবিতা পড়ানো হয়, রচনা লিখা শেখানো হয়। তাই বলে আমরা সবাই কি লেখক হব? গণিত শেখানো হয় যেন ব্যক্তি জীবনে হিসাব নিকাশ করতে পারি না কোন একটা বিষয়ে ভাল অ্যানালাইসিস করতে পারি। লেখালেখি শেখানোর কারণ হচ্ছে যেন তুমি যে কোন বিষয়ে তোমার মনের ভাব সুন্দর ভাবে প্রকাশ করতে পারো। প্রোগ্রামিং কনটেস্টটাও ঠিক তেমন। তোমার ভবিষ্যতের ভীতটা গড়তে সাহায্য করবে।

কনটেস্ট তুমি তখনই করতে পারবা যখন এটাকে একটা খেলা হিসেবে নিবা। ছোট বেলায় বিকালে ক্রিকেট খেলতে বের হয়ে খেলার সময় বা খেলার পর যেই আনন্দ পেয়েছিলে, সেটা যদি এখানেও পাও তাহলে কনটেস্ট তোমার জন্যেই! কিন্তু তা না হয়ে যদি চিন্তা কর “অমুক ভাই কনটেস্ট করে এখন অমুক জায়গায় বড় জব করে। আমিও কনটেস্ট করবো” তাহলে মনে হয় না খুব বেশি দূর আগানো সম্ভব। কনটেস্ট ছাড়াও অনেক ভাল প্রোগ্রামার আছেন। অনেক বড় বড় প্রোগ্রামার আছেন যারা কনটেস্ট এর ব্যাপারে আগ্রহী না। যদি তোমার আগ্রহ না থাকে তাহলে জোর করার দরকার নাই। তো আজকের ব্লগটি এতটুকুই। Best Wishes For Future Programmers.

So, আজকের ব্লগটি কেমন হয়েছে তা কমেন্ট-এ বলতে ভুলবেন না। আর যদি ব্লগ টি ভালো লাগে তাহলে আপনার বন্দুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।


ধন্যবাদ সবাইকে,

Mohammad Jubair.

IT Officer,

Codex Devware.

প্রোগ্রামিং করে লাখ লাখ টাকা ইনকাম

প্রোগ্রামিং করে লাখ লাখ টাকা ইনকাম

-আচ্ছা অনেক তো জানলাম প্রোগ্রামিং কি, কিভাবে কাজ করে, কেন প্রোগ্রামিং শিখব? ইত্যাদি ইত্যাদি। যদি আপনারা প্রোগ্রামিং নিয়ে নতুন বা কিছু জানেন না তাহলে আমাদের ওয়েবসাইট ব্লগ পোস্ট করা আছে চাইলে দেখে আসতে পারবেন। প্রোগ্রামিং নিয়ে সকল খুঁটিনাটি A to Z  বভ বিস্তারিত আমাদের ওয়েবসাইটে পাবলিশ করা আছে। চাইলে হালকা পড়ে আসতে পারেন। আচ্ছা ওকে, আজকের ব্লগে আমরা জানব কিভাবে প্রোগ্রামিং করে ইনকাম করতে হয় ইত্যাদি।

-তো শুরু করা যাক-

  • Contest & Challenge:

আপনি যে প্রোগ্রামিং ভাষায় পারদর্শী বা আপনি যেই ভাষায় পারেন আপনাকে আগে বেসিক বিষয়গুলো জানতে হবে। এবং সেই বিষয়গুলো নিয়ে বিভিন্ন প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার চেষ্টা করতে হবে। এখন বিভিন্ন সাইটে বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রামিং সমস্যার সমাধান  রিলেটেড ইভেন্ট বা কন্টেস্ট  থাকে। আপনি সেই ইভেন্টগুলোতে চাইলেই জয়েন করতে পারেন।  ফলাফল যাই হোক না কেন আপনাকে সাহস করে প্রোগ্রামিং  প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে হবে। প্রথম দিকে হয়তো বা তেমন ভালো ফলাফল পাবেন না কিন্তু আস্তে আস্তে এটি অনেক অনেক হেল্প করে।  সফল না হলেও এটলিস্ট কিছু বিষয়ের সম্পর্ক অবশ্যই আপনি শিখতে পারবেন।  বর্তমানে অনেক সাইটেই এই প্রতিযোগিতা অংশগ্রহণ করা যায়।  যেমন:  Hacker Rank, Codwars ইত্যাদি।  সাইটগুলোতে নিয়মিতই প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা চলে।  আপনি জেনে সেখানেও প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে দেখতে পারেন আপনার স্কিল কতটুকু এবং আপনি কতটুকু সমস্যার সমাধান করতে পারেন। তা আপনি জানতে পারবেন।

  • E-Book Sell:

আপনি যদি কোনো প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ-র উপর এক্সপার্ট হন তাহলে, বিভিন্ন প্লাটফর্মে এইটি বিক্রি করতে পারেন। নতুন ও পুরোনো, সকল ধরনের প্রোগ্রামারের এই ধরনের বই বিভিন্ন প্রয়োজনে দরকার পড়ে। যেহেতু আপনি ডিজিটাল প্রোডাক্ট সেল করতেছেন সেহেতু এটি অনেকটা বুদ্ধিমানের কাজ। এমনকি অ্যামাজন এর মত ওয়েবসাইটে ই-বুক বিক্রি করতে পারেন। E-Book র চাহিদা দিন দিন বাড়তেছে।


  • Freelancing: আমরা মোটামুটি অনেকই শুনছি ফ্রিল্যান্সিং কি? কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা কামাতে হয় ইত্যাদি। ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে আমাদের ওয়েবসাইটে খুব শিঘ্রই ব্লগ আসতেছে তো চোখ রাখুন আমাদের ওয়েবসাইটে। এখন অনলাইনের যুগ সবকিছু এখন আমাদের হাতের মুঠে । সবকিছু চাইলে আমরা করতে পারতেছি। বর্তমানে Upwork, Freelancer.com, Fiverr এর মত ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মগুলোতে প্রোগ্রামিং সম্পর্কিত অসংখ্য ধরনের ফ্রিল্যান্সিং জব রয়েছে। যা আপনি যদি Skillful হলে আপনি কাজ করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মগুলোতে নিয়মিত আয় করা যায় এমন জবও পাওয়া যায়। স্থানীয়ভাবে প্রোগ্রামিং এর বর্তমানে অনেক কাজ পাওয়া যায়। প্রথমত, আপনি চাইলে সোস্যাল মিডিয়াকে কাজে লাগাতে পারেন, যেমন: ফেইসবুক, লিংকডন, ইন্সটাগ্রাম ইত্যাদি র মত প্ল্যাটফর্মে নেটওয়ার্কিং এর মাধ্যমে কাজ পেতে পারেন।  অথবা আপনি চাইলে ডেডিকেটেড ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মে গিগ তৈরী করে কাজ পেতে পারেন। So It’s Defends Up to you.


  • Teaching Others People:

    নিজে যখন কোনো অন্যজনকে শেখাবেন তখন নিজে যেই টপিকগুলো পারেন না ঐ টপিকগুলো আরো অনেক ক্লিয়ার হবে।     আর আপনি যদি একজন অভিজ্ঞ প্রোগ্রামার হোন তবে অন্যদের শেখানো হতে পারে আয়ের একটি মাধ্যম হতে পারে।

এছাড়া বিভিন্ন Edtech Platform যেমনঃ Udemy, CourseSera, ইত্যাদি জায়াগায় কোর্স বিক্রি করতে পারেন। আর এই প্ল্যাটফর্মে যেকেউ ফ্রিতে একাউন্ট খুলে অন্যদের শিখিয়ে, কোর্স তৈরী করে ও তা সেল করে আয় করতে পারে। আবার চাইলে ইউটিউব এর মত প্ল্যাটফর্মেও অন্যদের শিখিয়ে আয়ের পাশাপাশি নিজের পরিচিতি বৃদ্ধি করা সম্ভব। এছাড়াও বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন Ed-tech Training Center এ ক্লাস নিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারেন চাইলে।


  • Make Apps:

    প্রোগ্রামিং করে এপ্স বানিয়ে এখন লাখ লাখ টাকা কামানো যায়। বিভিন্ন রকমের সার্ভিস এপ্স আছে বর্তমানে এগুলোর মতো চাইলে আপনি এপ্স বানিয়ে লাখ লাখ টাকা কামাতে পারেন। শুরুতে ফ্রি ট্রায়াল এর মাধ্যমে শুরু করতে পারেন, যেখানে সেবা পছন্দ হলে গ্রাহকরা কিনে নিবে। ডেভলপার হিসেবে কাজ হলো গুরুত্বপূর্ণ টুল তৈরী করা, আপনার কাজ যথেষ্ট প্রয়োজনীয় হলে তা নিজ থেকে বিভিন্ন এন্টারপ্রাইজ চ্যানেলের মাধ্যমে আয়ের পথ খুলে দিবে। এইটা মনে রাখতে হবে একজন ডেভেলপার একজন সফটওয়্যার হতে পারে।


  • Blogging :

    আপনি চাইলে প্রোগ্রামিং-র পাশাপাশি বিভিন্ন লেখালেখি করতে পারেন চাইলে। এটার সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে ব্লগিং। তাহলে ব্লগিং হতে পারে প্রোগ্রামিং এর মাধ্যমে পরোক্ষভাবে আয়ের একটি উপায়।  চাইলে কোনো টুল তৈরী করার গল্প নিয়ে ব্লগ লিখতে পারেন। আবার অন্যদের টিউটোরিয়ালের মাধ্যমে প্রোগ্রামিংয়ে দক্ষ হয়ে উঠতে সাহায্য করতে পারেন। এছাড়া আপনি চাইলে ব্লগ গুলো মনিটাইজ করে অনেক অনেক টাকা ইনকাম করতে পারেন।


So, সময়কে কাজে লাগান ইনশাআল্লাহ ভালো কিছু হবে। আজকের ব্লগ এতটুকুই যদি আজকের ব্লগটি আপনার কাছে ভালো লাগে থাকে তাহলে আপনার বন্ধু-বান্ধদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না । ভালো থাকবেন সবাই কথা হবে আবার কোনো একটা ব্লগে।


Mohammad Jubair,

IT Officer, Codex Devware.

This Blog Edited By Sourov Dey

-ক্যারিয়ার টিপস এন্ড গাইডলাইন ফর প্রোগ্রামিং-

-ক্যারিয়ার টিপস এন্ড গাইডলাইন ফর প্রোগ্রামিং-

-Hello Everyone! আসসালামু আলাইকুম সবাইকে,যে যেখান থেকে পড়তেছেন আশা করি সবাই ভালো আছেন। উপরের টাইটেল-টি দেখে বুঝতে পারছেন আজকের Topic কি? হ্যাঁ, আজকে আমরা প্রোগ্রামিং ক্যারিয়ার গড়তে কিছু টিপস বলব যা আপনাকে কাজে দিবে সে সম্পর্কে কথা বলব।  আমরা প্রোগ্রামের সকলে করতে চাই কিন্তু কয়জনে সফল হই?  সে প্রশ্নটা  সব সময় থেকেই যায়। আজকে সেই বিষয়ে আপনাদের পাঁচটি টিপস শেয়ার করব ইনশাআল্লাহ।

তো  চলুন শুরু করা যাক :

-First Of All

আচ্ছা ধরেন আমি ধরে নিলাম, আপনি প্রোগ্রামিং নিয়ে হালকা পাতলা জানেন। প্রোগ্রামিং কি কেন কিভাবে ইত্যাদি। অথবা, আপনি প্রোগ্রামিং নিয়ে কিছু না জানেন তাহলে আমদের ওয়েবসাইট এ একটা ব্লগ আছে এই টা পড়তে পারেন।  So আজকে আমরা Programming Career নিয়ে কিছু জিনিস জানব- তো খাতা কলম নিয়ে বসে পড়ুন চলুন শুরু করা যাক-


১। বিভিন্ন প্রোগ্রামিং কন্টেস্ট-এ অংশগ্রহন করা।

আপনি যে প্রোগ্রামিং ভাষায় পারদর্শী বা আপনি যেই ভাষায় পারেন আপনাকে আগে বেসিক বিষয়গুলো জানতে হবে। এবং সেই বিষয়গুলো নিয়ে বিভিন্ন প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার চেষ্টা করতে হবে। এখন বিভিন্ন সাইটে বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রামিং সমস্যার সমাধান  রিলেটেড ইভেন্ট বা কন্টেস্ট  থাকে। আপনি সেই ইভেন্টগুলোতে চাইলেই জয়েন করতে পারেন।  ফলাফল যাই হোক না কেন আপনাকে সাহস করে প্রোগ্রামিং  প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে হবে। প্রথম দিকে হয়তো বা তেমন ভালো ফলাফল পাবেন না কিন্তু আস্তে আস্তে এটি অনেক অনেক হেল্প করে।  সফল না হলেও এটলিস্ট কিছু বিষয়ের সম্পর্ক অবশ্যই আপনি শিখতে পারবেন।  বর্তমানে অনেক সাইটেই এই প্রতিযোগিতা অংশগ্রহণ করা যায়।  যেমন:  হ্যাকার রেঙ্ক, কোড ওয়ার্‌স ইত্যাদি।  সাইটগুলোতে নিয়মিতই প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা চলে।  আপনি জেনে সেখানেও প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে দেখতে পারেন আপনার স্কিল কতটুকু এবং আপনি কতটুকু সমস্যার সমাধান করতে পারেন। তা আপনি জানতে পারবেন।

২. প্রতিনিয়ত কোড প্রাক্টিস-র মধ্যে থাকা:

প্রোগ্রামিং বিষয়টা মুখস্ত করার কোনো বিষয় নয়।  আপনি প্রোগ্রামিং যত করবে আপনার দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে।  তাই দক্ষতা বৃদ্ধি কে কি আপনাকে প্রতিনিয়ত চর্চার মধ্যে থাকতে হবে।  আপনি যত বেশি চর্চা করবেন আপনার দক্ষতা তত বেশি হবে।  আজকে একদিন প্রোগ্রামিং করলাম তো তিনদিন চললাম না এরকম হলে আপনি কখনোই ভালো প্রোগ্রামিং ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন না। আপনি যদি প্রোগ্রাম আর সত্যিই হতে চান তবে আপনাকে কিছু ডেডিকেটেড সময় ব্যয় করতে হবে এর পিছনে। সেটা হতে পারে প্রতিদিন ২ – ৩  অথবা ১ – ২  ঘন্টা।  কিন্তু মূল থিম হচ্ছে আপনাকে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় প্রোগ্রামের পেছনে ব্যয় করতে হবে।  অনেকে প্রোগ্রামিং শিখে হতাশ হয়ে যায় যে সে কাজ পায়না।  আপনাকে প্রথম সর্বপ্রথম সেই চিন্তা থেকেই বেরিয়ে আসতে হবে।  আপনি কাজ পাওয়া না পাওয়া বড় কথা না আপনি যখন চর্চায় নিয়মিত থাকবেন যখন অনেকগুলো প্রজেক্ট করবেন তখন দেখবেন এমনি আপনার  সিভি টা ভারী হয়ে। সুতারাং আপনি যেখানে থাকেন কোড অবশ্য চর্চায় রাখতে হবে।

৩. প্রোগ্রামিং নিয়ে  ব্লগ লেখা : 

যদিও কথাটা শুনতে কেমন যেনো অকোয়ার্ড লাগলেও  এ জিনিসটা সত্যিই খুবই খুবই  কাজের।  কেননা দেখুন প্রোগ্রামিং বিষয়টা মুখস্ত করার বিষয় না আপনি এটাকে নিয়ে যত বেশি কাজ করবেন আপনি তত বেশি দক্ষ হয়ে উঠবেন। এখন আপনি যে বিষয় গুলো জানেন যে বিষয়গুলো নিত্য নতুন শিখছে সেগুলো যদি আপনি ব্লগ আকারে কোন একটি সাইডে রেখে দেন তখন অবশ্য সেটা আপনার জন্য প্লাস পয়েন্ট এবং নতুন যাচ্ছে তাদের জন্যও বটে একটা প্লাস পয়েন্ট হবে। So, যারা প্রোগ্রামিং নিয়ে কিছু করতে চাচ্ছেন তাদের জন্য অত্যন্ত ভালো একটা জিনিস। যেমন আপনি যখন এই লেখাগুলো লিখে রাখছেন তখন আপনি আপনার প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারছেন পাশাপাশি আপনি অন্য কেও সহায়তা করতে পারছেন।  অর্থাৎ এক প্রকার সেগুলো কি আপনি নোট করে রাখতেছেন।

৪. ওয়েব সাইট বা প্রজেক্ট তৈরী করা :

ওয়েব সাইট বা প্রজেক্ট আবার বা সহজ বাংলায় যদি বলি আপনি নিজে একটা নিজের  পোর্টফোলিও (Portfolio ওয়েবসাইট তৈরী করে রাখলে ভালো। যা আপনার অনেক অনেক কাজে দিবে। বলাতো যায়না কখন আপনার কাজ দেখতে কেউ চাইতে পারে।  তখন আপনি সহজেই  আপনার  পোর্টফোলিও (Portfolio)  দিয়ে দিতে পারেন।  এতে করে আপনি যখন নিয়মিত প্র্যাকটিস এর উপর থাকবেন পাশাপাশি সেটা আপনার স্ত্রীর মতোই কাজ করবে।  আগেই বলেছি আপনার যত চর্চা বা প্রাক্টিস করতে  হবে। আপনি তত বেশি দক্ষ হয়ে উঠবেন।  তাই একজন প্রোগ্রামার হিসেবে আপনাকে অবশ্যই একটা  পোর্টফোলিও (Portfolio) তৈরি করে রাখা প্রয়োজন। তাই  আপনি যা কিছু করবেন তা একটি প্রজেক্ট আকারে রাখতে হবে। যেন সুন্দর লাগে দেখে।

৫. আপনি যা যা শিখছেন তা সঠিকভাবে প্রয়োগ :

দিনশেষে আপনি অনেক কিছু পারেন কিন্তু এটির সঠিক ব্যবহার না জানলে এটী কিছু-ই না। So, আপনাকে আগে জানতে হবে এটি কোথায় ব্যবহার করবেন।

আমাদের অনেকের ভেতর একটা অনীহা কাজ করে যখন কোন একটি বিষয় শেখার পর সেই নিয়ে কাজ করতে পারে না।  আপনাকে সেই চিন্তা ধারা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।  আপনি যখন যেকোনো একটি ভাষা শিখলেন তখন সে ভাষায় বিভিন্ন প্রজেক্ট করার চেষ্টা করুন । এতে করে  আপনি অনেক ভাবে লাভবান হবেন।  এক,  প্রোগ্রামিং ইন্টারভিউর ক্ষেত্রে কিন্তু  যারা ইন্টারভিউ নিবে তারা আপনার কাছ থেকে সবগুলো ল্যাঙ্গুয়েজ সম্পর্কে জানতে চাইবেন না।  তারা যে কোন একটি বিশেষ ল্যাঙ্গুয়েজ এর সম্পর্কে জানতে চাইবে অথবা জিজ্ঞেস করবে আপনি কোন ভাষায় পারদর্শী।  তখন আপনার ওই নির্দিষ্ট ভাষায় অর্জিত জ্ঞান কাজে দিবে।  তাই যে প্রোগ্রামিং ভাষা শিখবেন সেটাকে ভালো করে প্রকাশ করে শিখবেন এবং  সেই সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রজেক্ট করার চেষ্টা করবেন। যেমন আপনি যদি JAVA বা Python নিয়ে কাজ করেন তা নিয়ে একটা প্রজেক্ট বানানো সেইটা যেই কোনোকিছু-ই হতে পারে। So, সময়কে কাজে লাগান ইনশাআল্লাহ ভালো কিছু হবে।

Thanks To Everyone

This Blog Edited By Sourov Dey

Game Development Guideline

Game Development Guideline

গেম খেলতে আমরা কে না পছন্দ করি! আপনি কি জানেন, এই গেম ডেভেলপমেন্ট কত বড় ইন্ডাস্ট্রি? এখানে অসংখ্য মানুষ কাজ করছেন এবং অনেক পরিমাণে অর্থ রোজগার করছেন। So, আজকের ব্লগ হলো, গেম কি জিনিস? গেম ডেভেলপ করে কি করে ? এবং কি কেন কিভাবে? আজকের গেম ডেভেলপমেন্ট গাইডলাইন ব্লগ টি দুইটা পার্ট পাবলিশ হবে- তো চোখ রাখুন আমাদের ওয়েবসাইটে। শুরু করা যাক—


-আপনি যদি গেম খেলতে পছন্দ করেন বা গেম কিভাবে তৈরি করার জন্য, আপনার মনে ইচ্ছা থাকে তবে এই ব্লগটি আপনাকে অনেকটা সাহায্য করবে। আপনি এই ব্লগ এর মাধ্যমে জানতে পারবেন কিভাবে আপনি একজন সম্পূর্ণ গেম ডেভলপার হয়ে উঠতে পারবেন। এবং কিভাবে কি করা যায়-?

-আমদের শিখতে হলে যেগুলো জানা লাগবে-

গেম ডেভেলপমেন্ট এর সাথে যেহেতু কিছুটা গ্রাফিক্সের কাজ এবং প্রোগ্রামিং এর কাজ জড়িত সেহেতু একটু ভালো মানের কম্পিউটার আমাদের এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন হবে। তবে এমন কোনো বড়লোক ওয়ালা পিসি লাগবে না। আসলে এমন একটি কম্পিউটার প্রয়োজন হবে যেটি মর্ডান যেসব সফটওয়্যার সাপোর্ট করে । যেহেতু গ্রাফিক্সের বেশ কিছু কাজ আমাদেরকে এক্ষেত্রে করতে হবে সে ক্ষেত্রে একটি গ্রাফিক্স কার্ড যদি আপনার কম্পিউটারে যুক্ত থাকে তবে অনেক ক্ষেত্রে আপনি কাজগুলোকে খুব তাড়াতাড়ি করতে পারবেন।-

-আপনার যা কিছু শিখতে হবে ?-

গেম ডেভলপার হতে গেলে অবশ্যই আপনাকে বেশ কিছু জিনিস শিখতে হবে এবং প্রচুর প্র্যাকটিস করতে হবে। নিচে আপনাদেরকে যে সকল জিনিস শিখতে হতে পারে তার একটি লিস্ট নিম্নে দিয়ে দিয়ে দিব-

Game Engine শিখতে হবে-?

প্রশ্ন আসে Game Engine জিনিস টা কি? গেম ইঞ্জিন হচ্ছে একটি সফটওয়্যার ফ্রেমওয়ার্ক, যেটির মধ্যে মূলত গেম ডেভলপমেন্ট করার সবকিছুই একপ্রকার ব্যবহার হয়ে দেওয়া থাকে। একজন গেম ডেভলপার খুব সহজেই গেম ইঞ্জিনকে ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করতে পারবেন, যেমন: একটি ক্যারেক্টর তৈরী করা, ক্যারেক্টার এর বিভিন্ন বিষয়কে ঠিক করে দেওয়া এবং বিভিন্ন গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস তৈরি করা ইত্যাদি। থেকে শুরু করে আরো অনেক কিছু গেম ইঞ্জিনের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে। মূলত গেম ডেভলপমেন্ট করার জন্য আমাদের সবার আগে এবং সবথেকে জোর দিয়ে মূলত গেম ইঞ্জিন শিখতে হবে।

-আপনার প্রোগ্রামিং শিখতে হবে-

প্রোগ্রামিং কি, কেন, কিভাবে সব কিছু বিস্তারিত দেওয়া আছে আমাদের একটি ব্লগে। ——– এই লিংকে গিয়ে যেনে আসুন । তাও একটু হালকা করে বলি।

সাধারণভাবে গেইম ইঞ্জিন দিয়ে আপনি খুব সহজেই একটি গেম তৈরি করতে পারবেন। কিন্তু গেমের বিভিন্ন সাধারণ বিষয় রয়েছে অর্থাৎ একটি ক্যারেক্টার নাড়াচাড়া করা বা কোন একটি ক্যারেক্টার কে কিল করলে একটি পয়েন্ট যোগ করা এবং ক্যারেক্টার কিভাবে নড়াচড়া করবে এসব বিষয়কে ঠিক করার জন্য অবশ্যই আমাদের প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের প্রয়োজন হবে। সাধারণভাবে কোনো একটা জিনিসকে তৈরি করতে চান তবে অবশ্যই আপনাকে প্রোগ্রামিং ভাষা জানতে হবে।

এই মুহূর্তে অনেকগুলো প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের মাধ্যমে আপনি গেম ডেভেলপমেন্ট করতে পারবেন। তবে এমন একটি প্রোগ্রামিং ভাষাকে ব্যবহার করা উচিত যেটা বিষয়ক সকল সমস্যার সমাধানে আমরা ইন্টারনেটে খুঁজে পেতে পারি এবং যেটা ব্যবহারের সহজ হয় এছাড়াও ডিভাইস যাতে খুব কম পাওয়ার ব্যবহার করে কাজ করতে পারে। এ সকল দিক বিবেচনা করলে C++ সবথেকে বেস্ট ল্যাঙ্গুয়েজ গেম ডেভেলপমেন্ট এর জন্য।- এছাড়াও আরও অনেক প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে আমরা গেম ডেভেলপমেন্ট করতে পারি। যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে Java, Python, Kotlin, Swift ইত্যাদি ।

-সার্ভার সাইড কাজ শিখতে হবে-

আপনি যদি একটি মাল্টিপ্লেয়ার গেম তৈরি করতে চান সেই ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে server-side কাজ শিখতে হবে। বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন প্লেয়ার খেলবে তাদের ডাটাগুলোকে এক জায়গায় সংরক্ষণ করতে হবে এবং বিভিন্ন স্থানের প্লেয়ারদেরকে দেখাতে হবে।

বিগেনারদের জন্য সবথেকে সহজ এবং ভালো মাধ্যমটি হচ্ছে হচ্ছে Firebase। এর মাধ্যমে আমরা খুব সহজেই বিভিন্ন মাল্টিপ্লেয়ার গেম তৈরি করতে পারব এবং বিভিন্ন ইউজারদেরকে একসাথে কানেক্ট করতে পারব। এছাড়াও Firebase এ রয়েছে ইউজারদের অথেন্টিকেশন থেকে শুরু করে আরো অনেক কাজ সম্পন্ন করার জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা।–

তো আজকের ব্লগ এত টুকু-ই, গেম ডেভেলপমেন্ট করে কিভাবে আয় করতে হয়? এবং গেম ডেভেলপমেন্ট-র আরো বিস্তারিত ব্লগ So, চোখ রাখুন আমদের Website-

This Blog Edited By Sourov Dey

What is Dropshipping

What is Dropshipping

ড্রপ শিপিং কি?

ড্রপ শিপিং হলো কোনো সুনামধন্য প্রতিষ্ঠান অথবা যেকোন বিশ্বাসযোগ্য ই-কমার্স ওয়েবসাইটের পণ্য আপনার ই-কমার্স ওয়েবসাইটে প্রচার করে বিক্রয় করাকে ড্রপ শিপিং বলা হয়ে থাকে। ড্রপ শিপিং এর জন্য আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকা বাধ্যতামূলক বটে।

আপনি কোনো একটা ই-কমার্স ওয়েবসাইট ( যেমন- আলিবাবা, আলী এক্সপ্রেস বা অ্যামাজন ) এমন যে কোনো একটি ই-কমার্স সাইটের পণ্য আপনার ওয়েবসাইটে দেখিয়ে বিক্রি করে দিলেন। কাস্টমার কিন্তু আপনার কাছ থেকে পণ্য কিনলো এবং আপনাকে পেমেন্ট করবে। আপনি তার সেই পণ্যের অর্ডারটি অন্য কোনো সাইট এ অর্ডারটি সাবমিট করে দিলেন। ওই সাইড থেকে পণ্য আপনার ই-কমার্স ওয়েবসাইটিতে আপনাকে দেয়া ক্রেতার নাম ও ঠিকানা অনুযায়ী ঐ পণ্যটি পৌঁছে দিলেন। তবে সেক্ষেত্রে অবশ্যই বলে দিতে হবে যে, ওই মাদার ওয়েবসাইট যেন কোনো রকম নিজেস্ব প্যাকেট ব্যবহার না করে। মূলত এটিই ড্রপ শিপিং।

মাঝখান থেকে আপনি কিছু প্রফিট করলেন। তবে লক্ষনীয় বিষয় হলো আপনি যেসকল সাইটের পণ্য নির্বাচন করবেন সেগুলোর দাম এবং পণ্যের মান আপনাকে ভালোভাবে আগে থেকেই যাচাই করে নিতে হবে। ক্রেতারা আপনার ওয়েবসাইট থেকে প্রোডাক্ট কিনবে কারণ সে আপনাকে বিশ্বাস করছে। তাই আপনাকে বিশ্বাস অর্জনের জন্য পণ্যের মূল্যের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। ড্রপ শিপিং অনেকটা দালালি ব্যবসার মতই। আপনি অন্য কোন একটি ওয়েবসাইটের পণ্য কাস্টমারের কাছে বিক্রি করে কিছু প্রফিট তুলে নিলেন, এখানে আপনাকে বিনিয়োগ বলতে শুধু আপনার একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট মাত্র। মূলত পণ্য আপনাকে কিনতে হচ্ছে না ৷ উদাহরণস্বরূপ : একজন জমির দালাল জমি দেখিয়ে বিক্রি করে দিয়ে লাভ করে থাকে, ড্রপশিপিং অনেকটা তেমনি। মোট কথা হলো- অন্যের ই-কমার্স ওয়েবসাইটের পণ্য আপনার নিজের ই-কমার্স ওয়েবসাইটে প্রদশর্ন করবেন। এখানে শুধু পণ্যটির আসল দাম যা তা থেকে মানানসই ভাবে একটু দাম বেশি করে আপনার ওয়েবসাইটে প্রদর্শন করতে হবে। অতিরিক্ত দামটুকুই আপনার লাভ। এজন্য আপনাকে ভালো মতো ওয়েবসাইট ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।

সোজা বাংলা ভাষায় ড্রপ শিপিং কি ?

একদম সহজভাবে বলতে গেলে, আপনার নিজের স্টোরে কোন প্রোডাক্টের তথ্য রাখবেন এরপর ক্রেতা গণ আপনার স্টোরে প্রবেশ করে সেই পণ্যটি ক্রয় করতে অর্ডার করল এবার আপনি একজন সরবরাহকারীর নিকট থেকে উক্ত পন্যটি কিনে তা আপনার ক্রেতার নিকট পাঠিয়ে দিলেন এই প্রক্রিয়াটাই আসলে ড্রপশিপিং। এবার আসি মুনাফার কথায়, ধরুন পন্যটি আপনার স্টোরে আপনি $২০ বিক্রয় করতে চাচ্ছেন কিন্তু পণ্যটির আসল দাম $১৫ এবং ক্রেতা $২০ দামেই পণ্যটি কিনবে আপনার স্টোর থেকে তাহলে আপনার মুনাফা কত হলো? হ্যাঁ $৫, এটাই আপনার মুনাফা । আশা করি, ড্রপ শিপিং ব্যাপারটা আপনার বুঝে এসেছে ৷ 

আজকের ব্লগ এতটুকুই আগামী ব্লগে ড্রপ শিপিং নিয়ে আরো ব্লগ আসবে ইনশাআল্লাহ


-বিগত ব্লগে আমরা জেনেছি Dropshipping জিনিস টা কি? কিভাবে কাজ করে ইত্যাদি। So, আজকে আমরা  জানব, Dropshipping করে কিভাবে ইনকাম করতে হয়, এবং এটার সুবিধা-অসুবিধা A to Z ।  যারা ঐ ব্লগটি পড়েন নাই তারা——–এই লিংকে গিয়ে পড়ে আসুন।

তো শুরু করা যাক-

সুবিধাসমূহ: –

১. শুরু করা অত্যন্ত সহজ :

ড্রপ শিপিংয়ে আপনাকে পণ্য কিনে স্টক করে রাখার জন্য কোনো টাকা খরচ করতে হয় না। তাই, শুধু হোস্টিং, ডোমেইন এবং ওয়েব ডেভেলপ করতে যে খরচ করতে হয় তা করলেই হয় ৷ অতিরিক্ত আর কোনো ব্যয় নেই ৷ ফলে আপনার ব্যবসায় মুনাফা কমার ঝুঁকি কম

২. স্বল্প মূলধন প্রয়োজন :

ড্রপ শিপিংয়ের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো কয়েক লক্ষ টাকা বিনিয়োগ না করেই একটি ই-কমার্স সাইট চালু করা যায়। স্বাভাবিক ভাবেই খুচরা বিক্রেতাদের বিপুল পরিমাণ মূলধন পণ্য কিনে স্টক করে রাখতে খরচ করতে হয়। ড্রপ শিপিংয়ে আপনার কোন পণ্য বিক্রি না হওয়া পর্যন্ত, নতুন কোনো পন্য কিনতে হয় না ৷ ক্রেতাদের টাকা দিয়েই পণ্যের দাম পরিশোধ করতে পারবেন

৩. ন্যূনতম ঝুঁকি :

একটি ড্রপ শিপিং ই-কমার্স ওয়েবসাইট বিনামূল্যে শুরু করা যেতে পারে। কেবলমাত্র একটি ডোমেন এবং ভালো হোস্টিং নিতে হবে ৷ নতুবা ব্যবসা হারিয়ে যেতে পারে, পরে ব্যবসায়টি আর সম্প্রসারণ করা সম্ভব নয় ৷ আবার আপনি যদি লাভ করতে সক্ষম না হন, তবে আপনি সহজেই কোনো ঝুঁকি ছাড়াই ফিরে আসতে পারবেন।

৪. সরবরাহকারী এবং ড্রপশিপিং সাইটের সুবিধা :

ড্রপশিপারকে পণ্য পরিবহণ এবং প্যাকেজিং সম্পর্কে চিন্তা করতে হয় না ৷ সরবরাহকারী পণ্য বিপণন এবং প্রচার উভয়ই করে থাকে ৷ ড্রপ শিপাররা একবারে একাধিক পাইকারদের সাথে কাজ করতে পারে।

৫. মাথা কম খাটানো লাগে :

যেহেতু আপনাকে মাল কেনা কিংবা গুদাম পরিচালনা করার দরকার নেই, সেহেতু আপনার মাথা খাটানো লাগবে না বেশি । প্রকৃতপক্ষে, অনেক সফল ড্রপশিপিং স্টোর বাড়ি বা বাসা-ভিত্তিক ব্যবসা হিসাবে পরিচালিত হয়, এটি পরিচালনা করতে একটি ল্যাপটপ হলেই চলে এবং অপারেট করার জন্য কয়েকটি জিনিসের জন্য খরচ করতে হয়।

৬. নমনীয় অবস্থান :

একটি ড্রপ শিপিং ব্যবসায় যেকোনো জায়গায় করা যায় ৷ শুধু ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন ৷ আপনি চাইলে সরবরাহকারী ও ক্রেতা উভয়ের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারবেন এবং ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন

৭. একাধিক পণ্য বিক্রি করা :

যেহেতু পূর্বে আপনাকে কোনো পণ্য অগ্রিম কিনতে হয় না, তাই আপনি যেকোনো পণ্যের অফার দিতে পারবেন ড্রপ শিপিংয়ে ৷ আপনার স্টকে যদিও কোনো পণ্য থাকে সেটাও কিন্তু বিক্রি করতে পারবেন ৷ এজন্য আপনাকে আলাদা করে কোনো খরচ করতে হবে না ৷

৮. যাচাই করা সহজ :

ড্রপশিপিংয়ের মূল সুবিধা হলো, বিপুল পরিমাণে পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে পণ্যগুলি তালিকাভুক্ত করণ এবং সম্ভাব্য ভাবে বিক্রয় করার ক্ষমতা ৷

-তো আমরা Dropshipping-র অনেক সুবিধা নিয়ে জানলাম । এখন Dropshipping-র কিছু অসুবিধা জেনে আসি-

১. তুমুল প্রতিযোগীতা

প্রায় সকল ই-কমার্স ব্যবসাতে রয়েছে ব্যাপক প্রতিযোগীতা ৷ এই কারণে অনলাইন স্টোরের মালিকগণ মানসম্মত সেবা প্রদান করে ব্যবসা দাঁড় করাতে পারে এবং পণ্য কিনতে ক্রেতারা বেশি পছন্দ করে থাকে ৷ অতিরিক্ত প্রতিযোগিতা একজন ড্রপ শিপারের সমস্যা হতে পারে যদি ঐ ব্যক্তি তাদের পণ্য বিপণন সম্পর্কে সতর্ক না হয় ।

২. মুনাফা কম

হ্যাঁ! অধিকাংশ ড্রপ শিপারদের প্রবণতা হলো হাল ছেড়ে দেওয়া কারণ মুনাফা খুব কম ৷ যাই হোক, আপনি যদি এটি আন্তরিকতার সঙ্গে করেন, ড্রপ শিপিং কোনো ক্ষণস্থায়ী ব্যবসায় নয় ৷ এটি সব সময় লেগে থাকা এবং ধীরে ধীরে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠার মতো। আপনি কীভাবে নিম্ন মুনাফার মার্জিনকে বিশাল আকারে পরিণত করবেন তা চিন্তা করুন ৷  আপনি যদি প্রতিদিন ১০ টি পণ্য বিক্রি করে থাকেন তবে  এটি ৫০ স্কেল এ  করুন এবং এতে আপনার লাভের পরিমাণ বেশি হবে।

৩. পণ্যের সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতা

ড্রপশিপিং হলো এমন একটি ব্যবসা যেখানে আপনি এমন কোনো পণ্য বিক্রি করবেন যা আপনি আসলে দেখেন নি। অতএব, পণ্যের ব্যর্থতার সম্ভাবনা বেশি। যখন এটি ঘটে তখন গ্রাহকের কাছে আসল পরিমাণ ফেরত দেওয়া এবং সরবরাহকারীর কাছে পণ্যটি ফিরিয়ে দেওয়ার পুরো দায় আপনার উপর বর্তায়।
তবে এর অর্থ এই নয় যে আপনি আতঙ্কিত হওয়া শুরু করবেন। পরিবর্তে, একটি ৩০ দিনের রিফান্ড নীতিমালা তৈরি করুন যাতে গ্রাহক পণ্যটি (যদি) ক্রয় করে সন্তুষ্ট না হন তবে তা ফিরিয়ে দিতে পারে।

৪. অর্ডার পরিচালনা করা ক্লান্তিকর হতে পারে

বেশিরভাগ ড্রপশিপার তাদের চুল টানবে এমন এক সময় যখন তাদের কোনো পণ্য ভাইরাল হয়। তাদের তখন হাজার হাজার অর্ডার পূরণ করতে হয় এবং অর্ডার পরিচালনা করা একটু কঠিন কাজ হতে পারে। তবে অনেক ড্রপশিপিং প্লাগইন রয়েছে যা আপনাকে সাহায্য করবে।

৫. শিপিং জটিলতা

আপনি যদি একাধিক সরবরাহকারী সাথে কাজ করেন এবং আপনার অনলাইন স্টোরের পণ্যগুলো বিভিন্ন ই-কমার্স এর মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয় তবে এটি আপনার শিপিংয়ের খরচ কে জটিল করে তুলবে।
ধরা যাক যে, কোনো গ্রাহক তিনটি আইটেমের জন্য একটি অর্ডার রাখে, সেগুলি কেবল পৃথক পৃথক সরবরাহকারীদের থেকে পাওয়া যায় ৷ প্রতিটি আইটেম গ্রাহককে প্রেরণের জন্য আপনাকে তিনটি পৃথক শিপিং চার্জ নিতে হবে, তবে গ্রাহককে এই চার্জটি প্রদান করানো বুদ্ধিমানের কাজ নয়। এমনকি যখন এই চার্জগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় তখন এই হিসাবগুলো বজায় রাখা কঠিন হতে পারে।

-এখন আমরা জানব Dropshipping করে কি আসলে-ই ইনকাম করা যায় ?

আপনার ব্যবসা নিবন্ধন করুন :

বর্তমান বাংলাদেশ আইনের অধীনে আপনাকে যে কোনও ব্যবসায় নিবন্ধন করতে হবে। আপনার ব্যবসায়ের নিবন্ধকরণের আরও অনেক উপায় রয়েছে। আমি কীভাবে বাংলাদেশে কোনও ব্যবসা বা সংস্থা নিবন্ধন করতে পারি সে সম্পর্কে আমার ওয়েবসাইটে আপনার জন্য  কিছু নিবন্ধ লিখেছি। আপনি কর্পোরেট বিষয়ক বিভাগের পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে একটি ব্যবসা নিবন্ধন করতে পারেন। আপনার সরাসরি শিপিং ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে নিবন্ধকরণ বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত, তবে বাংলাদেশ এখনও নিবন্ধকরণ কার্যকর করেনি।

২. একটি চলতি অ্যাকাউন্ট খুলুন :

আপনি এখানে অর্থ উপার্জন করতে এসেছেন। সুতরাং, পরবর্তী পদক্ষেপটি হলো বাংলাদেশের যে কোনো ব্যাংকের সাথে একটি চলতি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। কারণ তাদের বিশ্বব্যাপী শাখা এবং ব্যাংকগুলির বিশাল নেটওয়ার্ক রয়েছে। সরবরাহকারীদের কাছে রেমিট্যান্স সরবরাহ করতে পারবেন। এছাড়াও, বিদেশী লেনদেনে একটি খরচ আছে সে দিকে খেয়াল রাখুন। কিছু ব্যাংক রেমিট্যান্সের জন্য বাড়তি ফি চার্জ করে, প্রতি লেনদেনের জন্য ৮০ থেকে শুরু করে এক হাজার টাকা পর্যন্ত।
মনে রাখবেন, এই ব্যয়গুলি আপনার লাভ থেকে বের করে আনতে হবে।

৩. একটি পেপাল অ্যাকাউন্ট খুলুন :

আপনি যদি বাংলাদেশে ড্রপ শিপিংয়ের ব্যবসা শুরু করতে চান তবে আপনাকে একটি পেপাল অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে।
প্রায়ই, বিদেশী সরবরাহকারীরা আপনার আদেশ কৃত পণ্যগুলির জন্য অর্থ দ্রুত গ্রহণ করতে চায়।
এবং কিছু কিছু বিদেশী সরবরাহকারী কেবল পেপালের মাধ্যমে অর্থ প্রদানের জন্য অনুরোধ করবে। পেপাল একটি দ্রুত গ্লোবাল পেমেন্ট গেটওয়ে। সুতরাং, এটি বিশ্বব্যাপী ড্রপশিপিং ব্যবসায়ে খুব জনপ্রিয়। পেপাল অ্যাকাউন্ট খুলতে আপনার জিএসটিআইএন নম্বর এবং অন্যদের মধ্যে কারেন্ট অ্যাকাউন্টের বিশদ প্রয়োজন। পেপাল আপনার আবেদন গ্রহণ করার আগে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং অন্যান্য তথ্য যাচাই করবে। অবশ্যই, পেপাল আপনার একাউন্ট থেকে টাকা কেটে নিতে আপনার অনুমতি চাইবে এবং আপনার ব্যাংক অন্য কাউকে অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করার অনুমতি দেয় না।

So, আমরা আজকের ব্লগে অনেক কিছু যেনে ফেললাম- এই ভাবে আরও Informative ব্লগ, টিপস এন্ড ট্রিক্স পেতে চাইলে চোখ রাখুন আমাদের ওয়েবসাইটে। যদি আজকের ব্লগ টি ভালো লাগে তাহলে আপনার বন্ধু-বান্ধবদের কাছে শেয়ার করতে ভূলবেন না।

This Blog Edited By Sourov Dey

-ধন্যবাদ সবাইকে