সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন(SEO)

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন(SEO)

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন(SEO) হচ্ছে একটা অরগানিক ট্রাফিক জেনারেশন ম্যাথড। গুগলে প্রতিনিয়ত আমরা বিভিন্ন তথ্য খুঁজে থাকি, কোন কিছু লিখে যখন সার্চ করা হয় সেটাকে বলা হয় কিওয়ার্ড, আর এই কিওয়ার্ড লিখে সার্চ করলে অনেক অনেক রেজাল্ট দেখতে পাই। কিন্তু অনেক রেজাল্ট এর মাঝে প্রথম পেজে যেই ১০টি রেজাল্ট দেখায় আমরা কিন্তু ওই রেজাল্ট গুলোই দেখে থাকি।কেউই আমরা দ্বিতীয় বা তৃতীয় পেজে গিয়ে সাইট ভিজিট করিনা।

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান(SEO) বা এসইও মূলত আপনার ওয়েবসাইটি গুগল, ইয়াহু বিং অথবা অন্য কোন সার্চ ইঞ্জিনে অনুসন্ধান ফলাফলগুলি পর্যালোচনা করে থাকে। ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে এসইও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।

আপনি যদি সঠিকভাবে আপনার কন্টেন্ট এর এসইও করতে পারেন, তাহলে যখন কোন ভিজিটর তার কাঙ্ক্ষিত বিষয় নিয়ে গুগল বা অন্য কোন সার্চ ইঞ্জিনে তথ্য সার্চ করবে, আপনার ওয়েবসাইট বা কন্টেন্ট যদি প্রথম দিকে দেখানো হয় তাহলে খুব সহজেই আপনি ফ্রি অডিয়েন্স পাবেন এবং অবশ্যই আপনার বিক্রি বৃদ্ধি পাবে।

কারন বর্তমানে মানুষ কোন পণ্য কেনার আগে গুগল থেকে বা সার্চ ইঞ্জিন থেকে সার্চ দিয়ে আগে বিষয়গুলো নিয়ে রিসার্চ করে দেখে এবং এর পর সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।

এজন্য সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন (SEO) আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য অন্যতম একটা মাধ্যম।

সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিংঃ 

সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বলতে আসলে কি বুঝি? সাধারনভাবে বলতে গেলে আমরা প্রতিদিন ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর মাধ্যমে সোস্যাল কমিউনিকেশন এর জন্য যে সাইট গুলো ব্যবহার করে থাকি সেগুলেো হল সোস্যাল মিডিয়া, আর এ সব মাধ্যমে যদি কোনে প্রোডাক্ট প্রমোট করি তাহলে তা হবে সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং।

যেমনঃ টুইটার, পিন্টারেস্ট, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব, ফেইসবুক, রেডিট, টামবলার, লিংকডিন সহ ইত্যাদি সোস্যাল মিডিয়া সাইট।

বাংলাদেশ এবং গোটা বিশ্ব এখন সোস্যাল মিডিয়ার উপর অনেকটা নির্ভর হয়ে পরেছে, আর আমরা সকলেই আমাদের নিজেদের লাইফ স্টাইল সোস্যাল সাইটে শেয়ার করতে পছন্দ করি। এজন্য এই সোস্যাল মিডিয়া সাইটগুলোতে অনেক বেশি কোলাহল থাকে।

মার্কেটার হিসেবে এই সুযোগকে কাজে লাগাতে পারলে, আপনি আপনার প্রোডাক্ট এর সেল অনেক গুনে বাড়িয়ে নিতে পারবেন। এই সোশ্যাল সাইটগুলতে ২ ভাবে কাজ করা যায়।

  1. ফ্রি মার্কেটিং ম্যাথড
  2. পেইড মার্কেটিং ম্যাথড

আপনি চাইলে ফ্রি তে আপনার প্রোডাক্ট নিয়ে সোস্যাল সাইটে সুন্দর সুন্দর কন্টেন্ট তৈরি করে শেয়ার করার মাধ্যমে ক্রেতা খুঁজে নিতে পারেন। প্রতিটি সোশাল মিডিয়াতে টাকার বিনিময়েও বিজ্ঞাপন করে আপনার পণ্যকে অনেকের সামনে নিয়ে যেতে পারেন।

ইমেইল মার্কেটিংঃ 

ডিজিটাল মাধ্যমে সবচেয়ে সহজ এবং দ্রুত উপায়ে আপনার পণ্যর বিজ্ঞাপন ভোক্তাদের কাছে পৌঁছানোর কার্যকারি পদ্ধতি হল ইমেইল মার্কেটিং। আপনি কি বিক্রি করছেন সেটা কোন বিষয় নয়। এক ক্লিকেই আপনার সার্ভিসটি সম্ভাব্য হাজার হাজার গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দিতে পারবেন।

বিভিন্ন পদ্ধতিতে ইমেইল কালেকশন করে এক ক্লিকে আপনার পণ্যটির বিজ্ঞাপন পৌঁছে দিতে পারেন মুহূর্তের মাঝে। এতে প্রচুর গ্রাহক পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

তবে বাংলাদেশ এর কথা চিন্তা করলে আমার দেখা মতে এখনো এই মার্কেটিং চ্যানেলটা এতোটা জনপ্রিয় না। কারণ আমরা এখনো ইমেইল ব্যবহারে এতটা যত্নশীল না। এজন্য বাংলাদেশ মার্কেট -এ কাজ করতে চাইলে এই চ্যানেল টা আপনাকে খুব বেশি সাহায্য করবে বলে আমার মনে হয়না।

তবে এটা জেনে রাখুন, “ইমেইল মার্কেটিং ইজ দা লাইফ ব্লাড অফ ডিজিটাল মার্কেটিং”।

এসএমএস মার্কেটিংঃ

একটা সময় ছিল যখন মোবাইলের এত প্রচলন ছিল না, কিন্তু আমরা সবাই এখন মোবাইল ব্যবহার করি। আর এই মোবাইল হতে পারে মার্কেটিং এর অনেক সুন্দর একটি মাধ্যম। প্রতিদিনই যখন ঘুম থেকে উঠে মোবাইল কোম্পানি থেকে মেসেজ আসেনি এমন খুব কম দেখেছি আমি।

মোবাইল কোম্পানিগুলো মূলত মোবাইল এসএমএস মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন পণ্যের প্রোমোশন করে থাকে এবং এই প্রোমোশনের মাধ্যমকে আমরা বলে থাকি এসএমএস মার্কেটিং।

আপনি চাইলেও কোন মিডিয়া পার্টনার এর সাহায্য নিয়ে আপনার পণ্যের বিজ্ঞাপন এই মোবাইল এসএমএস এর মাধ্যমে করতে পারেন। এটা খুবই কম খরচে করা যায়, আর আপনার যদি সেলস ফানেল সুন্দরভাবে তৈরি করতে পারেন তাহলে এই মার্কেটিং থেকে অনেক বেশি বিক্রি বাড়ানো সম্ভব।

ওয়েব এনালাইটিক্সঃ

ওয়েব এনালিটিক্স হল আপনার ওয়েব সাইট টি কতজন ভিজিট করছে কোন অঞ্চল থেকে কেমন বয়সীরা ভিজিট করছে তা বিভিন্ন সাইট বা সফটয়্যারের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা। এক কথায় বলা যায় একটি ওয়েব সাইটের ভিজিটর সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এনালাইসিস করাকে ওয়েব এনালাইটিক্স বলে।

আমরা অনেকেই গুগুল ওয়েব এনালাইটিক্স, বিং ওয়েব এনালাইটিক্স এবং ইয়াহু এর ওয়েব এনালাইটিক্স এর সাথে পরিচিত। এগুলো দিয়ে কোন একটি ওয়েব সাইটের ভিজিটরের তথ্য সহ অন্যান্য তথ্য গুলো পাওয়া যায়।

এ ছাড়াও ডিজিটাল মার্কেটিং এর আরো অসংখ্য পদ্ধতি রয়েছে। আর এই ডিজিটাল মার্কেটিং এর সব ধরণের সেবা দিয়ে থাকে আমাদের আইএমবিডি এজেন্সী।

ধন্যবাদ সবাইকে ।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গুগলে চাকরি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গুগলে চাকরি

বিশ্বের সর্ববৃহৎ সার্চ ইঞ্জিন ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুগলে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে ডাক পেয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থী আবু সায়েম সেফাতুল্লাহ

তথ্য নিশ্চিত করেছেন আবু সায়েম সেফাতুল্লাহ

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীর গুগল থেকে ডাক পাওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম।


তিনি জানান, সকল প্রসেসিং শেষ করে ৮ই এপ্রিল সন্ধ্যায় (বাংলাদেশ সময়) আমার এ খুশির সংবাদটি আমি পাই। তার সাফল্য নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, আসলে চেষ্টা সকল সফলতার চাবিকাঠি। তবে পিতা-মাতা এ ব্যাপারে আমাকে ব্যাপক সাপোর্ট দিয়েছেন। তারা আমার ইচ্ছার উপর বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন। আমি সকল শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞ। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে কিছু বলার জন্য প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, আসলে কোন বিশ্ববিদ্যালয় কত তম র‍্যাংকিং এ আছে এটা বড় ব্যাপার না। ব্যাপার হচ্ছে আপনি কতটুকু চেষ্টা করছেন বা আপনার ইচ্ছার উপর কতটুকু জোর দিচ্ছেন।

আবু সায়েম সেফাতুল্লাহ আরো বলেন, সিএসইতে যারা পড়েন তাদের সবারই ইচ্ছা থাকে গুগলের মতো কোনো জায়গায় চাকরি করার। আমারও এ ইচ্ছাটা ছিল। সপ্তম সেমিস্টারে থাকার সময় সিঙ্গাপুর থেকে একটা অফার পেয়েছিলাম। ওই সময় থেকে ইচ্ছা ছিল-গুগলে হয় কিনা। গুগলের ইন্টারভিউ প্রসেসটা অনেক লম্বা ও কঠিন। গত নভেম্বরে আমার ইন্টারভিউ শুরু হয়। এ চার-পাঁচ মাসে অনেক রাউন্ড, প্রসেস পার করে ফাইনালি গতকাল অফারটা পেয়েছি। প্রত্যেকটি রাউন্ড শেষেই অনেক টেনশন ছিল। অফার পাওয়ার অনুভূতি বলে বোঝানো যাবে না।

Google LLC

আবু সায়েমের বাবা ফারুক হোসেন তালুকদার জানান, ছেলের স্বপ্ন পূরণের মধ্য দিয়ে তারও স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।

এদিকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আবু সায়েমকে অভিনন্দন জানান। সেখানে তিনি লিখেন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথমবারের মতো বিশ্বের সর্ববৃহৎ টেক জায়ান্ট গুগলে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে জবের অফার পেয়েছেন আবু সায়েম সেফাতুল্লাহ। এটা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বড় অর্জন। তিনি আরও লিখেন, আবু সায়েম টিম রবোট্রাসে হয়ে এর আগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে ICPC এবং NCPC-তে প্রতিনিধিত্ব করেছে। ২০১৭-২০২০ সালে এই টিমের অফিসিয়াল কোচ হিসেবে আমি গর্বিত। তার জন্য অভিনন্দন ও শুভকামনা। আশা করি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও তার পথ অনুসরণ করবে।

উল্লেখ্য, আবু সায়েম সেফাতুল্লাহর বাড়ি ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার সূর্যপাশা গ্রামে৷ বরিশাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের পড়াশোনা শেষ করেন৷

আবু সায়েম সেফাতুল্লাহ কে গুগলে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে চাকরি অফার পাওয়ার জন্য Codex Devware এর পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আশা করি আবু সায়েম সেফাতুল্লাহ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশের আরো অসংখ্য ছেলেমেয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের নতুন পরিচয় তৈরি করবে।

প্রতিবেদনটি ভালো লাগলে পরিচিত জনদের সাথে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করতে ভুলবেন না।

This report was written by Iftakhar Ahmed

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কী?

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কী?


আমরা বিগত ব্লগে ওয়েব ডিজাইন কি , কিভাবে করে তা সম্পর্কে জানছি , আজকে আমরা জানব ওয়েব ডেভলপমেন্ট কি , কিভাবে এটি কাজ করে তা নিয়ে So সবাই চেয়ার টেবিলে বসে পড়ুন পড়ার জন্য।
ওয়েব ডেভলপমেন্ট হ’ল ইন্টারনেটে ওয়েবসাইট বা অ্যাপ্লিকেশন তৈরির প্রক্রিয়া, বা কোনও ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক যেমন ইন্টারনেট হিসাবে পরিচিত। ওয়েব বিকাশ কোনও ওয়েবসাইটের ডিজাইনের সাথে সম্পর্কিত নয়; বরং এটি কোডিং এবং প্রোগ্রামিং সম্পর্কে যা ওয়েবসাইটের কার্যকারিতাকে শক্তি দেয়।

সর্বাধিক সরল, স্থির ওয়েব পৃষ্ঠাগুলি থেকে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং অ্যাপ্লিকেশনগুলি, ইকমার্স ওয়েবসাইটগুলি থেকে সামগ্রী সামগ্রী ব্যবস্থা (সিএমএস) পর্যন্ত; আমরা প্রতিদিন ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবহার করি এমন সমস্ত সরঞ্জাম ওয়েব বিকাশকারীদের দ্বারা নির্মিত হয়।

ওয়েব ডেভলপমেন্টকে তিনটি স্তরে বিভক্ত করা যেতে পারে যেমন :

  1. Client-Side .
  2. Server-Side.
  3. Database Technology.
Computer technology isometric icon, server room, digital device set, element for design, pc laptop, mobile phone with smartwatch, cloud storage, flat vector illustration

আসুন আরও বিস্তারিতভাবে এই স্তরগুলির প্রত্যেকটি একবার দেখে আসিঃ

  1. Client-Side
    ক্লায়েন্ট-সাইড স্ক্রিপ্টিং, বা ফ্রন্টএন্ড ডেভলপমেন্ট, শেষ ব্যবহারকারী প্রত্যক্ষভাবে অভিজ্ঞতার সাথে বোঝায়। ক্লায়েন্ট-সাইড কোডটি একটি ওয়েব ব্রাউজারে কার্যকর করা হয় এবং লোকেরা কোনও ওয়েবসাইট দেখার সময় তারা কী দেখে তা সরাসরি সম্পর্কিত। লেআউট, ফন্ট, রঙ, মেনু এবং পরিচিতি ফর্মগুলির মতো বিষয়গুলি সমস্তই সম্মুখভাগ দ্বারা চালিত।
  2. Server Side
    সার্ভার-সাইড স্ক্রিপ্টিং, বা ব্যাকএন্ড ডেভলপমেন্ট, পর্দার আড়ালে কী ঘটে যায় সে সম্পর্কে। ব্যাকএন্ড মূলত কোনও ওয়েবসাইটের সেই অংশ যা ব্যবহারকারী আসলে দেখেন না। এটি ডেটা সংরক্ষণ এবং সংগঠিত করার জন্য, এবং ক্লায়েন্ট-পক্ষের সমস্ত কিছু সুচারুভাবে চলমান তা নিশ্চিত করার জন্য দায়বদ্ধ। এটি সম্মুখভাগের সাথে যোগাযোগ করে এটি করে। যখনই ক্লায়েন্টের পাশে কিছু ঘটে – বলুন, কোনও ব্যবহারকারী একটি ফর্ম পূরণ করে – ব্রাউজারটি সার্ভার-সাইডে একটি অনুরোধ প্রেরণ করে। সার্ভার-সাইডটি ফ্রন্টএন্ড কোড আকারে প্রাসঙ্গিক তথ্যের সাথে “প্রতিক্রিয়া জানায়” যা ব্রাউজারটি তখন ব্যাখ্যা এবং প্রদর্শন করতে পারে।
  3. Database Technology
    ওয়েবসাইটগুলি ডাটাবেস প্রযুক্তির উপরও নির্ভর করে। ডাটাবেসে সমস্ত ফাইল এবং সামগ্রী রয়েছে যা কোনও ওয়েবসাইটের কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয়, এটিকে এমনভাবে সংরক্ষণ করা হয় যাতে এটি পুনরুদ্ধার, সংগঠিত, সম্পাদনা এবং সংরক্ষণ করা সহজ করে। ডাটাবেসটি একটি সার্ভারে চলে এবং বেশিরভাগ ওয়েবসাইটগুলি সাধারণত কিছু প্রকারের রিলেশনাল ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আরডিবিএমএস) ব্যবহার করে।
Network database concept with hosting data devices connected realistic 3d vector illustration

সংক্ষিপ্তসার হিসাবে: পুরোপুরি কার্যকরী ওয়েবসাইট বা অ্যাপ্লিকেশন তৈরি এবং পরিচালনা করতে ফ্রন্টএন্ড, ব্যাকএন্ড এবং ডাটাবেস প্রযুক্তি সব মিলিয়ে কাজ করে এবং এই তিনটি স্তর ওয়েব ডেভলপমেন্টের ভিত্তি তৈরি করে।

একজন ওয়েব ডেভেলপার কী করে?

ওয়েব ডেভেলপারের ভূমিকা ওয়েবসাইটগুলি তৈরি করা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা। ওয়েব ডেভেলপার রা ঘরে বসে বা ফ্রিল্যান্সে কাজ করতে পারে এবং জড়িত সুনির্দিষ্ট কাজ এবং দায়িত্বগুলি তারা ফ্রন্টএন্ড, ব্যাকএন্ড বা ফূলস্ট্যাক ডেভেলপার হিসাবে কাজ করছে কিনা তার উপর নির্ভর করে পৃথক কাজের উপর। ফূলস্ট্যাক ডেভেলপার গণ ফ্রন্টএন্ড এবং ব্যাকএন্ড উভয় ক্ষেত্রেই বিশেষজ্ঞ;ফূলস্ট্যাক ডেভেলপার কী করে সে সম্পর্কে পরে আমরা আরও বিশদে যাব।
ওয়েব ডেভেলপার গণ এমন পণ্য তৈরির জন্য দায়বদ্ধ যা ক্লায়েন্টের চাহিদা এবং গ্রাহক বা শেষ ব্যবহারকারী উভয়েরই পূরণ করে। ওয়েব ডেভেলপার রা দৃষ্টিভঙ্গিটি বোঝার জন্য স্টেকহোল্ডার, ক্লায়েন্ট এবং ডিজাইনারদের সাথে সহযোগিতা করছেন: চূড়ান্ত ওয়েবসাইটটি কীভাবে দেখা এবং ফাংশন করা উচিত?

ওয়েব ডেভলপমেন্টের একটি বড় অংশ ক্রমাগত কোনও ওয়েবসাইট বা সিস্টেমে অনুকূলিতকরণ এবং উন্নত করার জন্য বাগগুলি সনাক্তকরণ এবং ফিক্সিংয়ের চারদিকে ঘোরে। ওয়েব ডেভেলপার রা তাই সমস্যাগুলি সমাধানকারী, নিয়মিত সমাধান এবং কার্যকারণগুলি নিয়ে আসে যাতে জিনিসগুলি সহজেই চলতে থাকে।

ব্যাকএন্ড ডেভেলপার কী কাজ করে?
ব্যাকএন্ড মূলত মুখের পিছনে মস্তিষ্ক (সম্মুখভাগ)। একটি ব্যাকএন্ড ডেভেলপার তাই তিনটি অংশ সমন্বয়ে সীমান্তকে শক্তি সরবরাহ করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিটি তৈরি এবং বজায় রাখার জন্য দায়বদ্ধ: একটি সার্ভার, একটি অ্যাপ্লিকেশন এবং একটি ডাটাবেস।

ব্যাকএন্ড ডেভেলপার গণ যে কোডটি তৈরি করেন তা নিশ্চিত করে যে সম্মুখভাগ বিল্ডিং সমস্ত কিছু পুরোপুরি কার্যকরী, এবং সার্ভার, অ্যাপ্লিকেশন এবং ডাটাবেস সমস্ত একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে তা নিশ্চিত করা ব্যাকেন্ড ডেভলপারদের কাজ। তাহলে তারা কীভাবে এটি করবে? প্রথমে তারা অ্যাপ্লিকেশনটি তৈরি করতে সার্ভার-সাইড ভাষা যেমন পিএইচপি, রুবি, পাইথন এবং জাভা ব্যবহার করে। তারপরে তারা মাইএসকিউএল, ওরাকল এবং এসকিউএল সার্ভারের মতো সরঞ্জামগুলি ডেটা সন্ধান, সংরক্ষণ বা সম্পাদনা এবং ফ্রন্টএন্ড কোডে ব্যবহারকারীর কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যবহার করে।
ফ্রন্টএন্ড ডেভেলপার দের মতো, ব্যাকএন্ড ডেভেলপার রা তাদের প্রয়োজন এবং প্রয়োজনীয়তা বুঝতে ক্লায়েন্ট বা ব্যবসায়ের মালিকের সাথে যোগাযোগ করবে। তারা প্রকল্পের সুনির্দিষ্টতার উপর নির্ভর করে এগুলি বিভিন্ন উপায়ে সরবরাহ করবে। সাধারণ ব্যাকএন্ড ডেভেলপমেন্ট কার্যগুলির মধ্যে ডেটাবেস তৈরি, সংহতকরণ এবং পরিচালনা, ব্যাকএন্ড ফ্রেমওয়ার্কগুলি ব্যবহার করে সার্ভার-সাইড সফ্টওয়্যার তৈরি করা, বিষয়বস্তু পরিচালন সিস্টেমগুলি (যেমন একটি ব্লগের জন্য) বিকাশ করা এবং মোতায়েন করা, পাশাপাশি ওয়েব সার্ভার প্রযুক্তিগুলির সাথে কাজ করা, এপিআই ইন্টিগ্রেশন এবং অপারেটিং সিস্টেম।

.ফূলস্ট্যাক ডেভেলপার কী কাজ করে?
একটি ফূলস্ট্যাক ডেভেলপার এমন কেউ যিনি বোঝেন এবং প্রযুক্তির “ফূলস্ট্যাক” জুড়ে কাজ করতে পারেন: অর্থাত্ সম্মুখভাগ এবং ব্যাকএন্ড উভয়ই। ফূলস্ট্যাক ডেভেলপার রা ওয়েব ডেভলপমেন্ট প্রক্রিয়াটির প্রতিটি পর্যায়ে বিশেষজ্ঞ, যার অর্থ তারা হাত পেতে সুসজ্জিত, তবে কৌশল এবং সর্বোত্তম অনুশীলনের দিকনির্দেশনাও দিতে পারে।

বেশিরভাগ ফূলস্ট্যাক ডেভেলপার রা বিভিন্ন ওয়েবের বিভিন্ন ভূমিকাতে বহু বছরের অভিজ্ঞতা একত্রিত করেছেন, পুরো ওয়েব ডেভেলপমেন্ট স্পেকট্রাম জুড়ে একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করে।ফূলস্ট্যাক ডেভেলপার গণ ফ্রন্টএন্ড এবং ব্যাকএন্ড ভাষা এবং ফ্রেমওয়ার্ক উভয় ক্ষেত্রেই সার্ভার, নেটওয়ার্ক এবং হোস্টিং পরিবেশে দক্ষ। তারা ব্যবসায়িক যুক্তি এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উভয় ক্ষেত্রেই পারদর্শী।

ওয়েব ডেভলপমেন্ট এর ক্যারিয়ার চ্যালেঞ্জিং, আর্থিকভাবে পুরস্কৃত এবং চাকরির সুরক্ষার দিক থেকে অনেক কিছু দেওয়ার রয়েছে। ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে ক্যারিয়ারের প্রথম ধাপটি হ’ল প্রয়োজনীয় ভাষা, লাইব্রেরী এবং ফ্রেমওয়ার্কগুলি শেখা। আপনাকে উপরে বর্ণিত কয়েকটি সরঞ্জামের পাশাপাশি কিছু সাধারণ পরিভাষার সাথে নিজেকেও পরিচিত করতে হবে। আপনি যে ভাষা শিখেন সেগুলির ক্ষেত্রে, এটি সমস্ত আপনি ফ্রন্টএন্ড বা ব্যাকএন্ড ডেভলপমেন্ট এর দিকে ফোকাস করতে চান কিনা তার উপর নির্ভর করে। তবে সমস্ত ওয়েব ডেভেলপার দের এইচটিএমএল, সিএসএস এবং জাভাস্ক্রিপ্টে দক্ষ হতে হবে।
So, এখন আমরা ফুল স্ট্যাক ওয়েব ডেভেলপমেন্ট নিয়ে অনেক কিছু দেখলাম , এখন আরেকটু Overview দিয়ে দি , কিভাবে আরো ভালো কিছু শিখা যায়।


আমরা এখন ডেভেলপমেন্ট নিয়ে আরও এ শিখতে গেলে যা যা লাগবে তা হলোঃ

  1. php (Raw & Object Oriented) or Asp.net
  2. Mysqli Database
  3. Javascript
  4. Ajax
  5. WordPress Theme Development (better)
    এগুলো ছাড়া বর্তমানে নতুন Technology হিসেবে ব্যাক এন্ড র জন্য বর্তমান মার্কেট এ আসছে Javascript এর Framework Node Js, Expreess Js, এবং ডাটাবেস এর জন্য Mongo DB .
    So, পরিশেষে বলব আপনার যদি উপরের Skill গুলো থাকে তাহলে আপনি একজন ব্যাকএন্ড ডেভেলপর ।
    উপরের Skill গুলো জানা থাকলে আপনি কারো ডিজাইন করা ওয়েব সাইট ডেভেলপ করতে পারবেন । তাই জেনে রাখা ভালো ওয়েব ডিজাইনারের থেকে ওয়েব ডেভেলপারের কাজের পারিশ্রমিক একটু বেশি হয়ে থাকে।
    ধন্যবাদ সবাইকে।
ওয়েব ডিজাইন কী এবং কেন ?

ওয়েব ডিজাইন কী এবং কেন ?

Web Design মানে হচ্ছে একটা ওয়েবসাইট দেখতে কেমন হবে বা এর সাধারন রূপ কেমন হবে তা নির্ধারণ করা।

 ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে আপনার কাজ হবে একটা পূর্ণাঙ্গ ওয়েব সাইটের টেম্পলেট বানানো। যেমন ধরুন এটার লেয়াউট কেমন হবে। হেডারে, মেনু কোথায় থাকবে, সাইডবার হবে কিনা, ইমেজগুলো কিভাবে প্রদর্শন করবে ইত্যাদি। ভিন্ন ভাবে বলতে গেলে ওয়েবসাইটের তথ্য কি হবে এবং কোথায় জমা থাকবে এগুলো চিন্তা না করে, তথ্যগুলো কিভাবে দেখানো হবে সেটা নির্ধারণ করাই হচ্ছে ওয়েব ডিজাইনার এর কাজ। সোজা ভাষায় বলতে গেলে আমরা ফেইসবুকে ভিজিট করলে যেই পরিবর্তন টা দেখতে পাই তা একটা ডিজাইন। আর এই ডিজাইন নির্ধারণ করতে ব্যবহার করতে হবে কিছু টুলস যেমন PHOTOSHOP, GIMP ইত্যাদি এবং কিছু Markup এবং Scripting Language যেমন HTML, CSS এবং JavaScript ইত্যাদি।

 

 

ওয়েব ডিজাইনারদের কে আমরা Front-end ডেভেলপার ও বলতে পারি। এখন Web design শিখতে কোন কোন ভাষা জরুরী…???

1. HTML

2. CSS

3. Bootstrap

4. JavaScript

5. JQuery

-উপরোক্ত গুলো জানা থাকলে একজন Web Designer হওয়া সম্ভব। এখন আমরা হালকা করে Development সম্পর্কে জেনে আসি ।

 

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে একটা ওয়েব সাইটের প্রাণ সঞ্চার করা। একজন ওয়েব ডিজাইনার যে ডিজাইন তৈরি করেন তার প্রতিটা উপকরণকে ফাংশনাল এবং ডাইনামিক করার জন্য পরিচালিত কর্মকান্ডই হচ্ছে Web Development।

একটা ওয়েব সাইট কে তিনটা ভাগে বিভক্ত করা যায় যেমন

১.ডিজাইন বা টেমপ্লেট ২.কনটেন্টম্যানেজমেন্ট ৩.সিস্টেম এবং ডাটাবেস।

একজন ওয়েব ডেভেলপার এই তিনটি বিষয়ের মধ্যে সমন্বয় ঘটিয়ে পুরো সিস্টেমটি কে সক্রিয় এবং ডাইনামিক করে থাকেন। একজন ওয়েবডেভেলপারের কাজ হচ্ছে

ডাটা প্রসেসিং,

ডাটাবেস নিয়ন্ত্রণ,

সিকিউরিটি নির্মান,

ইউজার এবং

এডমিনের ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণকরা,

এপ্লিকেশনের সকল ফিচারকে ফাংশনাল এবং ডাইনামিক করা এবং সমগ্র সিস্টেমের কার্যকারীতা এবং ব্যবহার যোগ্যতা নিয়ন্ত্রণ করা । Web Design নিয়ে শেষ কথা । আপনাকে একজন ভালো ওয়েব ডেভেলপার হতে হলে

PHP , MySQL এর পাশাপাশি HTML, CSS, JAVASCRIPT, JQUERY, Bootstrap এর সম্পর্কে বিশদ জ্ঞান রাখতে হবে। এছাড়া এর বাইরে নতুন টেকনোলজী হিসেবে আসছে বর্তমানে JavaScript এর Framework React Js , Vue Js, Angular Js. এগুলো জানলে আপনি একজন Front End Web Developer. (NB): JavaScript এর Framework যেকোনো একটা জানলে হবে ।

” কম্পিউটার মাদারবোর্ডের ময়নাতদন্ত “

” কম্পিউটার মাদারবোর্ডের ময়নাতদন্ত “

মাদারবোর্ড শব্দটার সাথে আমরা সবাই কম বেশি পরিচিত। কম্পিউটার বা ল্যাপটপ এর কথা আসলেই মাদারবোর্ড শব্দটি শোনা যায়। আসলে মাদারবোর্ড কী? কিভাবে কাজ করে এই মাদারবোর্ড তাই জানব আমাদের আজকের মাদারবোর্ডের ময়নাতদন্তে।

যদি নিজের ভাষায় বলি তাহলে মাদারবোর্ড হচ্ছে কম্পিউটারের এমন একটা যন্ত্রাংশ যা পুরো কম্পিউটারের অন্যান্য যন্ত্রাংশগুলোকে একটার সাথে আরেকটা যুক্ত করে। আর যদি বইয়ের ভাষায় বলি তাহলে মাদারবোর্ড হচ্ছে কম্পিউটারের মেইন সার্কিট বোর্ড, যা কম্পিউটারের সমস্ত কম্পোনেন্টগুলো কে একে অপরের সাথে কানেক্ট করে।

মাদারবোর্ড কত প্রকার ও কি কি ?

কম্পিউটার মাদারবোর্ড ৫ প্রকার হয়ে থাকে। এগুলোর ব্যবহার, আকার, ক্ষমতা একটি অপরটির থেকে ভিন্ন।

পাঁচ প্রকারে মাদারবোর্ড গুলো হলো

মাদারবোর্ডের দাম কত ?

বাজারে অনেক ধরনের মাদারবোর্ড পাওয়া যায়। এর মধ্যে বহুল পরিচিত কিছু মাদারবোর্ডের দামের ধারনা নিচে দেওয়া হলো।

  • Asus Expedition EX-B560M-V5 Intel M-ATX Motherboard ১১,৬০০ টাকা।
  • Gigabyte GA-H61M-DS2 3rd / 2nd Gen Micro ATX PC Mainboard ৫,০০০ টাকা।
  • MSI B450M Mortar Max Gaming Motherboard ৯,৩০০ টাকা।
  • Gigabyte GA-B85M-D3V-A Intel 4th Gen Motherboard ৪,৫০০ টাকা।
  • Gigabyte B550 Aorus Elite AX V2 Motherboard ১১,৬০০ টাকা।
  • Asus Prime B450M-A AMD Motherboard ৮,৯০০ টাকা।

এইতো গেল মাদারবোর্ডের সংজ্ঞা এখন এটি আসলে কাজ কিভাবে করে তাই জানবো।

মাদারবোর্ড মূলত দুই (২) অংশে বিভক্ত

  • নর্থব্রিজ – নর্থব্রিজ উচ্চ গতির যন্ত্রাংশ নিয়ন্ত্রণ করে। উচ্চ গতির যন্ত্রাংশগুলো হলো:- প্রসেসর, র‍্যাম, গ্রাফিক্স কার্ড।
  • সাউথব্রিজ – সাউথব্রিজ কম গতির যন্ত্রাংশ নিয়ন্ত্রণ করে। নিম্ন গতির যন্ত্রাংশগুলো হলো:- বিল্ট-ইন-পোর্ট, PCI স্লট, I/O ডিভাইস।

মাদারবোর্ডের বিভিন্ন অংশ ও তার পরিচিতি

মাদারবোর্ড কি বা মাদারবোর্ড কাকে বলে এই বিষয় আপনি জেনে গেছেন। এখন মাদারবোর্ডের বিভিন্ন অংশের সাথে পরিচিত হবো।

  • সিপিইউ স্লট (CPU Slot) সাদা রঙ্গের চারকোনা একটি বোড। যেখানে সিপিইউ বা প্রসেসর বসানো হয়। মাদারবোর্ডে dule core, core i3, core i5 জেনারেশন প্রসেসর বসানো যায়।
  • সিপিইউ ফ্যান ও হিটসিংক (CPU fan & Heatsink) সিপিইউকে ঠান্ডা করার জন্য কুলিং ফ্যান বা হিটসিংক বসাতে হয়।
  • পাওয়ার সংযোজক (Power Connector) মাদারবোর্ডে যত ইলেক্ট্রনিক পাওয়ার প্রয়োজন সেটা এই পিনের মাধ্যমে ট্রানফার করা হয়।
  • র‍্যাম স্লট (Ram slot) এখানে র‍্যাম ইনস্টল করতে হয়। এখানে আপনি ২ জিবি, ৪ জিবি র‍্যাম ইনস্টল করতে পারবেন। এখানে আপনি দুইটা স্লট দেখতে পাচ্ছেন যার ফলে ভবিষ্যতে র‍্যাম বৃদ্ধি করে নিতে পারবেন।
  • আইডিই সংযোগ (IDE connector) আগে এই ডিভাইসের সাহায্যে হার্ডডিস্ক বা অপটিক্যাল ডিভাইস করত কিন্ত বর্তমানে এই কানেক্টর আর ব্যবহার করা হয় না।
  • এজিপি স্লট (AGP slot) এই স্লটে গ্রাফিক্স কার্ড ইনস্টল করতে হয়। আপনি যদি কম্পিউটার হাই গ্রাফিক্স গেম খেলতে চান তাহলে এখানে এক্সটার্নাল গ্রাফিক্স কার্ড ইনস্টল করতে হবে।
  • সিআইপি স্লট (CIP slot) এখানে এক্সাট্রা সাউন্ড কার্ড, WiFi Card, ভিডিও কার্ড, নেটওয়ার্ক কার্ড ইত্যাদি যুক্ত করতে পারবেন।
  • সিমস ব্যাটারি (CMOS Battery) এই ব্যাটারির সাহায্যে কম্পিউটারের ডেট, টাইম আপডেট থাকে। 
  • অডিও পোর্ট (Audio port) নীল, সবুজ এবং গোলাপি রঙের যে ৩টি পোর্ট এটাকে অডিও পোর্ট বা 3.1 অডিও জ্যাক বলে। এখানে আপনি হেডফোন, মাইক, স্পিকার যেকোনো কিছু লাগাতে পারবেন।
  • ইউএসবি পোর্ট (USB port) যেকোনো সাব ডিভাইস এই USB port ব্যবহার করতে পারবেন। যেমন মাউস, কীবোর্ড, পেনড্রাইভ, মেমোরি কার্ড ইত্যাদি।
  • ইথারনেট পোর্ট (Ethernet port) কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ করতে হলে এই ইথারনেট পোর্টের মাধ্যমে ল্যান ক্যাবল কানেক্ট করতে হবে।
  • প্যারালাল পোর্ট (parallel port) গোলাপি রঙের এই পোর্টকে বলা হয় প্যারালাল পোর্ট। এই পোর্টের মাধ্যমে আপনি যেকোনো প্রিন্টার কম্পিউটার সাথে যুক্ত করতে পারবেন।
  • ভিজিএ পোর্ট (VGA port) ভিজিএ পোর্টের মাধ্যমে কম্পিউটারের মনিটর বা LCD যুক্ত করতে হয়। VGA Port দেখতে কালো রঙের হয়।

যদি মাদারবোর্ড নষ্ট হয়ে যায় তখন !!

আপনি যখন নষ্ট মাদারবোর্ড ঠিক করার জন্য কোনো মেকানিকের কাছে যাবেন, তখন হয়তো সেটা ঠিক করার জন্য ১৫ হাজার টাকা চাইতে পারে। যদিও মাদারবোর্ড ঠিক করা যায় কিন্ত আপনি ঠিক করতে যত টাকা লাগবে তার সাথে আর কিছু টাকা দিয়ে নতুন একটি মাদারবোর্ড ক্রয় করুন।

এই ছিল আমাদের আজকের ময়নাতদন্ত। ভবিষ্যতে অন্য কোন যন্ত্রাংশের ময়নাতদন্ত নিয়ে আসবো। ততক্ষণ পর্যন্ত সাবধান থাকুন সুস্থ থাকুন আর Codex Devware এর সাথে থাকুন। ব্লগটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে আপনার পরিচিত জনদের সাথে শেয়ার করুন।

আমি Iftakhar Ahmed আজ বিদায় নিচ্ছি এখান থেকে। ধন্যবাদ সবাইকে (:

Home
Account
Course
Search